০১-০৩-১৯ প্রাতঃমুরলী ওম্ শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


"মিষ্টি বাচ্চারা - বাবা আর বাচ্চাদের কার্যকলাপের মধ্যে (এক্টিভিটিতে) যে পার্থক্য রয়েছে সেটাকে চেনো, বাবা তোমাদের, অর্থাৎ বাচ্চাদের সাথে খেলতে পারেন, খেতে পারেন না"

প্রশ্ন:-

সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে নরকবাস - এর ভাবার্থ কি ?

উত্তর:-

তোমরা এখন সৎ এর সঙ্গে থাকো অর্থাৎ বাবার সাথে বুদ্ধিযোগ যুক্ত থাকে বলে পার হয়ে যাও। আবার ধীরে ধীরে কুসঙ্গ অর্থাৎ দেহের সঙ্গ-তে আসো, তাই ক্রমশ নীচে নামতে থাকো। কারণ সঙ্গের রঙ্ লেগে যায়, সেইজন্য বলা হয়- সৎ-সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে নরকবাস।

ওম্ শান্তি।

এখন বাচ্চাদের দুটো ক্লাস হয়ে গেছে। এটা ভালোই হয়েছে, এক হল স্মরণের যাত্রা, যাতে পাপ কাটতে থাকে, আত্মা পবিত্র হতে থাকে আর দ্বিতীয় ক্লাস হল জ্ঞানের। জ্ঞানও সহজ। কঠিন কিছু নয়। তোমাদের সেন্টার আর এখানের পার্থক্য আছে । এখানে তো বাবা বসে আছেন আর বাচ্চারা আছে। এই মেলা হল বাবা আর বাচ্চাদের । আর তোমাদের সেন্টারে মেলা বসে বাচ্চাদের নিজেদের মধ্যে, সেইজন্য বাচ্চারা সামনে আসে। যদিও সেন্টারের বাচ্চারাও স্মরণ করে, কিন্তু এখানে তোমরা সামনে দেখো - তোমার সাথেই বসবো, তোমার সাথেই কথা বলব...। বাবা বুঝিয়েছেন বাবা আর বাচ্চাদের কার্যকলাপে (এক্টিভিটিতে) পার্থক্য আছে। খেয়াল করো, এতে বাবার কি ভূমিকা আর রথের কি ভূমিকা ? বাবা কি রথের দ্বারা খেলতে পারেন? হ্যাঁ খেলতে পারেন। যেমন তোমরা বলো - তোমার সাথেই উঠবো বসবো, সেইরকমই যদি বলো - তোমার সাথেই খাব, উনি নিজে তো আহার করেন না। বাচ্চাদের সাথে খেলা-ধূলা করেন সেটা তো বাবা নিজে বোঝেন, দুজনে খেলেন। সব কিছু তো এখানেই করেন তোমাদের সাথে, কারণ উনি সুপ্রিম টিচারও। টিচারের তো কাজই হলো বাচ্চাদের পরিবর্তন করা। ইনডোর গেমস হয় না! আজকাল তো গেমস্ও অনেক রকম, বিভিন্ন প্রকারের বেরিয়ে গেছে। সব থেকে নামজাদা খেলা হলো পাশা, যার বর্ণনা মহাভারতে আছে। কিন্তু সেটা জুয়ার রূপে আছে। জুয়ারিদের আটক করা হয়। এই সব কথা ভক্তি মার্গের বই থেকে বেরিয়েছে।



