03.02.2020 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


"মিষ্টি বাচ্চারা -- তোমাদের কর্তব্য হলো ঘরে-ঘরে বাবার সমাচার পৌঁছে দেওয়া, যেকোনো অবস্থাই হোক যুক্তিসহকারে প্রত্যেককে বাবার পরিচয় অবশ্যই দাও"

প্রশ্নঃ -
বাচ্চারা, তোমাদের কোন্ একটি বিষয়ে শখ থাকা উচিত ?

উত্তরঃ -
নতুন নতুন যেসব পয়েন্টস্ বেরোয়, সেগুলিকে নিজেদের কাছে নোট করে রাখার শখ থাকা উচিত। কারণ এতসব পয়েন্টস্ মনে রাখা মুশকিল। নোট করে নিয়ে পুনরায় তা কাউকে বোঝাতে হবে। এমনও নয় যে, লিখে (নোট করে) নিয়ে পরে তা খাতাতেই পড়ে থাকবে। যে বাচ্চারা ভালোভাবে বোঝে, তাদের নোট করার শখও থাকবে অতিমাত্রায় ।

গীতঃ-
দুনিয়ার হাজার হাজার মানুষ যতই হৃদয়ে তালা দিয়ে দিক, তুমিও ভুলবে না, আমিও ভুলব না তোমায় .....

