08.10.2021 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


মিষ্টি বাচ্চারা - এখন বিদেহী হওয়ার প্র্যাক্টিস করো, নিজের এই বিনাশী দেহের প্রতি আসক্তি না রেখে একমাত্র শিববাবাকে ভালোবাসো

প্রশ্নঃ -
এই অসীমের পুরানো দুনিয়ার প্রতি যাদের বৈরাগ্য অনুভব হয় তাদের নিদর্শন কি হবে ?

উত্তরঃ -
তারা এই চোখ দিয়ে যা দেখে - তা দেখেও যেন দেখে না। তাদের বুদ্ধিতে এই জ্ঞান থাকবে যে, এই সব শেষ হয়ে যাবে। এরা সবাই মৃত। আমাদের তো শান্তি ধাম, সুখ ধামে যেতে হবে। তাদের আসক্তি থাকবে না। যোগ যুক্ত থেকে যার সঙ্গে কথা বলবে তাদেরও আকর্ষণ অনুভব হবে । জ্ঞানের নেশায় তারা বুঁদ থাকবে।

গীতঃ-
ওম্ নমঃ শিবায়...

ওম্ শান্তি ।
বাবা বলেন - মিষ্টি বাচ্চারা তোমরা শিববাবাকে জেনেছো। তাহলে এই গান গাওয়া তো ভক্তি মার্গ হল তাইনা। ভক্তি মার্গের মানুষ শিবায় নমঃ বলে, মাতা-পিতাও বলে, কিন্তু জানে না। শিববাবার কাছে স্বর্গের অধিকার প্রাপ্ত হওয়া উচিত। বাচ্চারা, তোমরা তো বাবাকে পেয়েছো, তাঁর কাছে স্বর্গের অধিকার প্রাপ্ত করছো তাই তো বাবাকে স্মরণ করো। তোমরা শিববাবাকে পেয়েছো, দুনিয়ার মানুষ পায় নি। যারা পেয়েছে তারাও সঠিকভাবে চলতে পারে না। বাবার ডাইরেকশন খুবই মধুর, আত্ম-অভিমানী ভব, দেহী-অভিমানী ভব। আত্মাদের সঙ্গেই কথা বলেন। দেহী-অভিমানী পিতা, দেহী-অভিমানী বাচ্চাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তো একজনই। মধুবনে বাচ্চারা তোমাদের সঙ্গে বসে আছেন। তোমরা বাচ্চারা জানো যে , যথাযথভাবে বাবা এসেছেন পড়াতে। এই পড়াশোনা শিববাবা ব্যতীত কেউ পড়াতে পারে না। না ব্রহ্মা, না বিষ্ণু। কেবল বাবা এসে পতিতদের পবিত্র করেন, অমরকথা শোনান। সেসব তো এখানেই শোনাবেন তাইনা। অমরনাথে গিয়ে তো শোনাবেন না। এই হল অমরকথা সত্যনারায়ণের কথা। বাবা বলেন - আমি তোমাদের সব এখানেই শোনাই । যদিও এইসব হল ভক্তিমার্গের পরিশ্রম। সকলের সদ্গতি দাতা রাম হলেন এক নিরাকার । তিনিই হলেন পতিত-পাবন, জ্ঞানের সাগর, শান্তির সাগর। তিনি আসেনই তখন যখন বিনাশের সময় হয়। সম্পূর্ণ জগতের গুরু তো হতে পারেন একমাত্র পরম পিতা পরমাত্মা । তিনি হলেন নিরাকার, তাইনা। দেবতাদেরও মানুষ বলা হয়। কিন্তু তারা দিব্য গুণধারী মানুষ তাই তাদের দেবতা বলা হয়। তোমরা এখন জ্ঞান প্রাপ্ত করেছো। জ্ঞান মার্গে অবস্থা খুব মজবুত রাখতে হবে। যতখানি সম্ভব বাবাকে স্মরণ করতে হবে। বিদেহী হতে হবে। পুনরায় দেহের প্রতি আসক্তি রাখবেই কেন ! বাবা তোমাদের বলেন শিববাবাকে স্মরণ করো তারপরে এনার কাছে এসো। মানুষ তো ভাবে আমরা ব্রহ্মা বাবার (দাদার) সঙ্গে দেখা করতে যাই। এই কথা তো তোমরা জানো যে, শিববাবাকে স্মরণ করে আমরা ব্রহ্মা বাবার সঙ্গে মিলিত হই। সেখানে তো আছে নিরাকারী আত্মারা, বিন্দু স্বরূপ। বিন্দুরা তো মিলিত হতে পারে না। সুতরাং শিববাবার সঙ্গে কীভাবে মিলিত হবে তাই এখানে বোঝানো হয়, হে আত্মারা, নিজেকে আত্মা নিশ্চয় করে বুদ্ধিতে এই জ্ঞান রাখো যে আমরা শিববাবার সঙ্গে মিলিত হই। এই কথাটি খুবই গূহ্য রহস্য, তাইনা। অনেকেরই শিববাবার স্মরণ স্থায়ীভাবে থাকে না। বাবা বোঝান সর্বদা শিববাবাকে স্মরণ করো। শিববাবা তোমাদের সঙ্গে মিলিত হতে আসেন। শুধুমাত্র তোমাদের আপন হয়েছেন। শিববাবা এনার মধ্যে এসে জ্ঞান প্রদান করেন। তিনিও হলেন নিরাকার আত্মা, তোমরাও হলে আত্মা। একমাত্র বাবা ই বাচ্চাদেরকে বলেন মামেকম্ স্মরণ করো। যদিও বুদ্ধি দ্বারা স্মরণ করতে হবে। আমরা বাবার কাছে এসেছি। বাবা এই পতিত দেহে এসেছেন। আমরা সামনে এলেই নিশ্চয় করিয়ে দেন, শিববাবা আমরা আপনার আপন হয়েছি। মুরলীতেও এই কথা শোনো যে - মামেকম্ স্মরণ করো তাহলে তোমাদের বিকর্ম বিনাশ হয়ে যাবে।

