০৮-০১-১৯ প্রাতঃমুরলী ওম্ শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


"মিষ্টি বাচ্চারা - পবিত্র হওয়ার জন্য স্মরণের যাত্রা অত্যন্ত অপরিহার্য, এটাই হল মুখ্য বিষয় (সাবজেক্ট), এই যোগবলের দ্বারা তোমরা সেবার উপযুক্ত (সার্ভিসেবেল) চরিত্রবান হতে পার"

প্রশ্ন:-

তোমরা বাচ্চারা যে যোগ শিখছ তা হল সব থেকে অনুপম - কীভাবে ?

উত্তর:-

আজ পর্যন্ত যে সমস্ত যোগ শিখেছ বা শেখানো হয়েছে তাতে মানুষের সাথে মানুষের যোগ জুড়েছে । কিন্তু এখন আমরা নিরাকারের সাথে যোগ করি। নিরাকার আত্মা নিরাকার বাবাকে স্মরণ করে - এটা হল সব থেকে অনুপম ব্যাপার। পৃথিবীতে কেউ ভগবানকে স্মরণ করলেও তাঁর পরিচয় না জেনে করে। কর্তব্য-কর্ম (অক্যুপেশন) ছাড়া কাউকে স্মরণ করা এটা হল ভক্তি। জ্ঞানবান বাচ্চারা পরিচয়ের সাথে স্মরণ করে।

