05.05.2022 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


মিষ্টি বাচ্চারা - তোমরা বাবার শ্রীমতে চলো, তবে তোমাদেরকে কেউ দুঃখ দিতে পারবে না, দুঃখ কষ্ট দেয় রাবণ, যে তোমাদের রাজ্যে থাকে না

প্রশ্নঃ -
এই জ্ঞান যজ্ঞে তোমরা বাচ্চারা কী আহতি দিয়ে থাকো ?

উত্তরঃ -
এই জ্ঞান যজ্ঞে তোমরা কোনো তিল, জব ইত্যাদির আহুতি দাও না, এখানে তোমাদের দেহের সাথে যা কিছু আছে, সেইসব আহুতি দিতে হবে অর্থাৎ বুদ্ধির দ্বারা সবকিছু ভুলে যেতে হবে। পবিত্র থাকা ব্রাহ্মণই এই যজ্ঞের দেখাশোনা করতে পারে। যে পবিত্র ব্রাহ্মণ হয়, সে-ই পুনরায় ব্রাহ্মণ তথা দেবতা হয়।

গীতঃ-
তোমাকে পেয়ে আমরা সমগ্র জগৎ পেয়ে গেছি...

ওম্ শান্তি ।
বাচ্চারা এসেছে বাবার কাছে। বাচ্চারা অবশ্যই আসবে তখন, যখন বাবাকে চিনে বাবা বলে ডাকবে। না হলে তো আসবেই না। বাচ্চারা জানে যে আমরা যাচ্ছি নিরাকার অসীমের বাবার কাছে, তাঁর নাম হলো শিব বাবা। তাঁর নিজের শরীর নেই, তাঁর কোনও শত্রু হতে পারে না। এখানে শত্রুতা হলে তো রাজাদেরকে মেরে দেয়। গান্ধীকে মেরে দিয়েছে, কেননা তার তো শরীর ছিল। বাবার তো নিজের শরীরই নেই। মারতে চাইলে তো তাকে মারতে হবে, যার মধ্যে প্রবেশ করি। আত্মাকে তো কেউ মারতে বা কাটতে পারে না। তো যে আমাকে যথার্থ ভাবে জানে, তাকেই রাজ্য ভাগ্য প্রদান করি। কোনও পরিস্থিতিতেই তাদের রাজ্য ভাগ্যকে কেউ জ্বালিয়ে দিতে পারেনা আর না জলে ডুবিয়ে দিতে পারে।