তোমরা জানো তিনিই হলেন পতিত-পাবন পিতা। প্রকৃত সত্য সদ্গুরু । এখন পাণ্ডবদের অর্থাৎ তোমাদের হল পরমপিতা পরমাত্মার সঙ্গে প্রীত বুদ্ধি। বাকিদের তো অন্যদের সঙ্গে যুক্ত বিপরীত বুদ্ধি আছে। যারা শিববাবার আপন হয় তাদের খুশীর পারদ ঊর্ধ্বে থাকা উচিত। সময় যত কাছে আসবে, ততই খুশীর অনুভূতি থাকবে। আমাদের ৮৪ জন্ম পূর্ণ হচ্ছে। এখন এই হল অন্তিম জন্ম। আমরা ফিরে যাই নিজের ধামে। এই সিঁড়ির চিত্র খুবই ভালো, এতে ক্লিয়ার আছে। অতএব বাচ্চাদের বুদ্ধি সারা দিন চলা উচিত। চিত্রকার দের অনেক বেশি বিচার সাগর মন্থন করতে হবে, যারা হেড তাদের চিন্তন চলা উচিত। তোমরা তো চ্যালেঞ্জ ক'রো - সত্যযুগী শ্রেষ্ঠাচারী দৈবী রাজ্যে ৯ লক্ষ থাকবে। কেউ বলে এর কি প্রমাণ আছে ? তখন বলো এই কথা তো বুঝতে হবে, তাইনা। সত্যযুগে বৃক্ষ হবে ছোট। ধর্ম থাকবে একটি তাই মানুষের সংখ্যাও হবে কম। সিঁড়িতে সম্পূর্ণ নলেজ এসে যায়। যেমন কুম্ভকর্ণের ছবিটি আছে। এমন তৈরি করা উচিত - বি.কে.রা জ্ঞান অমৃত পান করাচ্ছে, তারা বিষ (বিকার) চাইছে। বাবা মুরলীতে সব রকমের ডাইরেকশন দিতে থাকেন। প্রত্যেকটি চিত্রের বিষয় বস্তু খুবই ভালো। লক্ষ্মী-নারায়ণের চিত্র তুলে বলো - এই ভারত স্বর্গ ছিল, এক ধর্ম ছিল তাই সেখানে মানুষের সংখ্যা কত হবে। এখন কত বিশাল হয়েছে এই বৃক্ষ। এখন বিনাশ হবে। পুরানো সৃষ্টিকে পরিবর্তন করেন একমাত্র পিতা। ৪-৫ টি চিত্র আছে মুখ্য - যার দ্বারা জ্ঞানের তীর বিদ্ধ হবে। ড্রামা অনুসারে দিন-প্রতিদিন জ্ঞানের পয়েন্টস গুহ্য হতে থাকে। সুতরাং চিত্র গুলিও চেঞ্জ হবে। বাচ্চাদের বুদ্ধিতেও চেঞ্জ হবে। পূর্বে এই কথা বুঝতে না যে শিববাবা হলেন বিন্দু স্বরূপ। এমন তো বলবে না যে প্রথমে কেন জানানো হয় নি। বাবা বলেন - সব কথা প্রথমে তো বোঝানো যাবে না। বাবা হলেন জ্ঞানের সাগর অতএব জ্ঞান প্রদান করতেই থাকবেন। কারেকশনও হতে থাকবে। প্রথমেই বলা হবে না। তাহলে সব আর্টিফিশিয়াল হয়ে যাবে। হঠাৎ কোনো কিছু হবে তখন বলবে ড্রামা। এমন বলবে না এইরকম হওয়া উচিত নয়। মাম্মাকে তো শেষ পর্যন্ত থাকা উচিত ছিল, তাহলে মাম্মা চলে গেল কেন। ড্রামাতে যা হয় সব রাইট। বাবাও যা