ওম্ শান্তি ।

আত্মাদের বাবা (রুহানী বাবা) বসে বাচ্চাদেরকে বোঝাচ্ছেন। বাচ্চারা সবার প্রথম তো বাবার পরিচয় পেয়েছে। ছোট বাচ্চা জন্ম নিলে সবার প্রথমে মা বাবার পরিচয় পায়। তোমাদের মধ্যেও যাদের রচয়িতা বাবার পরিচয় প্রাপ্ত হয়েছে তা হল নম্বর অনুযায়ী, পুরুষার্থ অনুসারে। বাচ্চারা এটাও জানে উচ্চতমের চেয়েও উচ্চ হলেন বাবা-ই, ওঁনারই মহিমা বলতে হবে। মহিমা গাওয়াও হয় শিবায় নমঃ, ব্রহ্মা নমঃ, বিষ্ণু নমঃ- শোভনীয় হয় না। শিবায় নমঃ শোভনীয় হয় । ব্রহ্মা দেবতা নমঃ, বিষ্ণু দেবতা নমঃ এরকম শব্দ শোভনীয় হয়। তাদের দেবতা বলা হবে। উচ্চতমের চেয়েও উচ্চ হলেন ভগবান। কেউ যখন আসবে তখন সবার প্রথমে বাবার মহিমা অবশ্যই শোনাতে হবে। উনি হলেন সুপ্রীম (সর্বশ্রেষ্ঠ) বাবা। বাচ্চারা ভুলে যায় যে বাবার মহিমা কিভাবে বিবৃত করবে। প্রথমে তো এটা বোঝাতে হবে যে উনি হলেন সুপ্রীম বাবা, টিচারও, এমনকি সদ্গুরুও। এই তিনকেই স্মরণ করতে হবে। আসলে শিববাবাকেই স্মরণ করতে হবে- তিন রূপে। এটা তো সুনিশ্চিত করতে হবে। তোমরা বাবার মহিমা জানো, তারপর তো করো।তারা তো উচ্চতমের চেয়েও উচ্চ বাবাকে নুড়ি-পাথরের মধ্যেও তাঁর অবস্থান বলে দিয়েছে। মানুষের ভিতরেও বলে দেয় কিন্তু তিনি তো মানবদেহেও সর্বদা থাকতে পারেন না। তিনি তো শুধুমাত্র লোন নেন। তিনি স্বয়ং বলেন আমি এনার দেহের আধার নিয়ে থাকি। তাই প্রথমত সুনিশ্চিত করতে হবে যে বাবা হলেন সত্য। উনিই সত্য নারায়ণের কথা শোনান। নর থেকে নারায়ণ তৈরী করেন সত্য বাবা। সত্যযুগে এই লক্ষ্মী-নারায়ণেরই রাজত্ব ছিল। তারা কি ভাবে হল ? কে তাদের তৈরী করেছিল? কবে কথা শুনিয়েছিলেন ? কবে রাজযোগ শিখিয়েছিল ? এই সব তোমরা এখন বুঝতে পারো। এই জগতে সব যোগ হয় মানুষের সাথে মানুষের। এরকম হয় না যে মানুষের যোগ হবে নিরাকারের সাথে, সেটাও তাঁর পরিচয় জেনে। আজকাল যদিও বা শিবের সাথে যোগ যুক্ত হয়, পূজো করে কিন্তু ওঁনাকে কেউ জানে না। এটাও বোঝে না যে প্রজাপিতা ব্রহ্মা অবশ্যই সাকার দুনিয়াতেই হবে। বিহ্বল হয়ে থাকে। ভাবে প্রজাপিতা ব্রহ্মা তো সত্যযুগের সর্ব প্রথমে থাকবেন। যদি সত্যযুগে প্রজাপিতা ব্রহ্মা হবেন তবে আবার সূক্ষ্মবতনে কেন দেখানো হয়? মানুষ অর্থ বোঝে না। এই সাকার ব্রহ্মা হল কর্মবন্ধনে, ওই সূক্ষ্ম ব্রহ্মা হল কর্মাতীত। এই জ্ঞান কারোর মধ্যেই নেই। জ্ঞান দেওয়ার জন্য এক বাবা-ই আছেন। উনি এসে যখন জ্ঞান দেন তাহলে তোমরা দ্বিতীয় কাউকে শোনাও। কাউকে বাবার পরিচয় দেওয়া খুব সহজ।অল্ফ (বাবার)-এর উপরেই বোঝাতে হবে। ইনি হলেন সব আত্মাদের অনন্তের বাবা। কাউকে পরিচয় দিতে গেলে কোন কষ্ট নেই। খুব সহজ। তবে সুনিশ্চিত নয়, প্র্যাক্টিস(অভ্যাস) না থাকলে কাউকে বোঝাতে পারবে না। কাউকে জ্ঞান না দিলে তো প্রায় অজ্ঞানী হল। জ্ঞান নেই তো ভক্তি হল না ! দেহ-অভিমান আছে। জ্ঞান হয়ই দেহী-অভিমানী হলে। আমরা হলাম আত্মা, আমাদের বাবা পরমপিতা পরমাত্মার সেই বাবা, টিচার, সদ্গুরুও হন। প্রজাপিতা ব্রহ্মাও তো আছেন। বাবা প্রজাপিতা ব্রহ্মার অক্যুপেশনও বলেছেন। তবে নিজেরও অক্যুপেশন বলেছেন। মানুষেরা তো শিব আর শঙ্করকে মিলিয়ে এক করে দিয়েছে। বলে শঙ্কর চোখ খুললে তো বিনাশ হয়ে যাবে। এখন বিনাশ তো বোম দ্বারা, ন্যাচারাল ক্যালামেটিস দ্বারা হয়। শিব শঙ্কর মহাদেব বলে। এই চিত্র কোথাও যথার্থ নেই। এই সব হল ভক্তি মার্গের চিত্র। ওখানে এইরকম কোনো ব্যাপার নেই। প্রজাপিতা ব্রহ্মাও হলেন দেহধারী। কত শত বাচ্চা আছে। তাই এই সব চিত্র হল পূজোর জন্যই। বাবা বুঝিয়েছেন উনিই (ব্রহ্মা বাবা) এখানে ব্যক্ত (মূলবতনে) আর ওখানে অব্যক্ত (সূক্ষ্মবতনে)। যখন অব্যক্ত হবে হয়ে যাবেন তো ফরিস্তা হয়ে যাবে। অবশ্যই মূলবতন, সূক্ষ্মবতন দুটোই আছে। সূক্ষ্মবতনেও যায়। বাবা বুঝিয়েছেন প্রজাপিতা ব্রহ্মা যিনি হলেন মানুষ আবার উনিই ফরিস্তা হন। আবার ওখানে রাজত্বও দেখানো হয়েছে। সেখানে আবার রাজত্বও করবেন। সূক্ষ্মবতনের চিত্র না হলে তো বোঝানো মুশকিল। বাস্তবে বিষ্ণুর চতুর্ভুজ রূপও নেই। এ হল ভক্তি মার্গের চিত্র। বাবা বোঝান আত্মাকেই পতিত থেকে পবিত্র করা হয়। পবিত্র হয়ে চলে যাবে নিজের ঘরে।আত্মারা নিরাকারী দুনিয়াতে থাকে, এটা হল সাকারী। বাকী সূক্ষ্মবতনের কোনো মুখ্য কাহিনী নেই। সূক্ষ্মবতনের রহস্যও বাবা এখন বোঝান। তাহলে মূলবতন, সূক্ষ্মবতন আর হল স্থূলবতন। তবে প্রথমে বাবার পরিচয় দিতে হবে। ভক্তি মার্গেও বাবাকে হে ভগবান, হে প্রভু বলে। তাকে জানে না। মানুষ প্রায়শই বলে শিব পরমাত্মায় নমঃ, শিব দেবতা কখনো বলে না। ব্রহ্মা দেবতা বলে। শিবকে পরমপিতা পরমাত্মাই বলা হয়। শিব দেবতা কখনো বলে না, শিব পরমাত্মা-ই বলে। ওঁনাকে কি কখনো সর্বব্যাপী বলা যায় ! পতিতকে পবিত্র করার কর্তব্য করবেন, তা কী নুড়ি পাথরে গিয়ে করবেন ? একেই ঘোর অন্ধকার বলা হয়। এটাও ড্রামাতে স্থির হয়ে আছে।



