03.12.2019 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


"মিষ্টি বাচ্চারা - তোমাদের এই গীত হল সঞ্জীবনী বুটি, এটাকে বাজালেই তোমাদের মূর্ছিত দশা কেটে যাবে"
প্রশ্নঃ -
স্থিতি খারাপ হওয়ার কারন কী ? কোন্ যুক্তিতে স্থিতি খুব ভালো থাকবে ?

উত্তরঃ -
১) জ্ঞানের নৃত্য করে না, পরচিন্তন পরদর্শনে নিজের সময় নষ্ট করে, এইজন্য স্থিতি খারাপ হয়ে যায়।
২) অপরকে দুঃখ দেয়, তাই তার প্রভাব নিজের স্থিতির উপরও এসে পরে। স্থিতি ভালো তখন থাকবে, যখন আচার-আচরণে মিষ্টি হয়ে থাকবে, স্মরণের উপর সম্পূর্ণ মনঃসংযোগ থাকবে। রাতে শোয়ার আগে ন্যূনতম আধঘন্টা স্মরণের যাত্রায় বসতে হবে আবার অমৃতবেলায় উঠে স্মরণ করলে নিজের স্থিতি খুব ভালো থাকবে।

গীতঃ-
কে এসেছে আমার মনের দ্বারে....