তোমরা জানো যে এই ব্রত উপোস ইত্যাদি সব ভক্তি মার্গের ব্যাপার। নির্জলা থাকা, খাবারও খায় না আর জলও পান করে না। যদি ভক্তি মার্গে প্রাপ্তি হয়ও তবে তা অল্প সময়ের। এখানে তো তোমাদের বাচ্চাদের সব বোঝানো হয়। ভক্তি মার্গে অনেক ধাক্কা খেতে হয়। জ্ঞান মার্গ হল সুখের মার্গ। তোমরা জেনে গেছো আমরা সুখের উত্তরাধিকার বাবার থেকে প্রাপ্ত করছি। ভক্তি মার্গেও স্মরণ করতে হয় এক জনকেই। একের পূজাও হল অব্যাভিচারী পূজা, সেটাও ভালো। ভক্তিও সতো-রজো-তমো হয়। সব থেকে উঁচুর থেকেও উঁচুতে সতোগুণী হল শিববাবার ভক্তি। শিববাবা এসেই সব বাচ্চাদের সুখধামে নিয়ে যান। যিনি সবচেয়ে বেশী বাচ্চাদের সেবা করেন, পবিত্র করেন তাঁকে ডাকেও। আবার বলে নুড়ি পাথরে (মাটির পাত্রের ভাঙা টুকরো, পাথরের টুকরো) আছে, এটা গ্লানি হলো না! তোমাদের, অর্থাৎ বাচ্চাদের বেহদের বাবার দ্বারা রাজ্য ভাগ্যের প্রাপ্তি হয়েছিল, আবার অবশ্যই প্রাপ্ত হবে। তোমরা জ্ঞানকে আলাদা, ভক্তিকে আলাদা মনে করো। রাম রাজ্য আর রাবণ রাজ্য কি করে চলে- এটাও তোমরা নম্বরঅনুযায়ী পুরুষার্থ অনুসারে জান, সেইজন্য প্রচার পত্র (পর্চা) ইত্যাদিও ছাপাতে থাকো। কারণ মানুষকে সঠিক ভাবে সত্যিকারের বোঝানোও তো দরকার, না ! তোমাদের সব কিছু হল সত্যি।