বাবা এসে বোঝান *যদা যদা হি ধর্মস্য* ....কিসের গ্লানি? মানুষ তো শ্লোক শুনে আবার অর্থ শোনায়। এটা তো বাচ্চারা, তোমাদের ওখানে গিয়ে দেখা উচিত। বলা উচিত যে আমি এর অর্থ বোঝাচ্ছি। তারপর তাদের শোনানো দরকার। তারা কি আর বুঝবে যে এ হল বি.কে ! যদিও সাদা ড্রেস, তবুও কি তাতে বি. কে. - র ছাপ লাগানো আছে! তোমরা যে কোনো জায়গায় গিয়ে শুনতে পারো আর বলতে পারো এর অর্থ বলো তো। দেখো সে কি শোনায়। বাকী এই এত সব চিত্র তো বিশদে বুঝতে হবে। এতে প্রচুর জ্ঞান আছে। সাগরকে কালি করো আর জঙ্গলকে কলম...তবুও এর(জ্ঞানের) অন্ত নেই। আবার সেকেন্ডেও এই কথা শোনাও, শুধু বাবার পরিচয় দিতে হবে। এই অনন্তের বাবা হলেন স্বর্গের রচয়িতা। আমরা সবাই ওঁনার বাচ্চারা হলাম ব্রাদার্স। তাহলে আমাদেরও তো স্বর্গের রাজ্য প্রাপ্তি চাই, কিন্তু সবাই প্রাপ্ত করতে পারে না। বাবা আসেনই ভারতে আর ভারতবাসীই স্বর্গের অধিবাসী হয়। আর সবাই পরে আসে। এ তো খুব সহজ, কিন্তু বোঝে না। বাবার তো ওয়ান্ডার (অবাক) লাগে। একদিন গণিকা ইত্যাদিরাও এসে শুনবে। যারা পরে আসবে তারা জ্ঞানে তীক্ষ্ম হয়ে যাবে। ওই সব স্থানে গিয়েও তোমরা কেউ সার্ভিস করতে পারো। অনেকে লজ্জা পায়, দেহ-অভিমান বেশী। বাবা বলেন বেশ্যাদেরও বোঝাতে হবে। ভারতকে অধঃগতিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তারাও দায়ী । এর জন্য চাই প্রধানত যোগবল। সম্পূর্ণভাবে পতিত, পবিত্র হওয়ার জন্য স্মরণের যাত্রা চাই। এখন এই স্মরণের জোর হল কম। কারোর মধ্যে জ্ঞান আছে তো আবার স্মরণ কম আছে। কঠিন বিষয় ডিফিকাল্ট সাবজেক্ট) এটি, এতে যখন পাশ করবে তখন গণিকাদের উদ্ধার করতে পারবে। ভালো ভালো অনুভাবী মাতা-রা বোঝাতে পারবে। কন্যাদের তো অনুভব নেই। মাতা-রা বোঝাতে পারবে। বাবা বলেন পবিত্র হলে তবে বিশ্বের মালিক হবে। পৃথিবীটাই শিবালয় হয়ে যাবে। সত্যযুগকে শিবালয় বলা হয়, সেখানে অপরিমিত সুখ আছে। ওদেরকেও ঐরকম বোঝাও যে বাবা বলেন এখন প্রতিজ্ঞা করো পবিত্র হওয়ার। এরকম পতিতদের পবিত্র করার তলোয়ার খুব ধারালো চাই। এখন হয়তো এর দেরী আছে। যারা বোঝাবে তাদের মধ্যেও নম্বরক্রম রয়েছে । যারা সেন্টারে থাকে, বাবা জানেন সবাই একরস নয়। সার্ভিসে যারা যায় তাদের মধ্যে রাত দিনের পার্থক্য আছে। তবে প্রথমে যখন কাউকে বোঝাবে তখন বাবার পরিচয়ই দাও। বাবার-ই মহিমা করো। এত গুণ বাবার ছাড়া আর কারো হতে পারে না। উনিই গুণবান বানান । বাবা-ই সত্যযুগের স্থাপনা করেন । এখন এটা হল সঙ্গম যুগ, যেখানে তোমরা পুরুষোত্তম হচ্ছো। তোমাদের, অর্থাৎ আত্মাদেরকে তিনি বসে বোঝাবেন ।এটা তো বুঝতে পারো শরীর হলো আত্মারই। কতটা কে বুঝেছে চেহারা দেখলে বোঝা যায়। কেউ খামখেয়ালি স্বভাবের (মুডি) হলে তো চেহারা পুরোই পাল্টে যায়। নিজেকে আত্মা বুঝে বসলে চেহারাতে তা সুন্দর ছাপ থাকবে। এও প্র্যাক্টিস করা হয়। ঘর গৃহস্থতে যারা থাকে তারা অত লাফ দিতে পারবে না, কারণ সংসার প্রতিপালনের জন্য কাজকর্ম তো করতেই হয় তাদের । সম্পূর্ণ অভ্যাস করলে তবে চলতে- ফিরতে, উঠতে-বসতে তারা পরিপক্ক হয়ে উঠবে । স্মরণের দ্বারাই তোমরা পবিত্র হও। আত্মা যত যোগে থাকে তত পবিত্র হয়। সত্যযুগে তোমরা সতোপ্রধান ছিলে তো খুব খুশীতে ছিলে।



