06.05.2022 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


"মিষ্টি বাচ্চারা - তোমরা ব্রাহ্মণরা ঈশ্বরের কোল পেয়েছ, তোমাদের এই ঈশ্বরীয় নেশা থাকা উচিত যে বাবা এই শরীরের (ব্রহ্মা) দ্বারা আমাদেরকে আপন করেছেন"

প্রশ্নঃ -
বাবা কোন্ দিব্য কর্তব্য সম্পাদন করেছেন ? যার কারণে ওঁনার এতো মহিমা গাওয়া হয়েছে ?

উত্তরঃ -
পতিতকে পবিত্র করে তোলা, সমস্ত মানবকে মায়া রাবণের শিকল থেকে মুক্ত করা এই দিব্য কর্তব্য একমাত্র বাবাই এসে করেন। অসীম জগতের বাবার কাছ থেকেই সুখের উত্তরাধিকার পাওয়া যায়, যা অর্ধকল্প ধরে চলে। সত্যযুগ গোল্ডেন জুবিলি, ত্রেতায় সিলভার জুবিলি। প্রথমে সতোপ্রধান অবস্থা, তারপর সতো হয়। দুটি যুগকেই সুখধাম বলা হয়। এমন সুখধাম স্থাপনা বাবাই এসে করেন, সেইজন্যই তাঁর এতো মহিমা গাওয়া হয়।

গীতঃ-
ন্যায় বিচারের মন্দির এটা, ভগবানেরই ঘর....

ওম্ শান্তি ।
বাবা এবং দাদা মিলিতভাবে বাচ্চাদের বোঝাচ্ছেন। কখনও বাবা বোঝান, কখনও বা দাদা বোঝান, কেননা এই শরীর দাদারও ঘর। পরমপিতা পরমাত্মা পরমধাম নিবাসী। একটা সময় অবশ্যই আসে যখন ওঁনার ঘর এই ভারতেই হয় তবেই তো শিবরাত্রি পালন করা হয়। ভারতে শিবের অনেক মন্দির আছে। সুতরাং এটাই প্রমাণিত হয় যে ভারত খন্ডেই তাঁকে আসতে হয়, পতিতদের পবিত্র করে তোলার জন্য বা সমস্ত মানুষকে রাবণের শিকল থেকে মুক্ত করার জন্য, কেননা এখন রাবণ রাজ্য। ভারতেই রাবণকে দহন করা হয়। শিবরাত্রি ও কৃষ্ণ জয়ন্তী ভারতেই পালন করা হয়। অর্ধকল্প ধরে রাবণ রাজ্য চলে। তারপর বাবা আসেন পতিতদের পবিত্র করে তুলতে। একবারই এসে পবিত্র করে তোলেন তারপর আর আসেন না। ভারতে বাবার নাম প্রসিদ্ধ। নিশ্চয়ই কোনো দিব্য কর্তব্য করেছিলেন তবেই তো ওঁনার এতো মহিমা। মানুষ মানুষকে পবিত্র করে তুলতে পারে না। পতিত-পাবন একমাত্র বাবাকেই বলা হয়। স্বর্গ নরক এই নাম দুটো ভারতের সঙ্গেই যুক্ত। ৫ হাজার বছর আগে ভারত স্বর্গ ছিল, যাকে পরিস্তান বলা হতো নিশ্চয়ই বাবার কাছে উত্তরাধিকার গ্রহণ করেছিল। বাবা