বাচ্চারা তোমরা বাবার থেকে অবিনাশী রাজধানীর উত্তরাধিকার নিতে এসেছ। যাকে কেউই দুঃখ বা কষ্ট দিতে পারে না। সেখানে দুঃখ দেওয়ার জন্য কেউ থাকেনা। কষ্ট দেয় রাবণ। রাবণের দশটি মাথাও দেখানো হয়। কেবল রাবণকেই দেখানো হয়েছে, মন্দোদরীকে দেখায় না। কেবল নাম রেখে দিয়েছে যে রাবণের স্ত্রী ছিল। তো এখানে রাবণ রাজ্যে তোমাদের কষ্ট হতে পারে। সেখানে তো রাবণ থাকেই না। বাবা তো হলেন নিরাকার, তাঁকে কেউ মারতে বা কাটতে পারে না। তোমাদেরকেও এইরকম বানাচ্ছেন যে তোমরা শরীরে থেকেও তোমাদের কোনও দুঃখ হবে না। তো এইরকম বাবার মতে চলতে হবে। বাবা-ই হলেন জ্ঞানের সাগর, আর কেউই এই জ্ঞান দিতে পারেনা। ব্রহ্মার দ্বারা সকল শাস্ত্রের সার বোঝাচ্ছেন। ব্রহ্মা হলেন শিব বাবার বাচ্চা। এরকম নয় যে বিষ্ণুর নাভি থেকে ব্রহ্মা বেরিয়েছে। যদি নাভি বলা হয় তো শিব বাবার নাভি-কমল থেকে বেরিয়েছে। তোমরাও শিব বাবার নাভি-কমল থেকে বেরিয়েছো। বাকি চিত্রতে তো সব ভুল দেখিয়েছে। এক বাবা হলেন সত্য। রাবণ অসত্য বানিয়ে দেয়। এটাই হলো খেলা। এই খেলাকে তোমরাই জানো। কবে থেকে রাবণ রাজ্য শুরু হয়েছে, কীভাবে মানুষ নিচে নামতে নামতে একবারেই পতিত হয়ে গেছে, উপরের দিকে কেউই চড়তে পারেনা। বাবার কাছে যাওয়ার জন্য যে রাস্তা বলে, সেটা আরই জঙ্গলের দিকে নিয়ে যায় কেননা তারা বাবার ঘর আর স্বর্গের রাস্তা জানেই না। যেসব গুরু ইত্যাদিরা আছে তারা সবাই হল হঠযোগী। ঘর বাড়ি ত্যাগ করে চলে যায়। বাবা ঘর বাড়ি ত্যাগ করতে বলেন না। শুধু বলেন পবিত্র থাকো। কুমার আর কুমারী হল পবিত্র। দ্রৌপদী বাবাকে আহ্বান করে বলে যে আমাকে বাঁচাও। আমি পবিত্র হয়ে কৃষ্ণ পুরীতে যেতে চাই। কন্যারাও আহ্বান করে বলে - মা বাবা বিরক্ত করে, প্রহার করে, বিবাহ করতেই হবে। প্রথমে মা-বাবা কন্যার পা স্পর্শ করতেন, কেননা নিজেদেরকে পতিত আর কন্যাকে পবিত্র মনে করতেন। আহ্বানও করে - হে পতিত-পাবন এসো। এখন বাবা বলেন যে কুমারীরা পতিত হয়ো না। না হলে তো পুনরায় আহ্বান করতে হবে। তোমাদের নিজেদেরকে রক্ষা করতে হবে। বাবা এসেইছেন পবিত্র বানাতে। বলেন যে স্বর্গের বাদশাহীর উত্তরাধিকার দিতে এসেছি। এইজন্য পবিত্র হতে হবে। পতিত হলে তো পতিত হয়েই মরবে। স্বর্গের সুখ দেখতে পারবে না। স্বর্গে তো অনেক মজা আছে। হিরে জহরতের মহল আছে। সেই রাধা-কৃষ্ণ পুনরায় লক্ষ্মী-নারায়ণ হন। তো লক্ষ্মী-নারায়ণকেও এতটাই ভালবাসতে হবে। আচ্ছা কৃষ্ণকে ভালোবাসে কিন্তু রাধাকে কেন গুপ্ত করে দিয়েছে ? কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীতে কৃষ্ণকে দোলনায় দোলায়। মায়েরা কৃষ্ণকে খুব ভালোবাসে, রাধাকে নয়। আবার ব্রহ্মা যিনি কৃষ্ণ হবেন তাকেও এতটা পূজা করে না। জগদম্বাকে তো অনেকে পূজা করে, যে সরস্বতী হলেন ব্রহ্মার কন্যা। আদিদেব ব্রহ্মার কেবল আজমিরে মন্দির আছে। এখন মাম্মা হলেন জ্ঞান জ্ঞানেশ্বরী। তোমরা জানো যে তিনি হলেন ব্রাহ্মণী, তিনি কোনও স্বর্গের আদিদেবী নন। না কোনো আট বাহু আছে তার। মন্দিরে আট বাহু বিশিষ্ট দেখানো হয়। বাবা বলেন মায়ার রাজ্যে মিথ্যাই মিথ্যা। এক বাবা-ই হলেন সত্য, যিনি মানুষ থেকে দেবতা বানানোর জন্য সত্য বলছেন। ওই জাগতিক ব্রাহ্মণদের দ্বারা তো তোমরা কথা কাহিনি ইত্যাদি শুনতে শুনতে এই অবস্থাতে পৌঁছে গেছো। এখন মৃত্যু সামনে অপেক্ষা করছে। বাবা বলেন, যখন ঝাড়ের জর্জরিত অবস্থা হয়ে যায় তখন কলিযুগের অন্তে কল্পের সঙ্গম যুগে আমি আসি। আমি যুগে যুগে আসি না। আমি কচ্ছ মচ্ছ অবতার, বরাহ অবতার গ্রহণ করি না। আমি কণায় কণায় থাকি না। তোমরা আত্মারাও কণায় কণায় যাও না, তো আমি কীভাবে যাবো। মানুষের বিষয়ে বলে, তারা জন্তু-জানোয়ার হয়েও জন্ম নেয়। সেক্ষেত্রে তো অনেক যোনি হয়ে যায়, গণনাও করতে পারবে না। বাবা বলেন যে সত্য কথা এখন আমি তোমাদেরকে বোঝাচ্ছি। এখন বিচার করো ৮৪ লক্ষ জন্ম সত্য নাকি মিথ্যা ? এই মিথ্যা দুনিয়াতে সত্য কোথা থেকে আসবে? সত্য তো একটাই হয়। বাবা-ই এসে সত্য-অসত্যের নির্ণয় করেন। মায়া সবাইকে অসত্য বানিয়ে দেয়। বাবা এসে সবাইকে সত্য বানান। এখন বিচার করো - সত্য কে ? তোমাদের এত গুরু গোঁসাই সত্য নাকি এক বাবা সত্য ? এক সত্য বাবা-ই সত্য দুনিয়া স্থাপন করছেন। সেখানে নিয়ম-বিরুদ্ধ কোনো কাজ হয় না। সেখানে কারোর বিষ প্রাপ্ত হয় না।