এখন সঙ্গমে তোমরা হাসিখুশী আমোদে থাকো, অনন্তের বাবাকে পেয়ে গেলে বাকী আর কি চাই। বাবার কাছে সমর্পিত হতে তো হবে। ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে মুষ্ঠিমেয় কেউ কেউ বেরোয় । বেশিরভাগ গরীব মানুষেরাই এই জ্ঞান গ্রহণ করে, ড্রামাই এরকম তৈরী হয়ে আছে। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। কোটির মধ্যে কেউ বিজয় মালার দানা হবে। বাকী প্রজা তো হবে নম্বর অনুযায়ী। এরপর অনেকে হয়ে যাবে। ধনী গরীব সবাই হবে। এখানে পুরো রাজধানী স্থাপন হচ্ছে। বাকী সবাই নিজের নিজের সেক্শনে চলে যাবে। তাই বাবা বোঝান বাচ্চাদের দৈবী গুণ ধারণ করতে হবে। তোমাদের খাওয়া দাওয়াও যথানুরূপ হতে হবে। তোমাদের এমন আশা করা উচিত নয় যে আমি অমুক ভালো জিনিসটা খাব। এই সব আশা এখন হয়। বাবা বড় বড় বাণপ্রস্থ আশ্রম দেখেছেন। খুব শান্তিতে তারা থাকে। এখানে তো অসীম আধ্যাত্মিক এই সব কথা বাবা শোনান। বেশ্যারা, গণিকারাও এমন - এমন আসবে যারা তোমাদের থেকেও তীক্ষ্ম হয়ে যাবে। খুব ফার্স্ট ক্লাস গীত গাইবে, যা শুনলেই খুশীর পারদ তুঙ্গে উঠে যাবে(যেমন থার্মোমিটারে পারদ সর্বোচ্চ শিখরে ‌ অবস্থান করে) । যখন ঐরকম তলিয়ে যাওয়া কাউকে তোমরা বুঝিয়ে শ্রেষ্ঠ করো তখন তোমাদের নামও অনেক উপরে উঠবে। বলবে এ তো বেশ্যাদেরও এত উচ্চমানের তৈরী করে। নিজেরাই বলবে আমরা শূদ্র ছিলাম, এখন ব্রাহ্মণ হয়েছি, আবার আমরাই দেবতা, ক্ষত্রিয় হব। বাবা প্রত্যেককে বুঝতে পারেন যে এ উন্নতি করতে পারবে কি পারবে না। পরে যারা আসবে তারা এদের থেকেও আগে চলে যাবে। ক্রমশ তোমরা দেখবে। এখনো দেখছো। নতুন বাচ্চাদের মধ্যেও সার্ভিসের বিষয়ে কেমন উৎসাহ রয়েছে । আচ্ছা !