ওম্ শান্তি ।
মিষ্টি-মিষ্টি আত্মা-রূপী বাচ্চারা এই গান শুনেছে। মিষ্টি-মিষ্টি বাচ্চা - এই শব্দটি একমাত্র বাবাই বলতে পারেন। আধ্যাত্মিক পিতা ব্যতীত কখনো কেউ কাউকে আত্মা-রূপী (রুহানী) সন্তান বলতে পারেনা। বাচ্চারাও জানে যে, সকল রুহ্ অর্থাৎ আত্মাদের পিতা হলেন একজনই, আর আমরা সকলে হলাম ভাই-ভাই। ভাতৃত্ববোধের(ব্রাদারহুড) গায়নও রয়েছে, তথাপি মায়া এমনভাবে প্রবেশ করে রয়েছে যে, পরমাত্মাকে সর্বব্যাপী বলে দেয় তাহলে তো ফাদারহুড হয়ে যায়। রাবণ-রাজ্য পুরানো দুনিয়াতেই হয়। নতুন দুনিয়াকে রাম-রাজ্য বা ঈশ্বরীয়-রাজ্য বলা হয়। এ হলো বুঝবার মতন বিষয়। দুটি রাজ্য অবশ্যই রয়েছে -- ঈশ্বরীয়-রাজ্য আর আসুরী-রাজ্য। নতুন দুনিয়া আর পুরানো দুনিয়া। নতুন দুনিয়া অবশ্যই বাবা রচনা করবেন। এই দুনিয়ায় মানুষ নতুন দুনিয়াকে আর পুরানো দুনিয়াকেও জানে না। অর্থাৎ কিছুই জানে না। তোমরাও কিছুই জানতে না, অবুঝ ছিলে। নতুন সুখের দুনিয়া কে স্থাপন করেন পুনরায় পুরানো দুনিয়ায় দুঃখ কেন হয়, স্বর্গ থেকে নরক কীভাবে হয়, তা কেউই জানেনা। এসব কথা তো মানুষই জানবে, তাই না। দেবতাদের চিত্রও রয়েছে, তাহলে অবশ্যই আদি সনাতন দেবী-দেবতাদের রাজ্য ছিল। এইসময় আর তা নেই। এখন হলো প্রজার উপর প্রজার রাজ্য। বাবা ভারতেই আসেন। মানুষের একথা জানা নেই যে, শিববাবা ভারতে এসে কি করেন ? নিজেদের ধর্মকেই ভুলে গেছে। তোমাদের এখন ত্রিমূর্তি আর শিববাবার পরিচয় দিতে হবে। ব্রহ্মা দেবতা, বিষ্ণু দেবতা, শঙ্কর দেবতা, পুনরায় বলে যে, 'শিব পরমাত্মায়ঃ নমঃ' তাহলে বাচ্চারা, তোমাদের ত্রিমূর্তি শিবেরই পরিচয় দিতে হবে। এমন-এমনভাবে সার্ভিস করতে হবে। যেকোনো অবস্থায় যদি বাবার পরিচয় পাও তাহলে বাবার উত্তরাধিকার(বর্সা) নিয়ে নাও। তোমরা জানো যে, আমরা এখন উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করছি। আরও অনেককেই উত্তরাধিকার নিতে হবে। আমাদের উপর দ্বায়িত্ব রয়েছে যে, ঘরে-ঘরে গিয়ে বাবার পরিচয় দিতে হবে। বাবার জ্ঞান দান করতে হবে। মুখ্য হলো ত্রিমূর্তি শিব, এঁনারই রাজ-চিহ্ন (কোট অফ আর্মস) বানানো হয়েছে। গভর্নমেন্ট যথার্থভাবে এর অর্থ জানে না। এরমধ্যে চক্রও রয়েছে চরকার মতন আর তাতে লেখা রয়েছে 'সত্যমেব জয়তে'। এর অর্থ তো কিছুই বেরোয় না বা স্পষ্ট হয় না। এ হলো সংস্কৃত অক্ষর। এখন বাবা তো হলেনই সত্য। ওরা বোঝায়, এর দ্বারা তোমরা সমগ্র বিশ্বের উপর বিজয় প্রাপ্ত কর। বাবা বলেন, আমি সত্য বলি, তোমরা এই পঠন-পাঠনের মাধ্যমে সত্যিকারের নারায়ণ হও। ওরা সব কি-কি রকমের অর্থ বের করতে থাকে। সেকথাও ওদের জিজ্ঞাসা করা উচিত। বাবা তো অনেকরকমভাবে বোঝান। যেখানে-যেখানে মেলা(সঙ্গমে) হয়, সেখানে গিয়ে নদীর উপরেও বোঝাও। গঙ্গা তো পতিত-পাবনী হতে পারে না। সমস্ত নদীই সাগর থেকে নির্গত হয়। সে তো জলসমুদ্র। তার থেকেই জলের নদীগুলি নির্গত হয়। জ্ঞান-সমুদ্র থেকে জ্ঞান-নদী নির্গত হবে। মাতারা, তোমাদের মধ্যে এখন জ্ঞান রয়েছে, গোমুখে যাও, সেই মুখ থেকে জল নির্গত হয়, মনে করে এই জল তো গঙ্গার। মানুষ এত শিক্ষিত হয়েও বোঝে না যে, এখানে গঙ্গার জল কোথা থেকে বেরোবে। শাস্ত্রতেও রয়েছে যে, তীর নিক্ষেপনের ফলে গঙ্গা নির্গত হয়েছে। এখন এ হলো জ্ঞানের কথা। এমনও নয় যে, অর্জুন তীর নিক্ষেপ করেছে আর গঙ্গা আবির্ভূত হয়েছে। কত দূরে-দূরে তীর্থ করতে যায়। কথিত আছে, শঙ্করের জটা থেকে গঙ্গা আবির্ভূতা হয়েছে, যাতে স্নান করলে মানুষ পরী হয়ে যায়। মানুষ থেকে দেবতা হওয়া, এও তো পরীরই অনুরূপ, তাই না।

বাচ্চারা, এখন তোমাদেরকে বাবার-ই পরিচয় দিতে হবে তাই বাবা এই চিত্র তৈরী করেছেন। ত্রিমূর্তি শিবের চিত্রর মধ্যেই সমগ্র নলেজ রয়েছে। ওদের (লৌকিক) ত্রিমূর্তির চিত্রে শুধু জ্ঞানদাতার(শিবের) চিত্র নেই। জ্ঞান গ্রহনকারীর চিত্র রয়েছে। তোমরা এখন ত্রিমূর্তি শিবের চিত্রর উপর বোঝাও। উপরে হলেন জ্ঞানদাতা (শিব)। ব্রহ্মা ওঁনার থেকে জ্ঞান প্রাপ্ত করেন, পরে তিনি তা বিস্তৃত করেন। এঁনাকেই বলা হয় ঈশ্বরের ধর্ম স্থাপনের যন্ত্র। এই দেবী-দেবতা ধর্ম অত্যন্ত সুখ প্রদান করে। বাচ্চারা, তোমরা এখন নিজেদের সত্য ধর্মের পরিচয় পেয়েছ। তোমরা জানো, আমাদের ভগবান পড়ান। তোমরা কত খুশী হও। বাবা বলেন -- বাচ্চারা, তোমাদের তো খুশীর সমুদ্রের কুল-কিনারা পাওয়া উচিত নয় কারণ তোমাদের স্বয়ং ভগবান পড়ান। ভগবান হলেন নিরাকার শিব, কৃষ্ণ নয়। বাবা বসে বোঝান যে, সকলের সদ্গতিদাতা একজনই। সদ্গতি সত্যযুগকে বলা হয়, দুর্গতি কলিযুগকে বলা হয়। নতুন দুনিয়াকে নতুন, পুরানো দুনিয়াকে পুরানোই বলা হবে। মানুষ মনে করে যে, এখনও দুনিয়া পুরানো হতে ৪০ হাজার বছর লাগবে। কত বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে। পিতা ব্যতীত এইসমস্ত কথা আর কেউ বোঝাতে পারে না। বাবা বলেন -- বাচ্চারা, আমি তোমাদেরকে রাজ্য-ভাগ্য দিয়ে, বাকী সকলকে ঘরে নিয়ে যাই। যে আমার মতাদর্শানুসারে চলে, সে দেবতা হয়ে যায়। বাচ্চারা, এইসমস্ত কথা কেবল তোমরাই জানো, নতুন কেউ কী আর বুঝবে !