ওম্ শান্তি ।
এই গীতও বাবা তৈরি করেছেন বাচ্চাদের জন্য। এর অর্থও বাচ্চারা ভিন্ন অন্য কেউ জানতে পারে না। বাবা অনেকবার বুঝিয়েছেন যে এই রকম ভালো ভালো গীত ঘরে রেখে দিতে হবে, যদি কখনো কোনো কারণে স্থিতি খারাপ হয়ে যায় তখন এইসব গীত বাজালে বুদ্ধিতে এর অর্থ স্মরণে এসে যাবে আর তখনই মূর্ছিত দশা কেটে যাবে। এই গীত হলো সঞ্জীবনী বুটি। বাবা নির্দেশ তো সবাইকেই দেন কিন্তু খুব কম সংখ্যকই তা ধারণ করে। এখন এই গীতটাতে কে বলছে যে আমাদের তোমাদের সকলের হৃদয়ে কে এসেছে ! যে এসে জ্ঞানের নৃত্য করেন। তারা বলে যে গোপিকারা কৃষ্ণকে নৃত্য করাতেন, কিন্তু এটা তো হয়না। এখন বাবা বলছেন - হে শালিগ্রাম বাচ্চারা। সবাইকে বলেন তাই না। স্কুল মানে স্কুল, যেখানে পড়াশোনা হয়, এটাও হল স্কুল। তোমরা বাচ্চারা জেনে গেছো যে আমাদের হৃদয়ে কার স্মরণ আসে! অন্য কোনো মানুষদের বুদ্ধিতে এসব কথা আসেনা। কেবলমাত্র এই সময়তেই তোমাদের বাচ্চাদের বুদ্ধিতে তাঁর স্মরণ থাকে আর অন্যরা কেউ তাঁকে স্মরণ করে না। বাবা বলেন যে তোমরা রোজ আমাকে স্মরণ করো তাহলে ধারণা খুব ভালো হবে। যেরকম আমি নির্দেশ দিই, সেইরকম ভাবে তোমরা আমাকে স্মরণ করো না। মায়া তোমাদেরকে স্মরণ করতে দেয় না। আমার শ্রীমতে তোমরা খুব কম সংখ্যকই চলো আর মায়ার কথাতে অনেকে চলে। অনেকবার বলা হয়েছে - রাতে শোয়ার আগে আধঘন্টা বাবার স্মরণে যাত্রায় বসতে হবে। হয়তো স্ত্রী-পুরুষ একসঙ্গে বসে বা আলাদা বসে। বুদ্ধিতে এক বাবার-ই স্মরণ থাকবে। কিন্তু কোন বিড়লাই এই স্মরণ করতে পারে। মায়া ভুলিয়ে দেয়। শ্রীমতে না চললে পদ পাবে কি করে ? বাবাকে অনেক স্মরণ করতে হবে। শিববাবা তুমিই হলে আত্মাদের বাবা। সবাই তোমার থেকেই আশীর্বাদ প্রাপ্ত করে। যে পুরুষার্থ করেনা সেও আশীর্বাদ প্রাপ্ত করবে, ব্রহ্মান্ডের মালিক তো সবাই হবে। সকল আত্মারা নির্বাণধামে আসবে ড্রামা অনুসারে। কিছু না করেও। আধাকল্প যদিও ভক্তি করে কিন্তু ফিরে কেউই যেতে পারে না, যতক্ষণ না আমি পথ প্রদর্শক হয়ে না আসি। কেউ রাস্তা দেখেনি। আর যদি দেখাতো তাহলে তার পেছনে সবাই মাছির মতো ছুটে যেত। মূলবতন কি আছে - এটাও কেউ জানে না। কেবলমাত্র তোমরাই জানো যে এটা হলো পূর্বপরিকল্পিত ড্রামা। এটারই পুনরাবৃত্তি করতে হবে। এখন দিনের বেলায় কর্মযোগী হয়ে ব্যবসাদি করতে হবে। রান্না করা আদি সব কর্ম করতে হবে, বাস্তবে কর্মসন্ন্যাস বলাই হল ভুল কথা। কর্ম ছাড়া তো কেউ থাকতে পারে না। কর্মসন্ন্যাসী মিথ্যা নাম রেখে দেয়। তাই দিনে যদিও ব্যবসা আদি করো কিন্তু রাতে শোয়ার আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে বাবাকে ভালোভাবে স্মরণ করো। যাকে এখন ধারণ করেছো তাঁকে স্মরণ করলে তার সাহায্য অবশ্যই প্রাপ্ত করতে পারবে। আর না করলে পাবে না। ধনী ব্যক্তিদের তো বাবার বাচ্চা হওয়ার জন্য হৃদয় বিদীর্ণ হয়ে যায় তাই তাদের পদও প্রাপ্ত হয় না। এই স্মরণ করা খুব সহজ। তিনি আমাদের বাবা, শিক্ষক এবং সদ্গুরু। আমাদেরকে সমগ্র বিশ্বের রহস্য বুঝিয়েছেন - এই বিশ্বের ইতিহাস ভূগোল কিভাবে পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। বাবাকে স্মরণ করতে হবে পুনরায় স্বদর্শন চক্র ঘোরাতে হবে। সবাইকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এক শিববাবা-ই আছেন। এইরকম এইরকম চিন্তনে থাকতে হবে। রাতে শোয়ার সময়ও এই জ্ঞান চিন্তন করতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই যেন এই জ্ঞান স্মরণে আসে। আমরা ব্রাহ্মণ থেকে দেবতা আবার ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র হবো। তারপর বাবা আসবেন, পুনরায় আমরা শূদ্র থেকে ব্রাহ্মণ হবো। বাবা ত্রিমূর্তি, ত্রিকালদর্শী, ত্রিনেত্রীও আছেন। আমাদের বুদ্ধির তালা খুলে দেন। জ্ঞানের তৃতীয় নেত্রও প্রাপ্ত হয়। এইরকম বাবা তো আর অন্য কেউ হতে পারেন না। বাবা রচনা করেন তাই তিনি মা-ও হয়ে গেছেন। জগদম্বাকে নিমিত্ত বানিয়েছেন। বাবা এই শরীরে এসে ব্রহ্মা রূপে দ্বারা খেলা করেন। ঘুরতেও যান। আমরা বাবাকে স্মরণ তো করি, তাই না! তোমরা এখন জেনে গেছো যে এনার রথের মধ্যে বাবা আসেন। তোমরা বলবে যে বাপ-দাদা আমাদের সাথে খেলা করেন। খেলার মধ্যেও বাবা (ব্রহ্মা) স্মরণের পুরুষার্থ করেন। বাবা (শিব)বলেন যে আমি এনার দ্বারা খেলা করি। আমরা হলাম চৈতন্য, তাই না। তাই এই রকম চিন্তন করতে হবে। এইরকম বাবার উপর সম্পূর্ণ সমর্পন হয়ে যেতে হবে। ভক্তি মার্গেও তোমরা এই গীত গেয়ে এসেছো যে তোমার কাছে সমর্পিত হয়ে যাব.... এখন বাবা বলছেন, এই এক জন্ম তোমরা আমাকে তোমাদের উত্তরাধিকারী বানাও তাহলে আমি ২১ জন্মের জন্য তোমাদের রাজ্য ভাগ্য দেবো। এখন এই নির্দেশ দিয়েছি তাই এই নির্দেশে তোমাদের চলতে হবে। তিনিও যেরকম দেখবেন সেই রকম নির্দেশ দেবেন। নির্দেশ মেনে চললে মমত্ব কেটে যাবে, কিন্তু ভয় পায়। বাবা বলেন তোমরা সমর্পিত হও না তাহলে আমি তোমাদেরকে কিভাবে আশীর্বাদ করব। তোমাদের পয়সা কি কেউ নিয়ে চলে যাবে? বলবে, আচ্ছা তোমাদের পয়সা আছে, ম্যাগাজিন করতে লাগিয়ে দাও। নিমিত্ত আছো তাই না। বাবা রায় দিতেই থাকবেন। বাবার সব কিছু বাচ্চাদের জন্য আছে। বাচ্চাদের থেকে বাবা কিছুই নেন না। যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দেন তাতেই মমত্ব কেটে যায়। এই মোহ হল বড় তেজী। (বাঁদরের মতো) বাবা বলেন যে তোমরা বাঁদরের মতো তাদের পিছনে মায়া কেন রাখো। তাহলে ঘরে-ঘরে মন্দির কিভাবে তৈরি হবে। আমি তোমাদেরকে এই বাঁদরপোনা থেকে ছাড়িয়ে মন্দিরের মূর্তি তৈরি করছি। তোমরা এই নোংরা জায়গায় কেন মমতা রেখেছো। বাবার শুধুই মত দেন - কিভাবে পালন করতে হবে। সেটাও বুদ্ধিতে বসে না। এই সবকিছুই হল বুদ্ধির কাজ।