ধারণার জন্য মুখ্য সার:-

১. পতিতকে পবিত্র করার সেবা করো, গণিকাদের, বেশ্যাদের জ্ঞান দাও, যারা নিপতিত তাদেরকে তোলো, তাদের উদ্ধার করো তবে সুনাম হবে।

২. নিজস্ব দৃষ্টিকে পবিত্র করার জন্য চলতে ফিরতে অভ্যাস করো যে আমি হলাম আত্মা, আত্মার সাথে কথা বলি। বাবার স্মরণে থাকলে পবিত্র হয়ে যাবে।

বরদান:-

এক মিনিটের একাগ্র স্থিতি দ্বারা শক্তিশালী অনুভব করার ও করানো একান্তবাসী (এক এর অন্তে থাকা) ভব

একান্তবাসী (এক এর অন্তে থাকা) হওয়া অর্থাৎ যে কোনো একটি শক্তিশালী স্থিতিতে স্থিত হওয়া। বীজরূপ স্থিতিতে স্থিত হয়ে যাও, বা লাইট মাইট হাউসের স্থিতিতে স্থিত হয়ে বিশ্বকে লাইট মাইট (আলো ও শক্তি) দাও, অথবা ফরিস্তার স্থিতি দ্বারা সকলকে অব্যক্ত স্থিতির অনুভব করাও। এক সেকেন্ড বা এক মিনিটও যদি এই স্থিতিতে একাগ্র হয়ে স্থিত হয়ে যাও তো নিজেকে এবং অন্য আত্মাদের অনেক হিত সাধন করতে পারবে। কেবল এর প্র্যাক্টিস (অভ্যাস) চাই।

স্লোগান:-

ব্রহ্মচারী তিনিই, যার প্রত্যেক সংকল্প, প্রত্যেক বাণীতে পবিত্রতার তরঙ্গ মিলিত থাকে।