তোমাদের অর্থাৎ মালীদের কর্তব্য হলো বাগিচা তৈরী করা। উদ্যানপালক তো ডায়রেক্শন দেন। এমনও নয় যে, বাবা কোনো নতুনের সঙ্গে মিলিত হয়ে জ্ঞান দেবেন। এই কার্য মালীদের। মনে কর, বাবা কলকাতায় গেছেন তখন বাচ্চারা মনে করে, আমরা নিজেদের অফিসারকে, অমুক মিত্রকে বাবার কাছে নিয়ে যাবো। বাবা বলেন, তারা তো কিছুই বুঝবে না। যেন নির্বোধ-কে সম্মুখে নিয়ে এসে বসানো হয়েছে, তাই বাবা বলেন, নতুনদের এখন বাবার সম্মুখে এনো না। এ তো তোমাদের অর্থাৎ মালীদের কার্য, উদ্যানপালকের নয়। মালীদের কার্য হলো বাগিচা তৈরী করা বা দেখ-ভাল করা। বাবা ডায়রেক্শন দেন -- এমন-এমনভাবে করো তাই বাবা কখনো নতুনদের সঙ্গে দেখা করেন না । কিন্তু কখনো-কখনো (তারা) অতিথি হয়ে ঘরে চলে আসে আর বলে, দর্শন করবো। আপনি আমাদের (বাবার সঙ্গে) কেন দেখা করতে দিচ্ছেন না ? শঙ্করাচার্যাদির কাছে কত (মানুষ) যায়। আজকাল শঙ্করাচার্যের অনেক মহিমা। তিনি শিক্ষিত, কিন্তু তথাপি জন্ম তো বিকারের মাধ্যমেই হয়, তাই না। (মন্দিরের) ট্রাস্টীরা যেকোনো কাউকেই গদিতে বসিয়ে দেয়। সকলেরই নিজ-নিজ মতামত আছে। বাবা স্বয়ং এসে বাচ্চাদেরকে নিজের পরিচয় দেন, আমি প্রতি কল্পে এই পুরানো শরীরেই আসি। ইনিও নিজের জন্মকে জানেন না। শাস্ত্রতে তো কল্পের আয়ু লক্ষ-লক্ষ বছর করে দেওয়া হয়েছে। মানুষ এতবার জন্ম নিতে পারে না, পুনরায় জানোয়ারাদিরও যোনী মিলিয়ে ৮৪ লক্ষ করে দেওয়া হয়েছে। মানুষ যা-ই শোনে তাতেই সত্য-সত্য করতে থাকে। শাস্ত্রতে যেসব কথা রয়েছে তা ভক্তিমার্গের। কলকাতায় দেবীদের অত্যন্ত সুশোভিত, সুন্দর মূর্তি তৈরী করা হয়, সুসজ্জিত করা হয়। পুনরায় তাঁদের ডুবিয়ে দেওয়া হয়। এরাও তো পুতুল-পূজা করা সেই বাচ্চাই হয়ে গেলো, তাই না। সম্পূর্ণ ইনোসেন্ট। তোমরা জানো যে, এ হলো নরক। স্বর্গে তো অগাধ সুখ ছিল। এখনও কেউ মারা গেলে, তখন বলা হয় অমুকে স্বর্গে গেছে, তাহলে অবশ্যই কোনো সময় স্বর্গ ছিল, এখন নেই। নরকের পর পুনরায় স্বর্গ অবশ্যই আসবে। এই কথাও তোমরা জানো। মানুষ তো এর সামান্যতমও জানে না। তাহলে নতুন কেউ বাবার সম্মুখে বসে কী করবে? তাই মালী চাই যারা পুরোপুরি দেখাশোনা(যত্ন) করবে। এখানে তো মালীও চাই অনেক-অনেক। মেডিকেল কলেজে যদি নতুন কেউ গিয়ে বসে তখন সে কিছুই বুঝতে পারবে না। এই নলেজও নতুন। বাবা বলেন, আমি এসেছি সকলকে পবিত্র করতে। আমাকে স্মরণ কর তবেই পবিত্র হয়ে যাবে। এইসময় সকলেই হলো তমোপ্রধান আত্মা, তবেই তো বলে যে, আত্মাই পরমাত্মা, সকলের মধ্যেই পরমাত্মা বিরাজমান। তাই বাবা এদের কাছে বসে কী মাথা কুটবে, না তা করবে না। এ তো তোমাদের অর্থাৎ মালীদের কার্য -- কাঁটা থেকে ফুলে পরিনত করা।

তোমরা জানো যে, ভক্তি হলো রাত, জ্ঞান হলো দিন। গায়নও করা হয় -- ব্রহ্মার দিন, ব্রহ্মার রাত। যখন প্রজাপতি ব্রহ্মার, তখন (তাঁর) বাচ্চারাও তো থাকবে, তাই না। কারও এতটুকুও বুদ্ধি নেই যে জিজ্ঞাসা করে, এত ব্রহ্মাকুমার-কুমারী রয়েছে, এদের ব্রহ্মা কে ? আরে! প্রজাপিতা ব্রহ্মা তো বিখ্যাত, ওঁনার দ্বারাই ব্রাহ্মণধর্ম স্থাপিত হয়। বলাও তো হয় যে, ব্রহ্মা দেবতায় নমঃ। বাবা তোমাদের অর্থাৎ বাচ্চাদের ব্রাহ্মণ বানিয়ে পুনরায় দেবতায় পরিনত করেন।

