03-01-2019 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


"মিষ্টি বাচ্চারা- "অল্ফ" আর "বে", বাবা আর উত্তরাধিকার (বাদশাহী) স্মরণে থাকলে খুশীর পারদ তুঙ্গে থাকবে, এটা খুবই সহজ, এক সেকেন্ডের ব্যাপার"

প্রশ্ন:-
কোন্ বাচ্চাদের অপার খুশী থাকবে? সর্বদা খুশীর পারদ তুঙ্গে থাকবে তার পন্থা কি?

উত্তর:-
যে বাচ্চারা অশরীরী হওয়ার অভ্যাস করে, বাবা যা শোনান সেটাকে খুব ভালো ভাবে ধারণ করে আরেক জনকে তা করায়, তাদেরই অপার খুশী থাকতে পারে। খুশীর পারদ সর্বদা তুঙ্গে থাকবে, তার জন্য অবিনাশী জ্ঞান রত্নের দান করতে থাকো। অনেকের কল্যাণ করো। সর্বদা এটা মনে রাখো যে আমরা এখন সুখ আর শান্তির শীর্ষে যাচ্ছি তাহলে খুশী থাকবে।

ওম্ শান্তি ।
বাপদাদার ভাবনা এল যে এক সেকেন্ডে বাচ্চাদের থেকে লিখিয়ে নেবেন যে কার স্মরণে বসেছ? এটা লিখতে একদম টাইম লাগবে না। প্রত্যেকে এক সেকেন্ডে লিখে বাবাকে দেখিয়ে যাবে। (সবাই লিখে বাবাকে দেখাল আবার বাবাও লিখলেন, কিন্তু বাবা যা লিখেছেন সেটা আর কেউ লেখেনি)। বাবা লিখেছেন অল্ফ আর বে, কত সহজ।* অল্ফ মানে বাবা, বে মানে বাদশাহী। বাবা পড়ান আর তোমরা রাজ্য প্রাপ্ত করো।বেশী আর লেখার দরকার নেই। তোমরা তো লিখতে দুই মিনিটও লাগিয়েছো। অল্ফ বে সেকেন্ডের ব্যাপার। সন্ন্যাসী কেবল অল্ফকে স্মরণ করে। তোমাদের বাদশাহীও স্মরণে আছে। স্মরণের অভ্যাস হয়ে যায়। বুদ্ধিতে এটা স্থির হলে খুশীর পারদ তুঙ্গে উঠে যায় । অল্ফ-এর অর্থ কত বড়, তিনি তো হাইয়েস্ট, শীর্ষে তাঁর অবস্থান । এর উপরে আর কোনো কিছুই হয় না। থাকার জায়গাও উচ্চ থেকে উচ্চতম। সেকেন্ডে মুক্তি-জীবনমুক্তির অর্থও কেউ জানে না। অবশ্যই এরও অর্থ থাকবে। বাচ্চা জন্ম নিলে লেখে এত ঘন্টা, এত মিনিট, এত সেকেন্ডে হল। টিক্-টিক্ চলতেই থাকে। টিক হল অল্ফ বে, ব্যাস সেকেন্ডও লাগে না। বলারও দরকার নেই। স্মরণ তো আছেই। বাচ্চারা, তোমাদের এত ভালো অবস্থা হওয়া চাই। কিন্তু সেটা তখনই হবে যখন স্মরণ থাকবে। এখানে বসে আছ তো বাবা আর রাজধানী স্মরণে থাকা চাই। বুদ্ধি দিয়ে দেখে, যাকে দিব্য দৃষ্টি বলা হয়ে থাকে। আত্মাও দেখে।বাবাকে আত্মাই স্মরণ করতে থাকে। তুমিও বাবাকে স্মরণ করলে রাজত্বও একসাথে স্মরণে এসে যাবে। কতটুকু সময় লাগে ! এখানে স্মরণে বসলে মন আনন্দে গদ-গদ হয়ে যায় । বাবাও এই খুশীতে বসে আছেন। এখানকার কোনো কথা বাবার স্মরণ হয় না। বাবা স্মরণ করেন ওখানকার কথা। বাবা আর রাজত্ব যেন দ্বারে এসে উপস্থিত । বাবা বলেন বাচ্চারা, তোমাদের জন্য রাজত্ব নিয়ে এসেছি। তোমরা আমাকে স্মরণ করো না বলেই খুশী স্থিত হয় না। তোমরা উঠতে বসতে নিজেকে আত্মা মনে কর আর আমাকে, অর্থাৎ বাবা আর উত্তরাধিকারকে স্মরণ করো। কতো উঁচু স্থান সেটা, যেখানে তোমরা থাকো। সারা বিশ্বের খুব কম জনই তা জানে। মানুষ মুক্তির জন্য কতো মাথা ঠোকে। এখন মুক্তিধাম কোথায়? তোমরা ভাবো আত্মা তো হল রকেট। লোকেরা চাঁদ পর্যন্ত যায়, তারপর পোলারেও (পৃথিবীর শেষ সীমায়)। তোমরা তো পোলারের থেকেও আরো উচ্চতায় যাও। চন্দ্রমা তো এই দুনিয়ারই। বলা হয়ে থাকে সূর্য চাঁদেরও ওপারে, শব্দের ওপারে। এই শরীরকে ছেড়ে দিতে হবে। তোমরা আসো সুইট্ সাইলেন্স হোম থেকে। আসতে যেতে টাইম লাগে না। নিজ নিকেতন যে। এখানে তো যে জায়গায়তেই যাও না কেন টাইম লাগে। আত্মা শরীর ছেড়ে দিলে সেকেন্ডে কোথায় না কোথায় চলে যায়। এক শরীর ছেড়ে দ্বিতীয় শরীরে প্রবেশ করে। তাই নিজেকে আত্মা মনে করতে হবে। তোমরা অনেক উচ্চ শিখরে যাও। মানুষ শান্তি চায়। শান্তির হাইয়েস্ট শিখর হল নিরাকারী দুনিয়া আর সুখেরও হাইয়েস্ট শিখর হল স্বর্গ। উচ্চ থেকেও উচ্চতমকে টাওয়ার বলা হয়। তোমাদের ঘরও কতো উচ্চতম। দুনিয়ার লোকেরা কখনো এই ব্যাপারে খেয়াল করে না। ওদেরকে এই কথা বোঝানোর মত কেউ নেই। তাকে বলা হয় শান্তির টাওয়ার। মানুষ তো বলতে থাকে বিশ্বে শান্তি স্থাপন হোক । কিন্তু এর অর্থ জানে না যে শান্তি কোথায় আছে। এই লক্ষ্মী-নারায়ণ সুখের টাওয়ারে আছে সেখানে কোনো লোভ, লালসা নেই। সেখানকার খাওয়া দাওয়া, বাচনভঙ্গি খুব রয়্যাল হয় আবার সুখও হাইয়েস্ট। ওদের মহিমা দেখ কত হয় কারণ তারা অনেক পরিশ্রম করেছে। তারা কেবল একজন নন, গোটা মালা তৈরী হয়ে আছে। বাস্তবে নব রত্নের সুখ্যাতি আছে। অবশ্যই এনারা গুপ্ত পরিশ্রম করেছিলেন। বাবা আর উত্তরাধিকার স্মরণে থাকলে তবেই বিকর্ম বিনাশ হবে। কিন্তু মায়া স্মরণ করতে দেয় না। কখনো কাম, কখনো ক্রোধ... অনেক ঝড়-ঝাপটার মধ্যে এনে ফেলে। নিজের জ্ঞান দেখতে হবে। নারদকেও বলা হয়েছে চেহারা দেখো। ওই অবস্থা তো এখন নেই, তৈরী করতে হবে। বাবা এইম অবজেক্ট অবশ্যই বলবেন। ভিতরে ভিতরে পুরুষার্থ করতে থাকো । পরবর্তী কালে ওই অবস্থা তোমাদের হবে। অশরীরী থাকার প্র্যাক্টিস করতে হবে। এখন ফিরে যেতে হবে। বাবা বলেছেন আমাকে স্মরণ করো। স্মরণ না করলে তো অনেক শাস্তি পেতে হবে আর পদও কম হবে। এটা হল অনেক সূক্ষ্ম বিষয় । বিজ্ঞানীরা সাইন্সের কত গভীরে (ডিপ্) যায়। কি কি তৈরী করতে থাকে। ওখানেও তো সংস্কার চাই না ! যা আবার ওখানে গিয়ে এই জিনিস তৈরী করবে। কেবল এই দুনিয়া পরিবর্তন হবে। এখানকার সংস্কার অনুসারে গিয়ে জন্ম নেবে। যেমন লড়াই যারা করে তাদের বুদ্ধিতে লড়াই এর সংস্কার থাকে, তাই ওই সংস্কারই নিয়ে যাবে। লড়াই ছাড়া থাকতে পারে না। অফিসারদের কাছে আবার অনেকটা সময় দিতে হয়। ভর্তি করার সময় পরীক্ষা করে নিতে হয় যেন কোন রোগ না থাকে। চোখ - কান ইত্যাদি সব ঠিক আছে কি না। লড়াই করতে গেলে তো সব ঠিক চাই। এখানেও দেখা হয় কে কে বিজয় মালার দানা হবে। তোমাদের পুরুষার্থ করে কর্মাতীত অবস্থাকে প্রাপ্ত করতে হবে। আত্মা অশরীরী এসেছে, অশরীরী হয়ে যেতে হবে। ওখানে শরীরের কোন সম্বন্ধ নেই। এখন অশরীরী হতে হবে। আত্মারা ওখান থেকে আসে, এসে শরীরে প্রবেশ করে। অনেক-অনেক আত্মারা আসতে থাকে। সবাই নিজের-নিজের পার্ট পেয়ে যায়। যে নতুন পবিত্র আত্মারা আসে , তাদের অবশ্যই আগে সুখ প্রাপ্তি হয়, সেইজন্য তাদের মহিমা হয়। *বৃহৎ বৃক্ষ যে। কত নামি-দামি বড় মানুষ আছে। নিজের নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী খুব সুখে থাকে। তাই এখন বাচ্চাদের পরিশ্রম করতে হবে, কর্মাতীত অবস্থায় পবিত্র হয়ে যেতে হবে। নিজের ব্যবহার দেখতে হবে, কাউকে দুঃখ দিই নি তো! বাবা কত মধুর। মোস্ট বিলাভড না! তাই বাচ্চাদেরও হতে হবে। এটা তো তোমরা বাচ্চারা জানো যে বাবা এখানে আছেন। মানুষদের কি আর এটা জানা আছে যে বাবা এখানে স্থাপনা করছেন তবুও তাঁকে জন্ম- জন্মান্তর স্মরণ করতে থাকব। শিবের মন্দিরে গিয়ে কত পূজো করে। কত উচ্চ শিখরে বদ্রীনাথ ইত্যাদির মন্দিরে যায়। কত মেলা বসে, কারণ মধুর না! গাওয়াও হয় উচ্চতমেরও উচ্চ ভগবান। বুদ্ধিতে নিরাকারই স্মরণে আসবে। নিরাকার তো আছেনই। আর আছেন ব্রহ্মা-বিষ্ণু-শঙ্কর। ওনাদের ভগবান বলবে না।*