বাবা রায় দেন অমৃতবেলায় কিভাবে বাবার সঙ্গে কথা বলতে হয়। বাবা, তুমি অসীম জগতের বাবা, আছো আবার শিক্ষকও আছো। তুমিই আমাদের অসীম জগতের ইতিহাস-ভূগোল বলতে পারো। লক্ষ্মী-নারায়ণের চুরাশি জন্মের কাহিনী এই দুনিয়াতে আর কেউ জানেনা। জগদম্বাকে মাতা পিতাও বলে দেয়। তিনি কে আছেন ? সত্যযুগে তো হতে পারে না। সেখানকার মহারানী-মহারাজা তো লক্ষী-নারায়ণ আছেন। তাদের নিজের বাচ্চারাই সিংহাসনের অধিকারী হবে। আমরা কিভাবে তাদের বাচ্চা হতে পারব যে সিংহাসনে বসবো। এখন আমরা জেনেছি যে এই জগদম্ভা ব্রাহ্মণী আছেন। ব্রহ্মার মেয়ে সরস্বতী। মানুষেরা এই রহস্য জানে না। রাতে শোয়ার আগে বাবার স্মরণে বসার এই নিয়ম রাখো তাহলে খুব ভালো হয়। নিয়ম বানালে তোমাদের খুশির পারদ উর্ধ্বে থাকবে। আর কোন কষ্ট থাকবে না। বলবে এক বাবার বাচ্চা আমরা হলাম ভাই-বোন। এরপরও নোংরা দৃষ্টি রাখা অপরাধমূলক কর্ম হয়ে যাবে। নেশাও সতো, রজো এবং তমোগুনী হয়। তমোগুনী নেশা চড়ে গেলে মারা পরে যাবে। এই নিয়ম বানিয়ে নাও - অল্প সময়ের জন্য বাবাকে স্মরণ করে তারপর বাবার সেবায় যাও। তাহলে মায়ার তুফান আসবে না। সেই নেশা দিনভর চলবে আর স্থিতিও খুব সুন্দর হয়ে যাবে। যোগের লাইনও ক্লিয়ার হয়ে যাবে। এইরকম এইরকম গীতগুলিও খুব সুন্দর হয়, গীত শুনতে থাকলে তো নাচতে শুরু করে দেবে, রিফ্রেশ হয়ে যাবে, দু-চার-পাঁচটা গীত তো খুব সুন্দর আছে। গরীবও যদি বাবার এই সেবাতে লেগে যায় তো তারও মহল প্রাপ্ত হয়ে যাবে। শিব বাবার ভান্ডার থেকে সবকিছুই প্রাপ্ত হয়। সেবাধারীদেরকে বাবা কেনই বা দেবেন না। শিববাবার ভান্ডার সর্বদা ভরপুর থাকে।