শব্দটি খুব মিষ্টি। ওঁনার কাছেই অনন্ত সুখের উত্তরাধিকার পাওয়া যায় যে সুখ অর্ধকল্প ধরে চলে। যার গোল্ডেন জুবিলি, সিলভার জুবিলি উদযাপন করা হয়। সত্যযুগ গোল্ডেন জুবিলি, ত্রেতাকে সিলভার জুবিলি বলা হয়। সত্যযুগ সতোপ্রধান, ত্রেতা সতো, এই দুই যুগকে মিলিতভাবে সুখধাম বলা হয়। প্রথম নম্বরে সূর্যবংশী, দ্বিতীয় নম্বরে চন্দ্রবংশী। বাবা এই ভারত খন্ডে এসে ভারতকে পবিত্র করে তোলেন তারপর যখন থেকে ভক্তি শুরু হয় তখন থেকেই কলা হ্রাস পেতে থাকে। সৃষ্টি রূপী বৃক্ষ জড়াজীর্ণ হয়ে তমোপ্রধান হয়ে যায়। সবাই ভক্ত হয়ে যায়। সাধুও সাধনা করে বাবাকে পাওয়ার জন্য অর্থাত্ মুক্তি জীবনমুক্তিধামে যাওয়ার জন্য। অর্ধকল্প ভক্তি করে বাবাকে পাওয়ার জন্য। যখন সেই সময় সম্পূর্ণ হয়ে যায় তখনই বাবা আসেন ভক্তদের সুখী করে তুলতে। সত্যযুগে সুখ-শান্তি, সম্পত্তি সবকিছুই আছে। ওখানে কখনও অকালে মৃত্যু হয় না। কেউ কান্নাকাটি, মারামারি করে না। এ'সব কে বোঝান ? অসীম জগতের পিতা, ওঁনার নাম তো থাকা উচিত, তাই না ! কলিযুগে আছে অন্ধকার। ভক্তি মার্গে ঠোক্কর খেতেই থাকে। স্বর্গে দুঃখের লেশ মাত্র নেই, সবাই সুখে থাকে সেইজন্যই ভগবানকে ডাকে না। সত্যযুগকে সুখধাম, কলিযুগকে দুঃখধাম বলা হয়। বল্লভাচারী বৈষ্ণবরা জানে যে সত্যযুগে লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজ্য ছিল। যেমন রাজা তেমনই প্রজা সবাই সুখে ছিল, তাকেই গোল্ডেন এজ বলা হয়। সত্যযুগের শুরু থেকে যে চক্রে আসে সে-ই ৮৪ জন্ম গ্রহণ করে। বাচ্চাদের বোঝানো হয়েছে কল্প বৃক্ষের ঝাড় সম্পর্কে। সব পাতা (ধর্ম) একসাথে আসবে না। সত্যযুগে একটাই আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম ছিল, তাদের হিন্দু বলা হয় না। দেবী-দেবতারা ছিল সর্বগুণ সম্পন্ন, ১৬ কলা সম্পূর্ণ গাওয়া হয়...যে, যে ধর্মের উপাসক তাকে তো অবশ্যই সেই ধর্মের হওয়া উচিত। ক্রিশ্চানরা ক্রাইস্টকে স্মরণ করে ঐ ধর্মের বলেই তো না ? ভারতবাসীরা নিজেদের দেবী-দেবতা ধর্মের নাম কেন হারিয়েছে?