বাচ্চাদের সেবা(সার্ভিস) করা চাই। সেবা তো অনেক আছে। এই ব্যাজই কতো ভালো সেবার মাধ্যম । সবচেয়ে বড় শাস্ত্র হস ব্যাজ। এখন এটা হল জ্ঞানের কথা, এতে বোঝাতে হয়। এই স্মরণের যাত্রা হল সম্পূর্ণ আলাদা। একে বলা হয় অজপাজপ। কিছু জপতে হবে না। মনে মনেও শিব-শিব বলতে নেই। শুধুমাত্র বাবাকে স্মরণ করতে হবে। এটা তো জান শিববাবা হলেন বাবা, আমরা আত্মারা হলাম তাঁর সন্তান। তিনিই সম্মুখে এসে বলেন - আমি হলাম পতিত-পাবন, আমি কল্প-কল্প আসি পবিত্র করতে। দেহ সহ দেহের সব সম্বন্ধ ত্যাগ করে নিজেকে আত্মা মনে করো। আমাকে অর্থাৎ নিজের বাবাকে স্মরণ করো, তবে পবিত্র হয়ে যাবে। আমার ভূমিকাই হল পতিতকে পবিত্র করার। এটা হল বুদ্ধির যোগ বা বাবার সাথে সঙ্গ। সঙ্গ থেকে রঙ লাগে। বলা হয় সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, কুসঙ্গে নরকবাস...বাবার সাথে বুদ্ধি যোগ যুক্ত হওয়াতে পবিত্র হতে থাকো। আবার নামতে শুরু করে দাও। চার জন্যই গাওয়া হয় সৎ এর সঙ্গ পার করে...এর অর্থও ভক্তি মার্গের লোক জানে না। তোমরা মনে করো আমাদের আত্মা পতিত, সেই পতিত আত্মা পবিত্রতার সাথে বুদ্ধির যোগ যুক্ত করায় পবিত্র হতে থাকে। আত্মার পরমাত্মা বাবাকে স্মরণ করতে হয়। যখন আত্মা পবিত্র (পিওর) হয়, তখন শরীরও পবিত্র হয়, সত্যিকারের সোনা হয়। এটাই হল স্মরণের যাত্রা। যোগ অগ্নি দ্বারা বিকর্ম ভস্ম হয়, খাদ নির্গত হয়ে যায়। তোমরা জান সত্যযুগী নতুন দুনিয়াতে আমরা পবিত্র সম্পূর্ণ নির্বিকারী ছিলাম, ১৬ কলা সম্পূর্ণও ছিলাম। এখন কোনো কলাই অবশিষ্ট নেই, একে বলা হয় রাহুর গ্রহণ। সমস্ত দুনিয়া, বিশেষতঃ ভারতে রাহুর গ্রহণ লেগেছে। দেহও কালো, আর যা কিছু তোমরা এই চোখে দেখছ সব হল কালো। যেইরকম রাজা রাণী সেইরকম প্রজা। শ্যাম সুন্দরের অর্থও কেউ জানে না। কত রকমের নাম এখন মানুষের। এখন বাবা এসে অর্থ বুঝিয়েছেন যে, তোমরাই প্রথমে সুন্দর, আবার শ্যাম হয়ে যাও। জ্ঞান চিতার উপরে বসার জন্য তোমরা সুন্দর হয়ে যাও। আবার এরকম হতে হবে- শ্যাম থেকে সুন্দর, সুন্দর থেকে শ্যাম। এর অর্থ বাবা আত্মাদের বুঝিয়েছেন। আমরা আত্মারা এক বাবাকেই স্মরণ করি।বুদ্ধিতে এসে গেছে আমরা হলাম বিন্দু। একে বলা হয় আত্মার অনুভূতি (সেল্ফ রিয়েলাইজেশন)। সেটা দেখার জন্য অর্ন্তদৃষ্টি (ইনসাইট) চাই । এটা তো হল বোঝার ব্যাপার। আত্মাকে বোঝাতে হবে। আমি হলাম আত্মা, এটা হল আমার শরীর। আমরা এখানে শরীরে এসে ভূমিকা পালন করি। ড্রামার প্ল্যান অনুযায়ী সর্বপ্রথম আমরা আসি। আত্মা তো সবাই, অনেক। কারও ভূমিকা বেশী, কারও কম। এটা অনেক বড় অসীমের (বেহদের) নাটক। এতে নম্বর অনুযায়ী কিভাবে আসে, কি করে ভূমিকা পালন করে- এসব তোমরা জান। সর্বপ্রথম হল দেবী-দেবতার বংশ (ঘরানা) । এই নলেজও তোমাদের এখনকার, এই পুরুষোত্তম সঙ্গম যুগের। পরবর্তী কালে আবার এর কিছুই স্মরণে থাকবে না। বাবা স্বয়ং বলেন এই জ্ঞান প্রায় লোপ হয়ে যায়। কারোরই জানা নেই এই দেবী-দেবতা ধর্মের স্থাপনা কিভাবে হয়েছে। চিত্র তো আছে কিন্তু সেটা কি ভাবে স্থাপন হয়েছে, কারোরই জানা নেই। তোমাদের বাচ্চাদের জানা আছে আর তোমরা আবার অন্যান্যদের নিজের সমান করে নাও। অনেক হয়ে গেলে আবার অবশ্যই লাউড স্পিকারও রাখতে হবে। অবশ্যই কোন পদ্ধতি বেরোবে। অনেক বড় হলেরও দরকার পড়বে। যেমনটি পূর্ব কল্পে যা কিছু এক্ট করেছিলে সেটাই আবার হবে। এটা বোঝা গেছে। বাচ্চারা সংখ্যায় বৃদ্ধি পাবে। বাবা বুঝিয়েছেন বিবাহের জন্য যারা হল্ ইত্যাদি তৈরী করে তাদেরকেও বোঝাও। এখানেও বিবাহের জন্য ধর্মশালা ইত্যাদি তৈরী হচ্ছে না! কেউ নিজের বংশের হলে শীঘ্রই বুঝে যায়, যারা এই বংশের হবে না তারা বিঘ্ন সৃষ্টি করবে। যারা এই বংশের হবে তারা মেনে নেবে যে এটা সত্যি বলছে, যারা এই ধর্মের নয় তারা লড়াই করবে, বলবে এই প্রথা তো চলে আসছে। এখন হলো অপবিত্র প্রবৃত্তি মার্গ, বাবা আবার এসেছেন পবিত্র করে তুলতে। তোমরা পবিত্রতার উপর কতো জোর দাও, সেইজন্য কত বিঘ্ন আসে। আগা খাঁ ( শিয়া মুসলিম ইমাম ), পোপ এদেরও কত সম্মান আছে। তোমরা জান পোপ কি করেন। চার্চে বহু মানুষের বিবাহ করান, অনেক বিবাহ হয়। পোপ চার হাত এক করায় । এটাকেই তারা অনেক সম্মানের বলে মনে করে। মহাত্মাদেরও বিবাহ উপলক্ষে আমন্ত্রণ জানায় । আজকাল তারা বিবাহের বাগদানের অনুষ্ঠানও সম্পন্ন করায়। বাবা বলেন কাম হল বড় শত্রু। এই রায় (অর্ডিন্যানস্) বের করা মাসীর বাড়ী যাওয়ার মতো সহজ নয়। এটা বোঝানোর জন্য খুব ভালো রকমের যুক্তি দেওয়ার দরকার। পরবর্তী কালে ক্রমশঃ বুঝতে পারবে। আদি সনাতন হিন্দু ধর্মের যারা তাদের বোঝাও। তারা শীঘ্রই বুঝতে পারে যে বরাবর আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম ছিল, হিন্দু ধর্ম নয় । যেমন তোমরা বাবার দ্বারা বুঝে গেছ সেরকম অন্যরাও বুঝে নিয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। এটাও পরিপক্ক ভাবে সুনিশ্চিত, এই কলম লাগতেই থাকবে। তোমরা বাবার শ্রীমতের দ্বারা দেবতায় পরিণত হচ্ছ। এরা হল নতুন দুনিয়ার বসবাসকারী। প্রথমে তো তোমাদের জানা ছিল না যে বাবা সঙ্গমযুগে এসে আমাদের স্থানান্তরিত (ট্রান্সফার) করবেন। একটুও জানা ছিল না। এখন তোমরা জান সত্যিকারের পুরুষোত্তম সঙ্গমযুগ এটাকে বলা হয়। আমরা পুরুষোত্তম তৈরী হচ্ছি। এখন যত পুরুষার্থ করবে ততই তৈরী হবে।



