০৭-০১-১৯ প্রাতঃ মুরলি ওম্ শান্তি বাপদাদা" মধুবন


"মিষ্টি বাচ্চারা -- মনুষ্য দেহের উন্নতির ব্যবস্থা করতে, আত্মার উন্নতি বা উত্তরণের সাধন বাবা-ই বলে দেন - এটা বাবারই রেস্পন্সিবিলিটি"

প্রশ্ন:-

বাচ্চাদের সর্বদা উন্নতি হোক এর জন্যে বাবা কোন্ শ্রীমৎ দেন ?

উত্তর:-

বাচ্চারা, নিজের উন্নতির জন্য ১. সদা স্মরণের যাত্রা করো। স্মরণের দ্বারা-ই আত্মার মরচে দূর হবে। ২. কখনও অতীতকে স্মরণ করবে না এবং ভবিষ্যতের জন্যে কোনো আশা রাখবে না। ৩. জীবনধারণের জন্য কাজকর্ম করো কিন্তু যদি সময় পাও তবে সময় নষ্ট না করে বাবার স্মরণে সময় সফল করো। ৪. কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঈশ্বরীয় সেবা করো তাহলে তোমাদের উন্নতি হতে থাকবে ।

ওম্ শান্তি ।

রূহানী বাবা বসে রূহানী বাচ্চাদের অর্থাৎ আত্মাদের বোঝাচ্ছেন, মানুষ বলে আত্মার রেস্পন্সিবিলিটি হল পরমাত্মার। তিনি-ই সকল আত্মাদের উন্নতি এবং মনের শান্তির পথ বলে দিতে পারেন। আত্মা বাস করে ভ্রুকুটির মধ্যে সবার থেকে নির্লিপ্ত। প্রায়শই রোগ হয় শরীরে। এখানে ভ্রুকুটিতে নয়। যদিও মাথায় ব্যথা হবে কিন্তু যেখানে আত্মার আসন আছে সেখানে কোনো কষ্ট হবে না, কারণ সেই আসনে আত্মা বিরাজিত থাকে। এবারে আত্মার উন্নতি অথবা শান্তি প্রদান করেন যে সার্জেন তিনি হলেন একমাত্র পরমাত্মা। যখন আত্মার উন্নতি হয় তখনই আত্মা হেল্থ ওয়েল্থ প্রাপ্ত করে। শরীরের জন্যে যতই করো কোনো উন্নতি হবে না। শরীরে কিছু না কিছু সমস্যা তো থাকবেই। আত্মার উন্নতি তো বাবা ব্যতীত কেউ করতে পারেনা। অন্য সবাই দুনিয়ায় শরীরের উন্নতির ব্যবস্থা করে, তাতে আত্মার উত্তরণ কলা বা উন্নতি হয়না। সে তো বাবাই শেখান। সবকিছুই আত্মার উপর নির্ভর করছে। আত্মা-ই ১৬ কলা সম্পূর্ণ হয় তারপরে আত্মা একেবারে কলা বিহীন হয়ে যায়। ১৬ কলা হয় আবার কলা বা গুণ কম কিভাবে হয়, সে কথাও বাবা বোঝান। বাবা বলেন সত্যযুগে তোমাদের অনেক সুখ ছিল। আত্মা উত্তরণ কলায় ছিল অন্য সৎসঙ্গে আত্মার উন্নতি কিভাবে হবে - সেই কথা বোঝানো হয় না। তারা দেহের নেশায় থাকে। দেহ-অভিমান আছে, বাবা তোমায় দেহী-অভিমানী করেন। আত্মা যে তমোপ্রধান হয়েছে তাকে সতোপ্রধান করতে হবে। এখানে সবই হল অলৌকিক (রূহানী) কথা। সেখানে হল দৈহিক কথা। সার্জেন একটি হার্ট বের করে অন্যটি লাগিয়ে দেয়। তাদের আত্মার সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ নেই। আত্মা তো ভ্রুকুটি তে বাস করে, তার অপারেশন ইত্যাদি হয় না।