তোমরা জানো আমরাই দেবী-দেবতা ছিলাম। আমরাই জন্ম-মৃত্যুর আবর্তে আসি। আমরাই দেবতা তারপর ক্ষত্রিয় হই। ৮৪ জন্ম নিতে-নিতে শেষে গিয়ে শূদ্র হয়ে যাই। শূদ্র থেকে আবার ব্রাহ্মণ হতে হয়। ব্রহ্মার সন্তানরাই ব্রাহ্মণ হয়। বাস্তবে সব আত্মারাই শিবের সন্তান। তিনি হলেন অসীম জগতের পিতা। তাঁকে পরমপিতা পরমাত্মা, গডফাদার বা হেভনলি গডফাদার বলা হয়। তিনি হলেন স্বর্গের রচয়িতা। বাচ্চাদের এখন বুদ্ধি দিয়ে কাজ করতে হবে। বাবা যখন স্বর্গ স্থাপনা করছেন আমরা কেন নতুন দুনিয়ার উত্তরাধিকারী হব না! ঐ নতুন দুনিয়া এখন পুরানো হয়ে গেছে আবার নতুন কীভাবে হবে ? গান্ধীজিও গাইতেন নতুন রাম-রাজ্য, নতুন ভারত হোক। আমরা জানি এখন নতুন দুনিয়া স্থাপন হচ্ছে। এখন তোমরা ব্রাহ্মণরা ঈশ্বরীয় কোল পেয়েছ, অসীম জগতের পিতাকে প্র্যাকটিক্যালী নিজের করেছ। এমনিতে তো সবাই বলে থাকে ও গডফাদার দয়া করো, এই সময় বাবা এই শরীরে এসে তোমাদের নিজের করেছেন। কলিযুগের ব্রাহ্মণরা গর্ভজাত সন্তান, আমরা হলাম ব্রহ্মা মুখ বংশাবলী। প্রজাপিতা ব্রহ্মা হবেন তবেই তো এতো বাচ্চাদের জন্ম দেবেন তাইনা। সুতরাং এরা হলো মুখ বংশাবলী। পরমপিতা পরমাত্মা অ্যাডপ্ট করেছেন ব্রহ্মা মুখের দ্বারা, সুতরাং মাতাও হয়ে গেলেন। তুমি মাতা-পিতা....ও বাবা তুমি আমাদের ব্রহ্মার মুখের দ্বারা নিজের করেছ। এটাও হল বোঝার বিষয়। জ্ঞানের সাগর বাবা একজনই। জ্ঞানের দ্বারাই সদ্গতি অর্থাৎ দিন হয়। অজ্ঞানতা থেকে অন্ধকার আসে। কলিযুগ তো রাত তাইনা, একেই ভক্তি মার্গ বলা হয়। সব শাস্ত্রই ভক্তি মার্গের। শাস্ত্রের দ্বারা বাবার কাছে পৌঁছানোর পথ পাওয়া যায় না। বাবা আসেন কল্পে-কল্পে। শিবরাত্রি পালন করা হয় যখন তবে নিশ্চয়ই তিনি আসেন। ওঁনার নিজের শরীর নেই। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শঙ্করকে দেবতা বলা হয়। ব্রহ্মা দেবতায় নমঃ, বিষ্ণু দেবতায় নমঃ তারপর শিব পরমাত্মায় নমঃ। ব্রহ্মা হলেন এই সাকার কল্প বৃক্ষের প্রধান। এখন প্র্যাকটিক্যালী আছেন। বাবা আসেন সঙ্গম যুগে। এখন যাদব, কৌরবরাও আছে আর পান্ডবরা যোগবলের দ্বারা শক্তি সেনা তৈরি হচ্ছে। সুতরাং তোমরা বাচ্চারা এখন জানো শিববাবা প্র্যাকটিক্যালী ব্রহ্মার শরীরে প্রবেশ করেছেন। ঐ নিরাকার শিবের মন্দিরও আছে। শিবরাত্রি পালন করা হয়, গভর্নমেন্ট শিব জয়ন্তীর দিন ছুটিও ঘোষণা করেছে। অন্যান্যদের জয়ন্তীও উদযাপন করে থাকে। ধর্মের শক্তি তো নেই সেইজন্যই অনৈতিক, বেআইনি ও দেউলিয়া হয়ে গেছে। না পিউরিটি, না পিস,না প্রসপারিটি কিছুই নেই। এই ভারতেই ৫ হাজার বছর আগে যখন স্বর্ণযুগ ছিল তখন পবিত্রতা, শান্তি, সম্পদ ছিল। কখনও অকালে মৃত্যু হতো না। ভারতের মতো উঁচু সম্পত্তিবান আর কেউ হতে পারে না। ভারত খন্ড হচ্ছে সবচাইতে উচ্চ। তার ইতিহাসও আছে। এই ভারতই পবিত্র হয় এবং পতিতও এই ভারতই হয়। আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্মাবলম্বীরাই সম্পূর্ণ চক্র ঘুরে শুদ্র বর্ণের হয়ে যায়। পুনরায় শুদ্র বর্ণ থেকে এখন ব্রাহ্মণ বর্ণে এসেছ। দেবতাদের থেকেও ব্রাহ্মণ উচ্চ শিখরে বলা হয়। সত্যযুগে দেবতাদের যে মহিমা, সেটা বাবার মহিমা থেকে আলাদা। বাবাকে বলা হয় জ্ঞানের সাগর, আনন্দের সাগর, আর দেবতাদের বলা হয় সর্বগুণসম্পন্ন ... ওখানে বিকারের কোনও প্রশ্নই আসে না। শাস্ত্রে তো অনেক কাহিনী তৈরি করে লেখা হয়েছে কৃষ্ণপুরীতে কংস, রাবণ ইত্যাদি ছিল। বাস্তবে এই সময়েই কংসপুরী। সত্যযুগে হবে কৃষ্ণপুরী। এখন সঙ্গম যুগ সেইজন্যই ওরা কংস, জরাসন্ধ, রাবণ এদেরকে সত্যযুগের দেবতাদের সাথে জুড়ে দিয়েছে। এখন হচ্ছে আসুরি রাবণ সম্প্রদায়। এখন তোমরা ঈশ্বরীয় সম্প্রদায়ের হয়েছ। ঈশ্বরীয় কোলে এসে তোমরা পবিত্র হয়ে তারপর ২১ জন্মের জন্য দৈবী কুলে যাও। ৮ জন্ম দৈবী কুলে তারপর ১২ জন্ম ক্ষত্রিয় কুলে যাও। ভারতের জন্যই গায়ন আছে যে - কন্যা হল তারাই যারা ২১ কুলকে উদ্ধার করে। সুতরাং তোমরা হলে সেই কুমারী।