বলেন সেসবই ড্রামা অনুসারে বলেন। ড্রামাতে আমার পার্ট এইরকম। বাবাও ড্রামার উপরে রাখেন। মানুষ বলে ঈশ্বরের ভবিতব্য। ঈশ্বর বলেন ড্রামার ভবিতব্য। ঈশ্বর বলেন অথবা ব্রহ্মাবাবা বলেন, ড্রামাতে ছিল। কোনও উল্টো কর্ম হলে, ড্রামাতে ছিল, তখন সোজা হয়ে যাবে। উত্তরণ কলা নিশ্চয়ই। আরোহণের সময় কখনও নড়চড় হয়ে যায়। এইসব হল মায়ার ঝড়। যতক্ষণ মায়া আছে বিকল্প অবশ্যই আসবে। সত্য যুগে মায়া নেই তাই বিকল্পের কথাও নেই। সত্য যুগে কখনও কর্ম, বিকর্ম হয় না। অল্প কিছু দিন আছে, খুশীর অনুভূতি থাকে। এই হল আমাদের অন্তিম জন্ম। এখন অমরলোকে যাওয়ার জন্য শিববাবার কাছে অমরকথা শুনি। এইসব কথা তোমরাই বোঝো। তারা কোথায় অমরনাথে গিয়ে ধাক্কা খেতে থাকে। এই কথা বোঝে না যে, পার্বতীকে কে কাহিনী শুনিয়েছে ? সেখানে তো শিবের চিত্র দেখায়। আচ্ছা, শিব বসে আছেন কিসের উপরে ? শিব আর শঙ্কর দেখায়। শিব কি শঙ্করের মধ্যে বসে কাহিনী শুনিয়েছেন ? কিছুই বোধ নেই, ভক্তি মার্গের মানুষ এখনও তীর্থে যায়। কাহিনী খুব বড় নয়। আসলে হল মন্মনাভব। শুধুমাত্র বীজকে স্মরণ করো। ড্রামার চক্রকে স্মরণ করো। যে জ্ঞান বাবার কাছে আছে সেই জ্ঞান আমাদের আত্মার মধ্যেও আছে। তিনি হলেন জ্ঞানের সাগর, আমরা আত্মারাও মাস্টার জ্ঞানের সাগর হই। নেশা বৃদ্ধি হওয়া উচিত। তিনি আমাদেরকে অর্থাৎ আত্মারূপী ভাইদের শোনান। শোনাবেন অবশ্যই শরীরের দ্বারা। এতে কোনোরকম সংশয় আসা উচিত নয়। বাবাকে স্মরণ করতে করতে সম্পূর্ণ জ্ঞান বুদ্ধিতে এসে যায়। বাবার স্মরণ দ্বারা ই বিকর্ম বিনাশ হবে, আসক্তি দূর হবে। কারো নাম মাত্রই ভালোবাসা থাকে। আমাদেরও তাই। আমরা সুখধাম যাই। এইখানে তো সবাই যেন মৃত স্বরূপ, তাদের প্রতি আসক্তি রেখে কি হবে। শান্তিধামে গিয়ে পরে সুখধামে এসে রাজত্ব করবো। একেই বলা হয় পুরানো দুনিয়ার প্রতি বৈরাগ্য। বাবা বলেন - এই চোখ দিয়ে যা কিছু দেখো সেসব শেষ হয়ে যাবে। বিনাশের পরে স্বর্গকে দেখবে। এখন বাচ্চারা, তোমাদেরকে খুব মিষ্টি মধুর হওয়া উচিত। যোগ যুক্ত থেকে কোনও কথা বলবে তো তাদের আকর্ষণ অনুভব হবে। এই জ্ঞান এমনই বাকি সবকিছু বিস্মৃত হয়ে যায়। আচ্ছা!

মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১ ) জ্ঞান মার্গে নিজের অবস্থা খুব মজবুত বানাতে হবে। বিদেহী স্বরূপ হতে হবে। এক পিতার সঙ্গে প্রকৃত সত্য প্রীতি রাখতে হবে।

২ ) ড্রামার ভবিতব্যকে স্বীকার করে অটল থাকতে হবে। ড্রামাতে যা হয়েছে সব সঠিক। কখনও নড়চড় হবে না, কোনও কথায় সংশয় প্রকাশ করবে না।

বরদান:-
দাতা হয়ে প্রতিটি সেকেন্ড, প্রতিটি সংকল্পে দান করতে থাকা উদারচিত্ত, মহাদানী ভব

তোমরা দাতার সন্তান, দাতা, প্রাপ্তকারী নয়। প্রতিটি সেকেন্ডে, প্রতিটি সংকল্পে দান করবে, যখন এমন দাতা স্বরূপ হয়ে যাবে তখন বলা হবে উদারচিত্ত, মহাদানী। এমন মহাদানী হলে মহান শক্তির প্রাপ্তি স্বতঃই হয়। কিন্তু দানের জন্য নিজের ভান্ডার ভরপুর চাই। যা নেওয়ার তা তো সব নিয়েই নিয়েছ, এখন বাকি আছে শুধু দান। তাই দান করতে থাকো, দান করলে ভান্ডার আরও ভরপুর হয়ে যাবে।

স্লোগান:-
প্রত্যেকটি সাবজেক্টে ফুল মার্ক্স জমা করতে হলে গাম্ভীর্যের গুণ ধারণ করো।