আচ্ছা বাবা বোঝান যে আত্মার উন্নতি তো একবারই হয়। আত্মা যখন তমোপ্রধান হয়ে যায় তখন আত্মার উন্নতি করতে বাবা আসেন। বাবা ব্যতীত কোনো আত্মার উত্তরণ কলা হতে পারেনা। বাবা বলেন এই ছিঃ ছিঃ তমোপ্রধান আত্মারা আমার কাছে আসতে পারে না। তোমাদের কাছে যখন কেউ এসে বলে শান্তি কিভাবে পাওয়া যাবে অথবা উন্নতি কিভাবে হবে ? কিন্তু সে কথা কেউ জানে না যে উন্নতির পরে আমরা কোথায় যাব, কি হবে ? আহ্বান করে পতিত থেকে পবিত্র করো। জীবনমুক্তি ধামে নিয়ে চলো। অর্থাৎ আত্মাদেরই নিয়ে যাবে তাইনা। শরীর তো এখানেই শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এই কথা কারো বুদ্ধিতে নেই। এই হল ঈশ্বরীয় মতামত। বাকি ঐ সব হল মানব মত। ঈশ্বরীয় মতামতের আধারে একদম আকাশে উঠে যাও - শান্তিধাম, সুখধামে। তারপরে ড্রামা অনুযায়ী নীচে নামতেও হবে। আত্মার উন্নতির জন্যে বাবা ব্যতীত অন্য কেউ সার্জেন নেই। সার্জেন আবার তোমাদের নিজ সমান তৈরি করেন। কেউ অন্যদের খুব ভালো উন্নতি করে, কেউ মিডিয়াম, কেউ থার্ড ক্লাস উন্নতি করে অন্যদের। আত্মাদের উন্নতির দায়িত্ব একমাত্র বাবার। দুনিয়ায় এই কথা কারো জানা নেই। বাবা বলেন এই সাধু সন্ন্যাসী ইত্যাদিদের উদ্ধার করতে আমি আসি। প্ৰথমে আত্মা যখন আসে তখন পবিত্র-ই আসে। এখন বাবা এসেছেন সবার উন্নতি করতে। নম্বর অনুযায়ী পুরুষার্থ অনুসারে তোমাদের দেখো কত উন্নতি হয়ে যায়। সেখানে তোমরা ফার্স্ট ক্লাস শরীরও প্রাপ্ত কর।বাবা হলেন অবিনাশী সার্জেন। তিনি এসে তোমাদের উন্নতি করেন। ফলে তোমরা উঁচু থেকে উঁচু নিজের সুইট হোমে ফিরে যাবে। তারা চাঁদে যায়। অবিনাশী সার্জেন তোমাদের উন্নতির জন্যে বলেন মামেকম্ স্মরণ করো তো বিকর্ম বিনাশ হবে। বাবা বিশ্বের বাচ্চাদের লিবারেট করেন অর্থাৎ উদ্ধার করেন। যখন তোমরা স্বর্গে যাবে তখন সবাই শান্তিধামে থাকবে। বাবা কত ওয়ান্ডারফুল কাজ করেন। বাবার তুলনা নেই ! তবেই বলা হয় তোমার গতি তুমিই জানো। আত্মাতে মত আছে, আত্মা পৃথক হলে মত প্রাপ্ত হতে পারে না। ঈশ্বরীয় মত দ্বারা উত্তরণ কলা, মনুষ্য মত দ্বারা অবনমন কলা - এও ড্রামায় ফিক্স আছে। তারা ভাবে এখন স্বর্গের নির্মাণ হয়েছে। ভবিষ্যতে জানতে পারবে যে এইটি নরক না স্বর্গ। ভাষা নিয়ে কত হাঙ্গামা করে। দুঃখে আছে কিনা। স্বর্গে তো দুঃখ হয়না। ভূমিকম্পও হবে না। এখন পুরানো দুনিয়ার বিনাশ হবে তারপরে স্বর্গে পরিণত হবে। তারপরে অর্ধকল্প পরে সেইটিও লুপ্ত হয়। বলা হয় দ্বারকা সাগরের নীচে চলে গেছে। সোনার জিনিস নীচে চাপা পড়ে গেছে। তাহলে অবশ্যই ভূমিকম্পের দ্বারা নীচে যাবে। সমুদ্রের নীচে থেকে নিশ্চয়ই খুঁড়ে বের করা হবেনা। ভূমি খনন করা হয়, সেখান থেকে জিনিস বের হয়।