এখন তোমরা ঈশ্বরীয় কুলের হয়েছ। শিববাবা দাদা এবং ব্রহ্মা হলেন বাবা। তোমরা হলে ব্রহ্মাকুমার কুমারী। উত্তরাধিকার অসীম জগতের পিতাই দেন। তিনি হলেন নিরাকার। তিনি এসে রাজযোগ কীভাবে শেখাবেন ? নর থেকে নারায়ণ করে তোলার জন্য অবশ্যই সাকার শরীর প্রয়োজন। সুতরাং এই পতিত শরীরে আসেন যিনি ৮৪ জন্ম সম্পূর্ণ করেছেন। এ হল একটা বড়সড় ইউনিভার্সিটি। যেখানে গড বসে রাজযোগ শেখান, রাজারও রাজা করে তুলতে। গীতার রচয়িতা কৃষ্ণ নয়। গীতা মাতাই কৃষ্ণের জন্ম দিয়েছেন। যারা দেবতা হয়েছে তাদের জন্ম হয়েছে শিববাবা দ্বারা। ক্রিশ্চানদের জন্ম হয়েছে বাইবেলের ক্রাইস্টের দ্বারা। তোমাদেরও ব্রাহ্মণ থেকে দেবতা কে করেছেন ? শিববাবা করেছেন ব্রহ্মার মুখের দ্বারা। এখন তোমাদের অসীম জগতের সন্ন্যাস। ওরা হচ্ছে হদের (সীমিত) রজোগুণী সন্ন্যাস। ওরা নিবৃত্তি মার্গের সন্ন্যাস। এই পুরানো ছিঃ ছিঃ দুনিয়ার প্রতি তোমাদের বৈরাগ্য এসেছে। তোমরা জানো এই দুনিয়া এখন শেষ হওয়ার মুখে। তবে কেন আমরা স্বর্গের রচয়িতা বাবাকে স্মরণ করব না! বাবা বলেন প্রিয় বাচ্চারা, তোমরা অনেক জন্মের পরে এসে মিলিত হয়েছ। তোমরা ৮৪ জন্ম সম্পূর্ণ করেছ। এখন তোমাদের আবার দেবতা বর্ণে যেতে হবে। এতে খুব সংযমী হতে হবে, অশুদ্ধ খাবার খাওয়া যাবে না। বাবা বলেন সঙ্গম যুগে আমি আসি পূতিগন্ধময় পোশাক পবিত্র করে তোলার জন্য। মৃত্যু সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এই সময় যাদব, কৌরব, পান্ডবও আছে তবে নিশ্চয়ই পান্ডব-পতিও থাকবেন। পান্ডব-পতি বা পিতা পরমাত্মাকে বলা হয়। তোমরা হলে পান্ডব। তোমরা সবাইকে সুখধাম, শান্তি ধামের পথ বলে দাও, সেইজন্য তোমাদেরকে পান্ডব শিব শক্তি সেনা বলা হয়। ইউরোপবাসী যাদবরা তো নিজেদের কুলকেই ধ্বংস করে ফেলে। ভারতে আছে পান্ডব এবং কৌরব যাদের জন্য বলা হয় অসুর আর দেবতাদের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল। তোমরা এখন তো দেবতা নও, হতে হবে। শ্রীমতের দ্বারা তোমরা স্বর্গের মালিক হও। আর সবাই আসুরিক রাবণ মতে চলে। অর্ধকল্প ধরে রাবণের মত চলে। এখন সম্পূর্ণ দুনিয়া তমোপ্রধান হয়ে গেছে। এ হলো রুদ্র জ্ঞান যজ্ঞ, যেখানে বাবা বসে রাজযোগ শেখাচ্ছেন। যখন রাজত্ব স্থাপন হয়ে যায় তখনই বিনাশের অগ্নি প্রজ্জ্বলিত হয়, এই জ্ঞান প্রায় লুপ্ত হয়ে যায়। তারপর ড্রামা অনুসারে ভক্তি মার্গে যা কিছু শাস্ত্র আছে, সেগুলো বের হতে থাকবে। সন্ন্যাসীদের অনেক ফলোয়ার্স হবে। সবাই পাপ ধোয়ার জন্য গঙ্গায় যায়। গঙ্গা নদী কাউকে পবিত্র করতে পারে না। গঙ্গা তো সাগর থেকে নির্গত হয়েছে। তোমরা হচ্ছ জ্ঞান গঙ্গা, যারা জ্ঞানের সাগর থেকে বেরিয়েছ। গঙ্গা কখনও পতিত-পাবনী হতে পারে না। বাচ্চাদের ভক্তির ফল অনন্ত সুখের উত্তরাধিকার দিতে এসেছি। যারা বাবার কাছে এসে পঠন-পাঠন করবে তারাই স্বর্গে যাবে, বাকি আত্মারা সবাই নিজ-নিজ বিভাগে চলে যাবে। এই ড্রামার চক্রকে বুঝতে হবে। চক্রকে জানলে তোমরা চক্রবর্তী রাজা হতে পার। গভর্নমেন্টেরও চক্র রয়েছে। ৩ টি সিংহ দেখিয়ে নিচে লিখেছে সত্যমেব জয়তে।

