11.01.2023 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


"মিষ্টি বাচ্চারা - বুদ্ধির যোগ বাবার সাথে যুক্ত থাকলে দীর্ঘ যাত্রা অতি সহজেই পারি দিতে পারবে"

প্রশ্নঃ -
বাবার কাছে বলিপ্রদত্ত (কুর্বান) হওয়ার জন্য কোন্ বিষয়ের ত্যাগ অবশ্যই প্রয়োজন?

উত্তরঃ  
দেহ-অভিমানের। দেহ-অভিমান আসা মানেই মরে যাওয়া, ব্যাভিচারী হওয়ার কারণে কিছু বাচ্চার সমর্পিত হতে হৃদয় সঙ্কুচিত হয়। যখন কুর্বান (বলিপ্রদত্ত) হয়েছো তখন একজনই যেন স্মরণে থাকে। ওঁনার প্রতিই সমর্পিত হতে হবে, ওঁনারই শ্রীমত অনুসারে চলতে হবে।

গীতঃ-
রাতের পথিক ক্লান্ত হয়ো না....

ওম্ শান্তি ।
ভগবানুবাচ ভগবান নিজের বাচ্চাদের রাজযোগ আর জ্ঞানের শিক্ষা দিচ্ছেন। ইনি কোনো মানুষ নন। গীতায় লেখা আছে শ্রীকৃষ্ণ ভগবানুবাচ। শ্রীকৃষ্ণ সম্পূর্ণ দুনিয়াকে লিবরেট করবে, এটা তো সম্ভব নয়। বাবা এসেই বাচ্চাদের বুঝিয়ে থাকেন। যারা বাবাকে নিজের করেছে আর বাবার সামনে বসে আছে। শ্রীকৃষ্ণকে বাবা বলা যায় না। বাবাকে বলা হয় পরমপিতা, পরমধাম নিবাসী। আত্মা এই শরীর দ্বারা ভগবানকে স্মরণ করে। বাবা বসে বোঝান যে আমি তোমাদের পিতা পরমধামে থাকি। আমি সমস্ত আত্মাদের পিতা। আমিই কল্প পূর্বেও এসে শিখিয়েছিলাম যে বুদ্ধিযোগ আমি পরমপিতার সাথে যুক্ত করো। আত্মাদের সাথেই কথা বলি। আত্মা যতক্ষণ পর্যন্ত শরীরে প্রবেশ না করবে চোখ দিয়ে কিছুই দেখতে পারবে না। কান দিয়ে শুনতে পারবে না। বিনা শরীরে আত্মা জড় হয়ে যায়। আত্মা হচ্ছে চৈতন্য। গর্ভে সন্তান আছে, কিন্তু যতক্ষণ তার মধ্যে আত্মার প্রবেশ না হবে সে নড়াচড়া করবে না। সুতরাং এমনই চৈতন্য আত্মার সাথে বাবা কথা বলেন। তিনি বলেন আমি এই শরীর লোন নিয়েছি। আমি এসে সব আত্মাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাই। যে আত্মারা সামনে আসে তাদের রাজযোগ শেখাই। রাজযোগ সম্পূর্ণ দুনিয়া শিখবে না। কল্প পূর্বে যারা ছিল তারাই রাজযোগ শিখবে।

এখন বাবা বলছেন বুদ্ধিযোগ বাবার সাথে শেষ পর্যন্ত জুড়ে রাখতে হবে, এতে আটকে গেলে হবে না। স্ত্রী পুরুষ প্রথমে একে অপরকে চেনেই না। তারপর যখন দু'জনের বিবাহ হয় কেউ-কেউ ৬০-৭০ বছর পর্যন্ত একসাথে থাকে, সুতরাং সারা জীবন শরীর, শরীরকে স্মরণ করতে থাকে। একজন বলবে ও আমার স্বামী, আরেকজন বলবে ও আমার স্ত্রী। তোমরা বন্ধনে আবদ্ধ (এনগেজমেন্ট) হয়েছো নিরাকারের সাথে। নিরাকার বাবা এসেই এই বন্ধনে আবদ্ধ করিয়েছেন। তিনি বলেন কল্প পূর্বের মতোই আমি এসে বাচ্চাদের সাথে আমার সগাই করাই। আমি নিরাকার এই মনুষ্য সৃষ্টির বীজরূপ। সবাই বলবে এই মনুষ্য সৃষ্টি গডফাদার রচনা করেছেন। সুতরাং তোমাদের সবার পিতা সবসময়ই পরমধামে থাকেন। এখন তিনি বলছেন আমাকে স্মরণ কর। যাত্রা দীর্ঘ হওয়ার কারণে অনেক বাচ্চারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। বুদ্ধি যোগ সম্পূর্ণ রূপে জুড়ে থাকে না। মায়ার ঠোক্কর খেয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে, মরে পড়ে থাকে। তারপর হাত ছেড়ে দেয়। কল্প পূর্বেও এমনই হয়েছিল। এখানে যতক্ষণ জীবিত থাকবে, ততক্ষণ স্মরণ করতে হবে। স্ত্রীর যখন স্বামী মারা যায় তখন তাকে স্মরণ করতেই থাকে। এই বাবা বা পতি কখনোই ছেড়ে চলে যাবে না। তিনি বলেন আমি তোমরা সজনীদের সবাইকে সঙ্গে করে নিয়ে যাব। কিন্তু এতে সময় লাগবে, ক্লান্ত হবে না। পাপের বোঝা মাথায় জমে আছে, যোগ দ্বারাই সেই বোঝা নামবে। এমনই যোগ যুক্ত হতে হবে যে শেষে বাবা বা সাজন ছাড়া আর কেউ-ই স্মরণে আসবে না। যদি অন্য কিছু স্মরণে আসে তবে সেটা ব্যভিচারী হয়ে যাবে, তারপর পাপের দন্ড ভোগ করতে হবে সেইজন্যই বাবা বলেন পরমধামের পথিক তোমরা ক্লান্ত হয়োনা।