যে নতুন-নতুন পয়েন্টস্ বেরোয়, বাচ্চাদের তা নিজেদের কাছে নোট করে রাখার শখ থাকা উচিত। যে বাচ্চারা ভালভাবে বোঝে, তাদের নোট করে রাখার শখ অতিমাত্রায় থাকে। কারণ এত পয়েন্টস্ স্মরণে রাখা মুশকিল। নোটস্ নিয়ে পুনরায় কাউকে বোঝাতেও হবে। এমন নয় যে, লিখে তা খাতাতেই পড়ে রইলো। যখন নতুন-নতুন পয়েন্টস্ প্রাপ্ত হতে থাকে তখন পুরানো পয়েন্টস্ খাতাতেই পড়ে থাকে। স্কুলেও যখন পড়তে যায়, তখন উত্তীর্ণ হয়ে গেলেও পূর্ব ক্লাসের বই পড়েই থাকে। যখন তোমরা বোঝাবে, তখন শেষে এটাও বোঝাবে যে, 'মন্মনাভব'। বাবাকে আর সৃষ্টি-চক্রকে স্মরণ কর। মুখ্য কথা হলো, মামেকম্ (একমাত্র আমাকেই) স্মরণ কর, একেই যোগাগ্নি বলা হয়। ভগবান হলেন জ্ঞানের সাগর, আর মানুষ হলো শাস্ত্রের সাগর। বাবা কোনো শাস্ত্রের কথা শোনান না, তিনিও যদি শাস্ত্রের কথাই শোনাবেন তবে ভগবান আর মানুষের মধ্যে পার্থক্য কি রইলো ? বাবা বলেন, আমি তোমাদেরকে এই ভক্তিমার্গীয় শাস্ত্রের সারমর্ম বোঝাই।

ওরা অর্থাৎ যারা মুরলী (বীণ) বাজিয়ে সাপ ধরে তারা ওদের(সাপ) দাঁত উপড়ে ফেলে। বাবাও তোমাদেরকে বিষ পান করা থেকে বিরত করেন। এই বিষের জন্যই মানুষ পতিত হয়ে গেছে। বাবা বলেন, এগুলোকে (বিষ) পরিত্যাগ কর, তাও ত্যাগ করে না। বাবা গৌরবর্ণে (সুন্দর) রূপান্তরিত করেন তথাপি অধঃপতনে গিয়ে মুখ কালো করে ফেলে। বাচ্চারা, বাবা এসেছেন তোমাদের জ্ঞান-চিতায় বসাতে। জ্ঞান-চিতায় বসে তোমরা বিশ্বের মালিক, জগৎজীত হয়ে যাও। আচ্ছা !

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মা-রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১ ) সদা যেন এই খুশী থাকে যে, আমরা সত্য ধর্মের স্থাপনায় নিমিত্ত হয়েছি। স্বয়ং ঈশ্বর আমাদের পড়ান। আমাদের দেবী-দেবতা ধর্ম অত্যন্ত সুখ প্রদান করে।

২ ) মালী হয়ে কাঁটাকে ফুলে পরিনত করার সেবা করতে হবে। সম্পূর্ণরূপে লালন-পালন করে তবেই বাবার কাছে নিয়ে যেতে হবে। পরিশ্রম করতে হবে।

বরদান:-
প্রতিটি শক্তিকে কার্য-ব্যবহারে প্রয়োগ করে শক্তিবর্ধনকারী শ্রেষ্ঠ ধনবান বা সুবিবেচক ভব

ব্যাখা :- সুবিবেচক বাচ্চা, প্রতিটি শক্তিকে কার্য-ব্যবহারে প্রয়োগ করার বিধি জানে। যারা যতখানি শক্তি কার্য-ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তাদের সেই শক্তি ততখানি বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। তাহলে এমন ঈশ্বরীয় বাজেট তৈরী কর যাতে বিশ্বের প্রতিটি আত্মা তোমাদের দ্বারা কিছু না কিছু প্রাপ্ত করে তোমাদের গুণকীর্তন করে। সকলকেই কিছু না কিছু দিতেই হবে। হয় মুক্তি দাও, না হয় জীবনমুক্তি দাও। ঈশ্বরীয় বাজেট তৈরী করে সর্বশক্তিগুলিকে সুরক্ষিত করে জমা করো আর জমাকৃত শক্তি দ্বারা সর্ব আত্মাদের নিঃস্বতা থেকে, দুঃখ-অশান্তি থেকে মুক্ত করো।
 

স্লোগান:-
শুদ্ধ সঙ্কল্পকে নিজের জীবনের মূল্যবান সম্পদ করে নাও, তাহলেই ঐশ্বর্যশালী হয়ে যাবে।