এখন শিববাবা তোমাদের অর্থাৎ সমস্ত পার্বতীদের অমরকথা শোনাচ্ছেন অমরপুরীর মালিক বানানোর জন্য। একেই সত্যনারায়ণ কথা বা অমরকথা বলা হয়। এই কথা একবার শুনেই তোমরা স্বর্গের মালিক হয়ে যাও তোমরা । বাকি তো সব দন্ত কথা। আচ্ছা!

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১) দেবতা বর্ণে যাওয়ার জন্য ভোজনের প্রতি সংযমী হতে হবে। কোনোরকম অশুদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত নয়।

২ ) এই পুরানো ছিঃ ছিঃ দুনিয়া, যা শেষ হতে চলেছে, এর প্রতি অসীম বৈরাগ্য রেখে স্বর্গের রচয়িতা বাবাকে স্মরণ করতে হবে।

বরদান:-
নিজের শক্তি বা গুণ গুলির দ্বারা নির্বলকে শক্তিশালী করে তুলতে সমর্থ শ্রেষ্ঠ দানী বা সহযোগী ভব

শ্রেষ্ঠ স্থিতি সম্পন্ন সুপুত্র বাচ্চারা সর্ব শক্তি আর সর্ব গুণের দ্বারা সময় অনুযায়ী সদা সহযোগী হয়। তাদের সেবার বিশেষ স্বরূপ হলো ‐- বাবার দ্বারা প্রাপ্ত গুণ আর শক্তি অজ্ঞানী আত্মাদের দান করা এবং ব্রাহ্মণ আত্মাদের সহযোগ দেওয়া। নির্বলকে শক্তিশালী করে তোলা এটাই শ্রেষ্ঠ দান বা সহযোগ। যেমন বাণীর দ্বারা বা মনসা দ্বারা সেবা করো তেমনই প্রাপ্ত করা গুণ আর শক্তির সহযোগ অন্য আত্মাদেরও দান করো, ওদেরকেও প্রাপ্তি করাও।

স্লোগান:-
দৃঢ় নিশ্চয়ের দ্বারা যে ভাগ্যকে নিশ্চিত করে দেয় সে-ই সবসময় নিশ্চিন্ত থাকে।