বাবা বলেন আমি সকলের উপকার করি। আমার সবাই অপকার করে, অপশব্দ বলে। আমি তো অপকারীরও উপকার করি, তাই আমার অবশ্যই মহিমা হওয়া উচিত। ভক্তি মার্গে দেখো কত মান। তোমরা বাচ্চারাও বাবার কত মহিমা কর। চিত্রে ৩২- টি গুণ দেখানো হয়েছে। এখন তোমরাও বাবার মতন গুণবান হচ্ছ তাহলে কত পুরুষার্থ করা উচিত। সময় নষ্ট করা উচিত নয়। সর্বোচ্চ পিতা পড়াচ্ছেন তাই রোজ অবশ্যই পড়া উচিত। ইনি হলেন অবিনাশী পিতা, টিচার, যারা পরে আসছে তারা পুরনোদের থেকে তীক্ষ্ণ যেতে পারে। এখন সম্পূর্ণ দুনিয়ার উন্নতি হচ্ছে - বাবার সাহায্যে। শ্রীকৃষ্ণ কেও গুণবান করেন বাবা, সবাইকে দান করেন। বাকিরা সবাই প্রাপ্ত করে। এই বংশ বিস্তার হচ্ছে - নম্বর অনুযায়ী পুরুষার্থ অনুসারে। বেহদের বাবা দেখো কত মিষ্টি এবং কত প্রিয়। উঁচু থেকে উঁচু বাবার দ্বারা সবার উন্নতি হচ্ছে। বাকি তো সবাইকে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামতে হবে। বাবা হলেন অতুলনীয়। খাও দাও সবকিছু কর শুধুমাত্র বাবার গুণ গাও। এমন নয় বাবার স্মরণে থাকলে খাওয়া হবেনা। রাত্রে অনেক সময় থাকে। ৮ ঘন্টা তো সময় থাকে। বাবা বলেন কমপক্ষে ৮ ঘন্টা এই গভর্নমেন্টের সার্ভিস করো। যে আসবে তাকে আত্মার উন্নতির পথ বলো। জীবনমুক্তি অর্থাৎ বিশ্বের মালিক ও মুক্তি অর্থাৎ ব্রহ্মাণ্ডের মালিক। এই কথা বোঝানো তো সহজ তাইনা। কিন্তু ভাগ্যে না থাকলে কি আর উপায় করবে।



বাবা বোঝান বাবার স্মরণ ব্যতীত আত্মার মরচে মিটবে না। যদিও সারা দিন জ্ঞান শোনাও কিন্তু আত্মার উন্নতির উপায় স্মরণ ছাড়া সম্ভব নয়। বাবা বাচ্চাদের ভালোবেসে প্রতিদিন বোঝান কিন্তু নিজের উন্নতি করবে বা করবেনা, সে তো প্রত্যেকে নিজেরা বুঝতে পারবে। এই কথা শুধু তোমরা শোনো না সব সেন্টারের বাচ্চারা শোনে। এই টেপ রাখা আছে। এইটিও নিজের ভিতরে রেকর্ড করে যায় - সার্ভিসে। এইটি অনেক সার্ভিস করে। বাচ্চারা বোঝে আমরা শিববাবার মুরলী শুনছি। তোমাদের মুখে শুনলে ইনডাইরেক্ট(অপ্রত্যক্ষ) হয়ে যায় তখন এখানে আসে ডাইরেক্ট শুনবার জন্যে। তখন বাবা ব্রহ্মা মুখ দ্বারা শোনান অথবা মুখ দ্বারা জ্ঞান অমৃত প্রদান করেন। এই সময় দুনিয়া তমো প্রধান হয়েছে তাই জ্ঞান বর্ষার প্রয়োজন আছে। জল বিন্দুর বৃষ্টি তো অনেক হয়। জল দিয়ে কেউ পবিত্র হতে পারেনা। এই হল সম্পূর্ণ জ্ঞানের কথা।