(গীত) এ হলো জ্ঞানের নৃত্য। বাবা এসে জ্ঞানের নৃত্য করান গোপ-গোপীদেরকে। যেখানেই বসে থাকো না কেন বাবাকে স্মরণ করতে থাকো তাহলে স্থিতি খুব ভালো হয়ে যাবে। যেরকম বাবা জ্ঞান আর যোগের নেশায় থাকেন, তোমাদের বাচ্চাদেরও শেখান। তাহলে খুশির নেশা তো থাকবে। নাহলে তো পরচিন্তন পরদর্শনে থাকার জন্য নিজের স্থিতিকে খারাপ করে ফেলবে। সকালে ওঠা তো খুব ভালো। বাবার স্মরণে বসে বাবার সঙ্গে মিষ্টি-মিষ্টি কথাবার্তা বলতে হবে। যারা বক্তৃতা দেয় তাদের তো বিচার সাগর মন্থন করতে হবে। আজ এই পয়েন্টের উপর বোঝাবো, এইভাবে বোঝাবো। বাবাকে অনেক বাচ্চারাই বলে যে আমি চাকরি ছেড়ে দেবো? কিন্তু বাবা বলেন যে প্রথমে সেবার প্রমাণ দাও। বাবা তো স্মরণের যুক্তি খুব সুন্দর বলে দিয়েছেন। কিন্তু কোটির মধ্যে কয়েকজনই বেরোবে, যাদের এই অভ্যাস থাকবে। কারোর তো আবার খুব অল্পক্ষণের জন্য স্মরণ থাকে। তোমাদের কুমারীদের নাম তো খুব গৌরবান্বিত হয়ে আছে। কুমারীদের সবাই পায়ে ধরে। তোমরা ২১ জন্মের জন্য ভারতকে স্বরাজ্য দান করো। তোমাদের স্মরণাগার হল মন্দির। ব্রহ্মাকুমার-কুমারীদের নামও গৌরবান্বিত হয়ে গেছে তাইনা কুমারী সেই যে ২১ কুলের উদ্ধার করতে পারে। সেই অর্থও বুঝতে হবে। তোমরা বাচ্চারা জানো যে এটা হল ৫ হাজার বছরের ড্রামা, যা কিছু অতীত হয়ে গেছে সেটাই ড্রামা। ভুল হলেও তা ড্রামা। ভবিষ্যতের জন্য নিজের রেজিস্টারকে সর্বদা ঠিক রাখতে হবে। পুনরায় যেন রেজিস্টার খারাপ না হয়ে যায়। খুব বড় পরিশ্রম আছে তবেই তো এত উঁচু পদ প্রাপ্ত হবে। বাবার হয়ে গেছো তাহলে বাবা আশীর্বাদও দেবেন। কুপুত্রকে আশীর্বাদ করবেন না। সাহায্য করা তো বাবার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। যে সহানুভূতিশীল হবে সে প্রত্যেক কথা দিয়ে সাহায্য করবে। বাবা দেখো কত সাহায্য করেন। সাহসী বাচ্চার জন্য সাহায্যকারী স্বয়ং ভগবান। মায়ার উপর বিজয় পাওয়ার জন্য অনেক শক্তির প্রয়োজন হয়। এক আত্মিক বাবাকে স্মরণ করতে হবে, অন্যান্য সঙ্গ ত্যাগ করে একসঙ্গ জুড়তে হবে। বাবা হলেন জ্ঞানের সাগর। তিনি বলেন আমি এঁনার মধ্যে প্রবেশ করি, কথা বলি। আর তো কেউ এ সমস্ত কথা বলতে পারবে না যে আমি বাবা, শিক্ষক এবং সদ্গুরু আছি। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শংকরের রচয়িতা আছি। এই সমস্ত কথাগুলো এখন তোমরা বাচ্চারাই বুঝতে পারো। আচ্ছা!

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১ ) পুরানো নোংরা আবর্জনাতে মমতা রেখো না, বাবার নির্দেশে চলে নিজের আসক্তিকে মুক্ত করতে হবে। নিমিত্ত হয়ে থাকতে হবে।

২ ) এই অন্তিম জন্মে ভগবানকে নিজের উত্তরাধিকারী বানিয়ে তাঁর ওপর সমর্পিত হয়ে যেতে হবে, তবে ২১ জন্মের রাজ্য ভাগ্য প্রাপ্ত হবে। বাবাকে স্মরণ করে সেবা করতে হবে। নেশায় থাকতে হবে। রেজিস্টার যাতে কখনো খারাপ না হয় সেই দিকে সতর্ক থাকতে হবে।

বরদান:-
পরমাত্ম ভালোবাসায় থেকে নিজেকে এবং বিশ্বকে নির্বিঘ্ন করে তপস্বীমূর্তি ভব

ব্যাখ্যা :- এক পরমাত্মার ভালোবাসায় থাকাই হল তপস্যা। এই তপস্যার শক্তিই নিজেকে আর বিশ্বকে সদাকালের জন্য নির্বিঘ্ন বানাতে পারে। নির্বিঘ্ন থাকা আর নির্বিঘ্ন করাই হলো তোমাদের সত্যিকারের সেবা, যে অনেক প্রকার বিঘ্ন থেকে সকল আত্মাদেরকে মুক্ত করতে পারে। এইরকম সেবাধারী বাচ্চারা তপস্যার আধারে, বাবার থেকে জীবনমুক্তির বরদান নিয়ে, অন্যদেরকেও তা প্রদান করার নিমিত্ত হয়ে যায়।

স্লোগান:-
চারিদিকে ছড়ানো তোমার স্নেহকে গুটিয়ে নিয়ে যদি এক বাবার প্রতি স্নেহ রাখো, তাহলে পরিশ্রম থেকে মুক্ত হয়ে যাবে ।