তোমরা জানো যে আমরা ভারতবাসীরা বরাবর দেবী-দেবতা ছিলাম। এখন পতিত হয়ে গেছি। আহ্বানও করে যে - হে পতিত-পাবন এসো। যথা রাজা-রানী তথা প্রজা সব পতিত হয়ে গেছে তবেই তো লক্ষ্মী-নারায়ণ প্রমুখকে পূজা করতে থাকে তাই না। ভারতেই পবিত্র রাজারা ছিলেন, এখন অপবিত্র হয়ে গেছে। যারা পবিত্র, তাদেরকে পূজা করে। এখন বাবা এসে তোমাদেরকে মহারাজা মহারানী বানাচ্ছেন। তাই পুরুষার্থ করতে হবে। বাকি আট বাহু বিশিষ্ট তো কেউ হয়না। লক্ষ্মী-নারায়ণেরও দুটি করে বাহু আছে। চিত্রে আবার নারায়ণকে শ্যাম বর্ণ এবং লক্ষ্মীকে গৌরবর্ণ দেখানো হয়। এখন একজন পবিত্র একজন অপবিত্র কিভাবে হতে পারে, তো চিত্র মিথ্যা হয়ে গেছে তাই না। এখন বাবা বোঝাচ্ছেন যে রাধা-কৃষ্ণ দুজনেই গৌরবর্ণ ছিলেন, পুনরায় কাম চিতাতে বসে দুজনেই শ্যাম বর্ণ হয়ে গেছেন। একজন গৌরবর্ণ, একজন শ্যাম বর্ণ তো হতে পারে না। কৃষ্ণকে শ্যামসুন্দর বলা হয়। রাধাকে শ্যামসুন্দর কেন বলা হয় না। এই পার্থক্য কেন রাখা হয়েছে। জোড়া তো একই রকম হওয়া চাই। এখন তোমরা জ্ঞান চিতাতে বসে আছো, তোমরা পুনরায় কাম চিতাতে কেন বসছো! বাচ্চাদেরকেও এই পুরুষার্থ করাতে হবে। আমরা জ্ঞান চিতাতে বসে আছি তোমরা পুনরায় কাম চিতাতে বসার চেষ্টা কেন করছো। যদি পুরুষ জ্ঞানে আসে, স্ত্রী জ্ঞানে না আসে তাহলে ঝগড়া হয়। যজ্ঞতে বিঘ্ন তো অনেক আসে। এই জ্ঞান কতইনা বিশাল । যখন থেকে বাবা এসেছেন তখন থেকে রুদ্র যজ্ঞ শুরু হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা ব্রাহ্মণ না হচ্ছ ততক্ষণ পর্যন্ত দেবতা হতে পারবে না। শূদ্র পতিত থেকে পবিত্র দেবতা হওয়ার জন্য ব্রাহ্মণ হতে হবে। ব্রাহ্মণেরাই যজ্ঞের দেখাশোনা করে, এক্ষেত্রে পবিত্র হতে হবে। এছাড়া তিল, যব ইত্যাদি একত্রিত করে রেখো না, যেরকম অন্যান্য লোকেরা করে। বিপর্যয়ের সময় যজ্ঞ রচনা করে। মনে করে যে ভগবানও এইরকম যজ্ঞ রচনা করেছিলেন। বাবা তো বলেন যে এ হল জ্ঞান যজ্ঞ, যেখানে তোমরা আহুতি দাও। দেহের সাথে সবকিছু আহুতি দিতে হবে। টাকা পয়সা ইত্যাদি আহুতি দেবে না। এখানে সবকিছু স্বাহা করতে হবে। এর উপরে একটি কাহিনী আছে। দক্ষ প্রজাপিতা যজ্ঞ রচনা করেছিলেন। এখন প্রজাপিতা তো হলেন এক। প্রজাপিতা ব্রহ্মা পুনরায় দক্ষ প্রজাপিতা কোথা থেকে আসবে ? বাবা প্রজাপিতা ব্রহ্মার দ্বারা যজ্ঞ রচনা করেন। তোমরা সবাই হলে ব্রাহ্মণ। তোমাদের প্রাপ্ত হয় ঠাকুর দাদার উত্তরাধিকার। তোমরা বলো যে আমরা শিব বাবার কাছে এসেছি ভায়া ব্রহ্মা। ইনি হলেন শিব বাবার