প্রত্যেকের নিজের মন থেকে প্রশ্ন করতে হবে। স্কুলে যে সাবজেক্টে কাঁচা থাকে তো বুঝে যায় যে আমি পাশ করব না। এটাও হলো পাঠশালা, স্কুল। গীতাপাঠশালা তো সুপরিচিত। আবার এর নাম কিছুটা ঘুরিয়ে দিয়েছে। তোমরা লেখ 'সত্য গীতা, মিথ্যা গীতা' এতেও খারাপ হয়। অবশ্যই খিটখিট হবে, এতে ভয়ের কোনো ব্যাপার নেই। আজকাল তো এটা ফ্যাশন হয়ে গেছে, বাস ইত্যাদি জ্বালায়, আগুণ লাগাতে থাকে। যে যা শেখাচ্ছে, সেটাই শেখে। আগের থেকেও বেশী সব শিখে গেছে। সবাই পিকেটিং ইত্যাদি করতে থাকে। প্রত্যেক বছর গভর্নমেন্টেরও ঘাটতি পড়ে যায়, তাই আবার ট্যাক্স বাড়াতে থাকে।একদিন ব্যাঙ্ক ইত্যাদি সবার বাক্স খুলে দেবে। আনাজ ইত্যাদির জন্যও অনুসন্ধান চলে যে বেশী রাখেনি তো! এই সব ব্যাপার থেকে তোমরা বেরিয়ে গেছ। তোমাদের জন্য মুখ্য হলই স্মরণের যাত্রা। বাবা বলেন আমার এই কথাতে কোন উদ্বেগ নেই। আমার তো শুধু কাজ হল রাস্তা বলে দেওয়া। এতে তোমাদের দুঃখ সব দূর হয়ে যাবে। এই সময় তোমাদের কর্মের হিসাব পত্র মিটতে থাকে। অবশিষ্ট রোগ ইত্যাদি সব বেরিয়ে আসবে। পুরানো কর্মের হিসাব পত্র মিটে যাবে। ভয় পেতে নেই। অসুস্থ মানুষকেও ভগবানের স্মরণ করানো হতে থাকে। তোমরা হাসপাতালে গিয়েও নলেজ দাও যে বাবাকে স্মরণ কর তো বিকর্ম বিনাশ হয়ে যাবে।শুধু এই জন্মের ব্যাপার নয়, ভবিষ্যতের ২১ জন্মের জন্য আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি, কখনো রোগ হবে না এক বাবাকে স্মরণ করলে তোমাদের আয়ুও বেড়ে যাবে। ভারতবাসীদের আয়ু বেশী ছিল, নিরোগী ছিল। এখন বাবা তোমাদের, অর্থাৎ বাচ্চাদের শ্রীমত দিচ্ছেন শ্রেষ্ঠ হওয়ার জন্য। পুরুষোত্তম শব্দটা কখনো বিস্মৃত হয়ো না। কল্প-কল্প তোমরাই হও। এরকম আর কেউ বলতে পারে না। তাই এ ধরনের সেবা (সার্ভিস) অনেক করতে পারো। ডাক্তারদের থেকে তো যে কোনো সময় সাক্ষাতের সময় নির্ধারণ করতে পার। চাকুরিজীবীরাও অনেক সেবা করতে পারে। রোগীদের বলো-আমাদেরও বড় ডাক্তার আছে, অবিনাশী অসীমের সার্জেন। আমরা ওঁনার হয়েছি, যার জন্য আমরা ২১জন্ম নিরোগী হয়ে যাই। হেল্থ মিনিস্টারকে বোঝাও- মানুষ হেল্থ-এর জন্য কেন এত চিন্তা করে। সত্যযুগে মানুষের সংখ্যা ‌খুব কম ছিল। শান্তি, সুখ, পবিত্রতা - সব ছিল।