এখন তোমরা বাচ্চারা বোঝো যে আমরাই সতোপ্রধান দেবতা ছিলাম, যখন আমরা বিশ্বের মালিক ছিলাম তখন এত বেশী মানুষ ছিলই না। শুধু ভারতেই এদের রাজ্য হবে। বাকী সবাই চলে যাবে- শান্তিধামে। এ সব তোমরা দেখতে থাকবে, এর জন্য খুব বড় মাপের বুদ্ধির দরকার। ওখানে তোমাদের পাহাড় ইত্যাদিতে যাওয়ার দরকার নেই। ওখানে কোন এক্সিডেন্ট ইত্যাদি হয় না। সেটা তো হলই ওয়ান্ডার অফ্ স্বর্গ। যখন সেটা স্বর্গের ওয়ান্ডার হবে না তবে তা মায়ার ওয়ান্ডারর্স হতে থাকে। একথা দুনিয়ার লোক বুঝতে পারবে না। এখন তোমরা স্বর্গে যাওয়ার জন্য পুরুষার্থ করছ। সেটা হল সুখের টাওয়ার। এ হল দুঃখের টাওয়ার। লড়াইতে কত মানুষ রোজ মারা যায়, আবার জন্মাতেও থাকে। গাওয়া হয়ে থাকে ঈশ্বরের অন্ত বা পরিসীমা কেউ জানে না। সাধু সন্ত কেউ রচয়িতা আর রচনার পরিসীমা পেতে পারে না। তোমাদেরকে বাবা পড়ান, একে পড়াশুনা বলা হয়ে থাকে। সৃষ্টি চক্রের রহস্যকে তোমরা বাচ্চারাই জানতে যাচ্ছো। ওরা তো বলে আমরা জানি না নয়তো বলে সৃষ্টির আয়ু লক্ষ বছর ।