পোস্ট অফিস। যদি চিঠিও লেখ তাহলে শিব বাবা ভায়া ব্রহ্মা। বাবার নিবাস এনার মধ্যে। এইসব ব্রাহ্মণ পবিত্র হওয়ার জন্য জ্ঞান যোগ শিখছে। তোমরা এরকম বলতে পারবে না যে আমরা পতিত নই। আমরা পতিত কিন্তু পতিত-পাবন আমাদেরকে পাবন বানাচ্ছেন। আর কোনও মানুষই পবিত্র নয় তবেই তো গঙ্গা স্নান করতে যায়। এখন তোমরা জানো যে এক সদ্গুরু বাবা-ই আমাদেরকে পবিত্র বানাচ্ছেন। তাঁর শ্রীমৎ হল বাচ্চারা তোমরা এক আমার সাথে নিজের বুদ্ধি যোগ যুক্ত করো। বিচার করো। যদিও সেই গুরুদের কাছে যাও, বা আমার মতে চলো। তোমাদের তো এক-ই বাবা, তিনি টিচার আবার তিনি হলেন সদ্গুরুও। অসীমের বাবা সকল মানুষ মাত্রকে বলছেন যে আত্ম-অভিমানী হও। দেবতারা আত্ম-অভিমানী হয়ে থাকেন। এখানে তো এই জ্ঞান কারোর মধ্যে নেই। সন্ন্যাসীরা তো বলে দেয় যে আত্মা তথা পরমাত্মা। আত্মা ব্রহ্মতত্ত্বে লীন হয়ে যায়। এই রকম কথা শুনতে শুনতে তোমরা কতইনা দুঃখী আর পতিত হয়ে পড়েছ। ভ্রষ্টাচারী পতিত তাকে বলা যায় যে বিকারের দ্বারা জন্ম নেয়। তারা রাবণ রাজ্যে ভ্রষ্টাচারী কাজই করে থাকে। পুনরায় সুন্দর সুন্দর (গুল-গুল) ফুল বানানোর জন্য বাবাকে আসতে হয়। তিনি ভারতেই আসেন। বাবা বলেন যে তোমাদেরকে জ্ঞান আর যোগ শেখাই। ৫ হাজার বছর পূর্বেও তোমাদেরকে এই জ্ঞান শিখিয়ে স্বর্গের মালিক বানিয়েছিলাম পুনরায় বানাচ্ছি। প্রতি কল্পেই আমি আসি। এর না আদি আছে আর না অন্ত আছে। চক্র চলতেই থাকে। প্রলয়ের তো কথাই নেই। বাচ্চারা তোমরা এই সময় এই অবিনাশী জ্ঞান রত্নের দ্বারা নিজেদের ঝুলি ভরপুর করছো। শিববাবাকে বলা হয় বম-বম মহাদেব। বম-বম অর্থাৎ শঙ্খধ্বনি করে আমাদের ঝুলি ভরে দাও। জ্ঞান বুদ্ধিতে থাকে তাই না। আত্মাতেই সংস্কার থাকে। আত্মাই পড়াশোনা করে ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার ইত্যাদি তৈরী হয়। এখন তোমরা আত্মারা কি হবে ? বলো যে বাবার থেকে উত্তরাধিকার নিয়ে লক্ষ্মী-নারায়ণ হব। আত্মা পুনর্জন্ম তো অবশ্যই নেয়। এটাই হলো বোঝার বিষয় তাই না। কাউকে কেবল এই দুটি শব্দ কানে শুনিয়ে দাও - তুমি হলে আত্মা, শিব বাবাকে স্মরণ করো তো স্বর্গের বাদশাহী প্রাপ্ত হবে। কতই না সহজ বিষয়। এক বাবা-ই সত্য বলেন, সবাইকে সদ্গতি প্রদান করেন। বাকি সবাই মিথ্যে বানিয়ে দুর্গতিই করে। এই শাস্ত্র ইত্যাদি সব পরবর্তী সময়ে তৈরি হয়েছে। ভারতের শাস্ত্র হল একটাই - গীতা। বলে যে পরম্পরা অনুসারে এটা চলে আসছে। কিন্তু কবে থেকে ? মনে করে সৃষ্টি লক্ষ বছর হয়েছে। আচ্ছা।