সমগ্র দুনিয়ায়, তোমরাই সকলের কল্যাণ করে থাকো। তোমরা পান্ডা না ! তোমরা হলে পান্ডব সম্প্রদায়। এসব কারো বুদ্ধিতেই আসবে না। ফুড মিনিস্টারকে বোঝাও - সবার আগে সবচেয়ে বড় ফুড মিনিস্টার তো হলেন শিববাবা। এত আনাজ দেন যেস্বর্গেও কখনো কম হবে না। এখন তোমরা আছো সঙ্গমযুগে। সমস্ত চক্র তোমাদের বুদ্ধিতে আছে, সেই জন্য তোমাদের স্বদর্শন চক্রধারী বলা হয়। এখন যদিও ভারত কাঙাল (ইনসলভেন্ট) হয়ে গেছে। বুদ্ধিমান এসে বুদ্ধি বা জ্ঞান শেখাতে থাকে, এটাও তোমরা বাচ্চারা জানো। আচ্ছা।



মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্নেহ-সুমন, স্মরণ-ভালবাসা আর সুপ্রভাত। ঈশ্বরীয় পিতা ওঁনার ঈশ্বরীয় সন্তানদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্য মুখ্য সার:-

১. এক বাবাকে সাথী করে তোমার সাথেই বসবো, তোমার থেকেই শুনবো, তোমার সাথেই খাবো...এটা অনুভব করতে হবে। কুসঙ্গ ছেড়ে সৎ এর সঙ্গে থাকতে হবে।

২. কর্মের হিসাব পত্রকে স্মরণের যাত্রা আর কর্মযোগের দ্বারা মিটিয়ে সম্পূর্ণ পবিত্র হতে হবে। সঙ্গমযুগে নিজেকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন (ট্রান্সফার) করতে হবে।

বরদান:-

বিন্দু (পয়েন্ট) স্বরূপে স্থিত হয়ে মন বুদ্ধিকে নেগেটিভের প্রভাব থেকে সেফ রেখে বিশেষ আত্মা ভব

যেমন যখন ঋতু (সিজন) পরিবর্তনের সময় সেই ঋতুর (সিজন) থেকে বাঁচার জন্য বিশেষ খেয়াল রাখা হয়, বৃষ্টি এলে ছাতা, রেইনকোট ইত্যাদির অ্যাটেনশন রাখা হয়। সর্দি এলে গরম কাপড় রাখব...সেরকম বর্তমান সময়ে মন বুদ্ধিতে নেগেটিভ ভাব আর ভাবনা উৎপন্ন করার বিশেষ কাজ মায়া করছে, তাই বিশেষ নিরাপত্তার (সেফ্টির) ব্যবস্থা করো। এর সহজ পদ্ধতি হল - এক বিন্দু স্বরূপে স্থিত হওয়া। আশ্চর্য আর কোয়েশ্চেন মার্কের বদলে বিন্দু লাগানো অর্থাৎ বিশেষ আত্মা হওয়া।

স্লোগান:-

আজ্ঞাকারী সে-ই, যে প্রত্যেক সংকল্প, বাণী আর কর্মে জী হুজুর করে*।