এখন বাবা বোঝাচ্ছেন এই যা কিছু তোমরা এখানে দেখছ- এইসব ওখানে থাকবে না। স্বর্গ হল টাওয়ার অফ সুখ। এখানে হল দুঃখ আর দুঃখ। হঠাৎ মৃত্যু এমন আসবে যে সব শেষ হয়ে যাবে। মৃত্যু দেখা মাসীর বাড়ি যাওয়ার মতো এত সহজ ব্যাপার নয়। একে(এখন) বলা হয় দুঃখের শিখর। ওটা হল সুখের শিখর। ব্যাস্ তৃতীয় কোনো শব্দ নেই। তোমাদের মধ্যেও অনেকে আছে যারা শুনতে থাকে কিন্তু ধারণা করে না। ধারণা তখন হবে যখন বুদ্ধি গোল্ডেন এজ্ এ হবে। ধারণা না হলে খুশীও থাকে না। একদম হাইয়েস্ট পড়ার মতো লোকও আছে আবার লোয়েস্টও আছে। পড়ায় পার্থক্য তো আছে না ! অনন্তের বাবা ওদের কত বোঝান কিন্তু কখনোই বুঝবে না। স্মরণ ব্যাতীত তোমরা কখনো পবিত্র হতে পারবে না। বাবা- ই হলেন চুম্বক। তিনি একদম হাইয়েস্ট পাওয়ার সম্পন্ন। ওঁনার উপর কখনো মরচে পড়তে পারে না, বাকী সবার উপর মরচে পড়ে, আর সেটাকে সরিয়ে আবার সতোপ্রধান হতে হবে। বাবা বলেন একমনে এক নাগাড়ে আমাকে স্মরণ করো আর কোন কিছুতে মমত্ব থাকবে না। ধনী ব্যক্তিদের তো সারাদিন ধন দৌলতই সামনে আসতে থাকবে। গরীবদের কিছু তো নেই- ই তবুও গরীবেরা কিছু বোঝার মত যারা ধারণা করতে পারে। স্মরণ ব্যাতীত ময়লা কিভাবে বের হবে। আমরা পবিত্র কীভাবে হব। তোমরা এখানে এসেছো উচ্চ শিখরে যেতে।জানো যে বাবার শিক্ষা অনুযায়ী চললে আমরা উঁচু সুখের শিখরে যাব। এটা পরিশ্রমের। বাবা আসেন টাওয়ারে নিয়ে যেতে। তাই শ্রীমত অনুযায়ী চলতে হবে। প্রথম নম্বরে এই লক্ষ্মী-নারায়ণের মহিমা সুখ্যাত। তারা একদম টাওয়ারে হবে। আর সব কিছু না কিছু কম। নতুন দুনিয়াকেই টাওয়ার অফ সুখ বলা হয়। ওখানে কোনো ময়লা জিনিস হয় না। এরকম মাটি নেই, এরকম হাওয়া ওখানে বয় না যে বাড়ী খারাপ করে দেবে। স্বর্গের তো অনেক মহিমা। তারজন্য পুরুষার্থ করতে হবে। লক্ষ্মী- নারায়ণ কত উচ্চ, দেখা মাত্রই মন খুশী হয়ে যায়। পরবর্তী কালে অনেকেরই সাক্ষাৎকার হতে থাকবে। প্রথম প্রথম কত সাক্ষাৎকার হতো। বাবা কত চমৎকার দেখিয়েছেন। তারা মুকুট ইত্যাদি পড়ে আসতেন। ওই জিনিস তো এখানে পাওয়া যাবে না। বাবা তো হলেন জহুরী। আগে যে মণি ৫০ হাজারে নেওয়া হত সেটা এখন ৫০ লাখেও পাওয়া যায় না। তোমরা স্বর্গের জন্য পুরুষার্থ করছ।ওখানে অপরিমিত সুখ বাবা এত পড়ান কিন্তু বাচ্চাদের মধ্যে রাত দিনের পার্থক্য এসে যায়। কোথায় রাজা-রাণী কোথায় দাস-দাসী। যে ভালো ভাবে পড়ে আর পড়ায় সে লুকিয়ে থাকতে পারবে না। সাথে সাথে বলবে বাবা আমি অমুক জায়গায় গিয়ে সার্ভিস করব। সার্ভিস তো অনেক রয়েছে। তোমাদের এই জঙ্গলকে মঙ্গল (মন্দির) তৈরী করতে হবে। রুটির টুকরো টুকু খেল কি খেল না, ছুটল সার্ভিস করতে। ব্যবসায়ীরা এরকম করে। ভাল ক্রেতা এসে গেলে খেল কি খেল না, ছুটবে। ধন আয় করার শখ থাকে। এখন তো অনন্ত(বেহদের) বাবার থেকে অপরিমিত ধন পাওয়া যায়। যদিও সময় খুব কম রয়েছে! কিন্তু কাল শরীর ত্যাগ হলে - কোনো ভরসা নেই। বিনাশ তো হবেই। তোমাদের জন্য তো - "কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ" (মিরুয়া মৌত মলুকা শিকার)। তোমাদের খুশীর পারাপার নেই। তোমাদের অপরিসীম খুশী হওয়া চাই। অনেকের কল্যাণ করতে হবে তোমাদের । পরিশেষে কর্মাতীত অবস্থায় স্থিত হতে হবে। তোমরা স্মরণ করতে করতে অশরীরী হয়ে যাবে, তবেই অনায়াসে উড়বে। এটা খুব পরিশ্রমের। কেউ তো অনেক সার্ভিস করে। সারাদিন মিউজিয়ামে বোঝাতে দাঁড়িয়ে থাকে। দিন রাত সার্ভিসে উৎসাহী। শত শত মিউজিয়াম খুলে যাবে। হাজার হাজার লোক তোমাদের কাছে আসবে, তোমরা অবসর পাবে না। সব থেকে বেশী তোমাদের দোকান খোলা থাকবে- এই অবিনাশী জ্ঞান-রত্নের। *আচ্ছা।*

মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা পিতা বাপদাদার স্নেহ পূর্ণ স্মরণ আর গুড্ মর্নিং। রুহানী বাবার রুহানী বাচ্চাদের নমস্কার।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-

১ ) জ্ঞানের ধারণা করার জন্য প্রথমে নিজের বুদ্ধি গোল্ডেন এজ্ এর বানাও । বাবার স্মরণ ছাড়া আর কোনো জিনিসে মমত্ব থাকবে না।

২ ) কর্মাতীত অবস্থা প্রাপ্ত করে নিজ নিকেতনে যাওয়ার জন্য অশরীরী হওয়ার অভ্যাস করো। নিজের আচার-ব্যবহারকেও দেখো যে কাউকে দুঃখ দিইনি তো। বাবার সমান মধুর হয়েছি কি !

বরদান:-
ব্রাহ্মণ জীবনের ন্যাচারাল নেচার দ্বারা পাথরকেও জল করে দিতে সক্ষম মাষ্টার প্রেমের সাগর ভব

যেমন দুনিয়ার লোক বলে যে প্রেম, পাথরকেও জল করে দেয়, সেইরকম তোমাদের, অর্থাৎ ব্রাহ্মণদের ন্যাচারাল নেচার হল মাষ্টার প্রেমের সাগর। তোমাদের কাছে আত্মিক প্রেম, পরমাত্ম প্রেমের মত শক্তি রয়েছে, যা দিয়ে বিভিন্ন নেচারকে পরিবর্তন করতে পারবে। যেমন প্রেমের সাগর নিজের প্রেম স্বরূপের অনাদি নেচার দ্বারা তোমাদের, অর্থাৎ বাচ্চাদের আপন করে নিয়েছেন। সেইরকম তোমরাও মাষ্টার প্রেমের সাগর হয়ে বিশ্বের আত্মাদের সত্যিকারের, নিঃস্বার্থ আত্মিক প্রেম দিলে তাদের নেচার পরিবর্তন হয়ে যাবে।

স্লোগান:-
নিজের বিশেষত্বকে মনে রেখে তাকে সেবাতে লাগালে উড়তি কলাতে উড়তে থাকবে।

ব্রহ্মা বাবার সমান হওয়ার জন্য বিশেষ পুরুষার্থ

অন্তর্মুখী স্থিতিতে থেকে আবার বর্হিমুখিতাতে আসা, এই অভ্যাসের জন্য নিজের উপর ব্যক্তিগত অ্যাটেনশন রাখার আবশ্যকতা আছে। যখন তোমরা অন্তর্মুখী স্থিতিতে থাকবে বহির্মুখিতার কথা ডিস্টার্ব করবে না, কারণ দেহ-অভিমান গড় হাজির থাকবে।