বাচ্চারা তোমরা বাবার জন্য আঙ্গুর নিয়ে এসে থাকো। তোমরাই নিয়ে আসো, তোমরাই খাও, আমি খাই না। আমি তো হলাম অভোক্তা। সত্যযুগেও তোমাদের জন্য মহল বানিয়ে দিই। এখানেও তোমাদেরকে নতুন মহলে রাখি, আমি তো পুরানোতেই থাকি। ইনি হলেন ওয়ান্ডারফুল বাবা। ইনি হলেন বাবাও আবার অতিথিও। বম্বেতে গেলে তো অতিথি বলবে তাই না। এমনিতেও তো সমগ্র দুনিয়ার অনেক বড় অতিথি। আসা যাওয়াতে দেরী লাগেনা। অতিথিও হলেন ওয়ান্ডারফুল। দূর দেশের বাসিন্দা এসেছেন পরের দেশে। তো অতিথি হলেন তাই না। আসেন তোমাদেরকেই সুন্দর সুন্দর ফুল বানিয়ে উত্তরাধিকার প্রদান করতে। কড়ি থেকে হীরের মত বানাতে। আচ্ছা!

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১ ) অবিনাশী জ্ঞান রত্ন গুলিকে ধারণ করে শঙ্খধ্বনি করতে হবে। সবাইকে এই জ্ঞান রত্নের দান করতে হবে।

২ ) সত্য আর অসত্যকে বুঝে সত্য মতে চলতে হবে। কোনও নিয়ম-বিরুদ্ধ কর্ম করবে না।

বরদান:-
বুদ্ধিকে ব্যস্ত রাখার বিধির দ্বারা ব্যর্থকে সমাপ্তকারী সদা সমর্থ ভব

সদা সমর্থ অর্থাৎ শক্তিশালী সে-ই হয়ে থাকে, যে বুদ্ধিকে ব্যস্ত রাখার বিধিকে প্রয়োগ করে। ব্যর্থকে সমাপ্ত করে সমর্থ হওয়ার সহজ সাধনই হলো - সদা ব্যস্ত থাকা । এইজন্য প্রতিদিন সকালে যেরকম সারাদিনের কাজকর্মের প্ল্যানিং করো, সেইরকম নিজের বুদ্ধিকে ব্যস্ত রাখার টাইম টেবিল বানাও যে এই সময় বুদ্ধিতে এই সমর্থ সংকল্পের দ্বারা ব্যর্থকে সমাপ্ত করবে। ব্যস্ত থাকবে, তো মায়া দূর থেকেই ফিরে চলে যাবে।

স্লোগান:-
দুঃখের দুনিয়াকে ভোলার জন্য পরমাত্মার ভালোবাসাতে সর্বদা হারিয়ে যেতে থাকো।