বাবা বলেন এখন জাগো, আমি তোমাদের শান্তিধামে নিয়ে যাই। আত্মার উন্নতিও এতেই হয়, বাকি সবই হল দৈহিক কথা। রূহানী কথা শুধুমাত্র তোমরাই শোনো। পদমপতি, ভাগ্যশালী শুধুমাত্র তোমরাই হও। বাবা হলেন গরিব নিবাজ অর্থাৎ দীন নাথ। গরীবরা শোনে, তবেই বাবা বলেন অহল্যা, গণিকাদের বোঝাও। সত্যযুগে এমন কথা হয় না। ঐ হল বেহদের শিবালয়। এখন হল বেহদের বেশ্যালয়, একেবারেই তমোপ্রধান। এতে বিশেষ মার্জিন নেই। এখন এই পতিত দুনিয়াকে চেঞ্জ হতেই হবে। ভারতে রাম রাজ্য ও রাবণ রাজ্য তো হয়। যখন অনেক ধর্ম হয় তখন অশান্তি হয়। যুদ্ধ তো লেগেই থাকে। এবার তো খুব জোরে যুদ্ধ লাগবে। কঠিন যুদ্ধ লেগে বন্ধ হয়ে যাবে কারণ রাজত্ব স্থাপন হয়ে, কর্মাতীত অবস্থা হবে। এখন তো কেউ বলতে পারেনা। সেই অবস্থা হলে পড়াশোনা পূর্ণ হবে। তখন ট্রান্সফার হয়ে যাবে - নিজের পুরুষার্থ অনুসারে। এই পুরানো দুনিয়ায় তো আগুন লাগবে। অতি শীঘ্রই বিনাশ হবে। তাকে রক্তের খেলা বলা হয়। সবার মৃত্যু হবে। রক্তের নদী বইবে। তারপরে ঘি দুধের নদী বইবে। হাহাকার থেকে জয়জয়কার হবে। বাকিরা সবাই অজ্ঞান নিদ্রায় ঘুমিয়ে থেকেই শেষ হয়ে যাবে। খুব যুক্তি সহকারে স্থাপনা হয়। বিঘ্ন আসবে, অত্যাচারও হবে। এখন মাতাদের দ্বারা স্বর্গের দ্বার খোলে। যদিও পুরুষও অনেক আছে কিন্তু মাতা হল জন্মদায়িনী তাই পুরুষদের থেকে বেশি গুরুত্ব প্রাপ্ত করে। স্বর্গে তো নম্বর অনুসারে সবাই যাবে কেউ দুই জন্ম পুরুষের ধারণ করে, হিসেব নিকেশ যা কিছু ড্রামা নির্দিষ্ট (ফিক্স) রয়েছে তাই হয়। আত্মার উন্নতি হলে কত তফাৎ হয়ে যায়। কেউ তো একদম হাইয়েস্ট হয় কেউ একেবারে লোয়েস্ট। কোথায় রাজা তো কোথায় প্রজা।