মাতেশ্বরী দেবীর অমূল্য মহাবাক্য -

১ ) "নিরাকার পরমাত্মার রিজার্ভ করা তন হল ব্রহ্মা-তন"
এই কথা তো নিজেদের সম্পূর্ণ নিশ্চয় আছে যে পরমাত্মা তাঁর সাকার ব্রহ্মা তনের দ্বারা এসে পড়াচ্ছেন, এই পয়েন্টে অনেকে প্রশ্ন করে যে, অমৃতবেলার সময়ে নিরাকার পরমাত্মা যখন তাঁর সাকার দেহে প্রবেশ করেন তখন সেই সময়ে দেহে কি কি পরিবর্তন হয় ? তারা জিজ্ঞাসা করে সেই সময় তোমরা কি বসে তাঁকে দেখো যে পরমাত্মা কীভাবে আসেন ? এখন এই পয়েন্টে বোঝানো হয় পরমাত্মার প্রবেশ হওয়ার সময় এমন নয় যে সেই শরীরে নয়ন বা হাবভাবের কিছু পরিবর্তন হয়, না। কিন্তু আমরা যখন ধ্যানে যাই তখন নয়ন, হাবভাবের পরিবর্তন হয়ে যায়। কিন্তু এই সাকার ব্রহ্মার পার্টই হল গুপ্ত। যখন পরমাত্মা ব্রহ্মাবাবার দেহে আসেন তখন কেউ জানতে পারেনা, তাঁর এই তনটি হল রিজার্ভ তন। তাই সেকেন্ডে আসেন, সেকেন্ডে চলে যান, এখন এই রহস্যটি বুঝতে হবে। যদিও এমন কিছুই নেই যে কোনো পয়েন্ট বুঝতে না পারলে পড়াশোনাই ছেড়ে দেবে। এই পড়া তো দিন দিন গূহ্য এবং ক্লিয়ারও হতে থাকবে। পুরো কোর্স একবারে তো কেউ পড়তে পারবে না তাইনা ! তেমন করেই তোমাদের বোঝানো হয়। আর যে ধর্ম পিতারা আসেন তাদের মধ্যেও সেই সেই পবিত্র আত্মারা এসে নিজ পার্ট প্লে করে তারপরে সেই আত্মাদের সুখ দুঃখের খেলায় আসতে হয়। তারা ফিরে যেতে পারে না। কিন্তু যখন নিরাকার সুপ্রিম সোল আসেন, তিনি হলেন সুখ দুঃখ থেকে নির্লিপ্ত, তখন তিনি শুধুমাত্র নিজের পার্ট প্লে করে থাকেন, তারপর ফিরে যান। সুতরাং এই বিশেষ পয়েন্টটি আমাদের বুদ্ধি সহযোগে বুঝতে হবে।

২ ) "আত্মার ও পরমাত্মার মধ্যে গুণের ও শক্তির পার্থক্য আছে"

আত্মা ও পরমাত্মার পার্থক্যের বিষয়ে বোঝানো হয় যে, আত্মা ও পরমাত্মার রূপ এক, জ্যোতি স্বরূপ। আত্মা ও পরমাত্মার আত্মার সাইজ একই, কিন্তু আত্মা ও পরমাত্মার কেবল গুণের শক্তির তফাৎ অবশ্যই আছে। এই যে এত গুণ আছে সেসব মহিমাই হল পরমাত্মার। পরমাত্মা হলেন দুঃখ সুখ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক, সর্বশক্তিমান, সর্ব গুণ সম্পন্ন, ১৬ কলা সম্পূর্ণ, তাঁরই সম্পূর্ণ শক্তি কাজ করছে। তাঁকে ছাড়া মনুষ্য আত্মাদের শক্তি কার্যকরী হয় না । একমাত্র পরমাত্মার সম্পূর্ণ পার্ট প্লে হয়, যদিও পরমাত্মা পার্ট প্লে করতে আসেন, তবুও তিনি নিজে সম্পর্ণ পৃথক থাকেন। কিন্তু আত্মা পার্ট প্লে করতে এলে পার্টধারী রূপে আসে। পরমাত্মা পার্ট করতে এসেও কর্ম বন্ধন থেকে সম্পূর্ণ পৃথক থাকেন। আত্মা পার্ট প্লে করতে এসেও কর্ম বন্ধনের বশে আবদ্ধ হয়ে যায়।এই হল আত্মা ও পরমাত্মার মধ্যে পার্থক্য। আচ্ছা। ওম্ শান্তি।