মিষ্টি মিষ্টি বাচ্চাদের বাবা বোঝান এখন পুরুষার্থ করো। যোগের দ্বারা পবিত্র হও তবে ধারণা হবে। লক্ষ্য খুব উঁচুতে আছে। নিজেকে আত্মা ভেবে ভালোবেসে বাবাকে স্মরণ করতে হবে। পরমাত্মার সঙ্গে আত্মার ভালোবাসা আছে তাইনা। এ হল অলৌকিক (রূহানী) ভালোবাসা, যার দ্বারা আত্মার উন্নতি হয়। দৈহিক ভালোবাসার দ্বারা পতন হয়। ভাগ্যে না থাকলে ভাগন্তি হয়ে যায় অর্থাৎ পালিয়ে যায়। যজ্ঞের রক্ষণাবেক্ষণের কাজে খুব সাবধানতা চাই। মাতাদের পাই পয়সা দিয়ে যজ্ঞের সার্ভিস করা হচ্ছে। এখানে গরীব-ই ধনী হয়। সমস্ত কিছু নির্ভর করছে পড়াশোনার উপরে। তোমরা এখন সদা সৌভাগ্য বতী হও - সবার এই রকম অনুভূতি হয়। মালার পুঁতি যারা হয় তাদের খুব ভালো অনুভূতি হওয়া চাই। শিববাবা কে স্মরণ করতে করতে সার্ভিস করতে থাকো তাহলে অনেক উন্নতি হতে পারে। শিববাবার সার্ভিসে শরীরও সমর্পণ করা উচিত। সারা দিন যেন নেশা থাকে - এইটি মাসির বাড়ি নয়। দেখতে হবে আমরা নিজের কত উন্নতি করেছি। বাবা বলেন - অতীত কে স্মরণ করবে না। ভবিষ্যতের জন্যে কোনো আশা রেখো না। জীবন নির্বাহের উদ্দেশ্যে কর্ম তো করতে হবে। যখন সময় পাবে তখন বাবাকে স্মরণ করো তো বিকর্ম বিনাশ হবে। বাবা যারা বন্ধনে রয়েছে (বাঁধেলিদের) বোঝান যে তোমরা নিজের যুগলকে খুব নম্র হয়ে ভালোবেসে বোঝাও, মারধর করলে তাদের উপরে ফুলের বর্ষা করো। নিজেদের রক্ষা করার অনেক যুক্তি চাই। শীতল চোখ হওয়া উচিত। কখনো যেন নড়চড় না হয়। এই পয়েন্টে অঙ্গদের দৃষ্টান্ত দেওয়া হয়েছে, অটল ছিল। তোমরা সবাই হলে মহাবীর, যা কিছু পাস্ট হয়েছে সেসব স্মরণ করবে না। সর্বদা খুশীতে থাকতে হবে। ড্রামায় অটল থাকতে হবে। বাবা নিজেই বলেন আমিও ড্রামার বন্ধনে আবদ্ধ। আর কোনো কথা নেই। কৃষ্ণের জন্যে লেখা আছে স্বদর্শন চক্র দিয়ে মেরেছেন। এইসবই হল কাহিনী। বাবা হিংসা তো করতে পারেন না। এই বাবা তো হলেন টিচার, মারের কথা নেই। এইসব কথা হল এখনকার। একদিকে অনেক মানুষ আছে অন্য দিকে আছো তোমরা, যাদের আসার হবে তারা আসবে। কল্প পূর্বের মতন পদের অধিকারী হবে। এতে কোনো চমৎকার নেই। বাবা হলেন দয়ালু , দুঃখ হর্তা সুখ কর্তা, তাহলে দুঃখ দেবেন কিভাবে। আচ্ছা !



মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা পিতা, বাপদাদার স্মরণ স্নেহ ও গুডমর্নিং। রূহানী বাবার রূহানী বাচ্চাদেরকে নমস্কার।

ধারণার জন্যে মুখ্য সার :-

১. কমপক্ষে (মিনিমাম) ৮ ঘন্টা ঈশ্বরীয় গভর্নমেন্টের সার্ভিস করে নিজের সময় সফল করতে হবে। বাবার মতন গুণ সম্পন্ন হতে হবে।

২. যা অতীতে ঘটে গেছে সেসব স্মরণ করবে না। অতীতকে (পাস্ট) অতীত করে সর্বদা খুশীতে থাকতে হবে। ড্রামার পয়েন্টে অচল থাকতে হবে।

বরদান:-

নিশ্চিত বিজয়ের নেশায় থেকে বাবার পদমগুণ সাহায্য প্রাপ্তকারী মায়াজিত ভব

বাবার পদমগুণ সাহায্যের যোগ্য পাত্র বাচ্চারা মায়ার আক্রমণকে চ্যালেঞ্জ করে যে মায়া তোমার কাজ হল আসা আর আমাদের কাজ হল বিজয়ী হওয়া। তারা মায়ার সিংহ রূপকে পিপীলিকা ভাবে কারণ তারা জানে যে এই মায়ার রাজ্য এখন শেষ হবে, আমরা অনেক বারের বিজয়ী আত্মা, আমাদের বিজয় ১০০% নিশ্চিত। এই নিশ্চিত ভাবের নেশা বাবার পদমগুণ সাহায্যের অধিকার প্রাপ্ত করায়। এই নেশায় তোমরা সহজেই মায়াজিত হয়ে যাও।

স্লোগান:-

সঙ্কল্প শক্তি জমা করে নিজের প্রতি ও বিশ্বের প্রতি এর প্রয়োগ করো ।