তোমরা জানো আমরা ব্রহ্মা দ্বারা আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্মের স্থাপনা করছি এবং শঙ্কর দ্বারা সব ধর্মের বিনাশ করাচ্ছি। এখন সবাই কনফারেন্স করে যাতে সব ধর্ম মিলে এক হয়ে যায়, সবাই শান্তিতে থাকতে পারে, তার পথ বের করার জন্য। এখন অনেক ধর্মের এক মত তো হতে পারে না। এক মতে একটাই ধর্মের স্থাপনা হয়ে থাকে। সব ধর্ম সর্বগুণ সম্পন্ন, সম্পূর্ণ নির্বিকারী হলে তবেই নিজেদের মধ্যে ক্ষীরখন্ড হয়ে থাকতে পারবে। রাম রাজ্যে সবাই ক্ষীরখন্ড হয়ে ছিল। সেখানে জানোয়ারও লড়াই করত না। এখানে তো ঘরে-ঘরে ঝগড়া। লড়াই করে তখন যখন ওরা কোনো প্রভুর অন্তর্ভুক্ত থাকে না। নিজের মাতা-পিতাকেই জানে না। গানও গায় তুমি মাতা-পিতা আমি তোমার বালক....তোমার কৃপাতেই গহন সুখ পাওয়া যায় ....সুখ তো এখন আর নেই। তখন বলে যে মাতা-পিতার কৃপা নেই। বাবাকেই জানে না, সুতরাং বাবা কিভাবে কৃপা করবে? এরপর টিচারের ডায়রেকশন অনুসারে চললে তবেই কৃপা পাবে। ওরা তো বলে থাকে পরমাত্মা সর্বব্যাপী, সুতরাং কে কৃপা করবে আর কার প্রতি কৃপা করবেন? কৃপা গ্রহণ করার জন্য আর কৃপা করার জন্য দুইজন প্রয়োজন। স্টুডেন্টস প্রথমে এসে টিচারের কাছে পড়াশোনা করুক। নিজের প্রতি এই কৃপা করুক। তারপর টিচারের ডায়রেকশন অনুসারে চলুক। পুরুষার্থ করানোর জন্যও কাউকে চাই। ইনি যেমন বাবা, তেমনি টিচার এবং সদ্গুরুও, ওঁনাকেই পরমপিতা, পরমশিক্ষক, পরম সদ্গুরুও বলা হয়। বাবা বলেন আমি কল্পে-কল্পে এই স্থাপনার কাজ করিয়ে থাকি। পতিত দুনিয়াকে পবিত্র করে তুলি। তিনি ওয়ার্ল্ড অলমাইটি অথরিটি তাইনা। সুতরাং ওয়ার্ল্ড অথরিটির রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। সম্পূর্ণ সৃষ্টিতে একমাত্র লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজ্য ছিল। তাদের অলমাইটি অথরিটি ছিল। ওখানে কেউ লড়াই ঝগড়া করতে পারে না। ওখানে মায়া নেই। ওটা হচ্ছে গোল্ডেন এজ, তারপর সিলভার এজ। সত্যযুগ এবং ত্রেতা এই দুই যুগকেই স্বর্গ অথবা বৈকুন্ঠ বলা হয়। সবাই গেয়েও থাকে চল বৃন্দাবন ভজো রাধে গোবিন্দ...কিন্তু কেউ যায় না। স্মরণ অবশ্যই করে। এখন তো মায়ার রাজ্য এবং সবাই রাবণের মত অনুসরণ করছে। দেখা যায় যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মানুষ আসছে। তারা গ্র্যান্ড টাইটেল পাচ্ছে। কেউ যদি শারীরিকভাবে সাহস দেখায় বা ভালো কোনো কাজ করে তাহলে তাদের টাইটেল(খেতাব) দেওয়া হয়। কেউ ডক্টর অফ ফিলসফি, কাউকে আবার অন্যকিছু..... এমনই সব টাইটেল দিতে থাকে। এখন তোমরা হচ্ছ ব্রাহ্মণ। পূর্বের মতোই ভারতের সার্ভিসে আছ। তোমরা দৈবী রাজধানী স্থাপন করছ। যখন স্থাপনা হয়ে যাবে তখন তোমরা টাইটেল পাবে। সূর্য বংশীয় রাজা রাণী, চন্দ্র বংশীয় রাজা রাণী... এরপর তোমাদেরই রাজ্য চলবে। ওখানে কেউ টাইটেল পায় না। ওখানে দুঃখের লেশ মাত্র নেই, যে কেউ কারো দুঃখ দূর করে বাহাদুরি দেখাবে... যাতে টাইটেল পাওয়া যায়। যে রীতি-নিয়ম এখানে এখানে চলে ওখানে সেসব হয় না। না লক্ষ্মী-নারায়ণ এই পতিত দুনিয়াতে আসতে পারে, এই সময় পবিত্র দেবতা কেউ নেই। এটা হচ্ছে পতিত আসুরি দুনিয়া। অনেক মত-মতান্তরে মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে গেছে। এখানে একটাই শ্রীমত, যার মাধ্যমে রাজধানী স্থাপন হচ্ছে। তবে হ্যাঁ চলতে-চলতে কারো মায়ার কাঁটা লেগে যায় তখন ল্যাংড়াতে থাকে সেইজন্যই বাবা বলেন সবসময় শ্রীমত অনুসারে চলো। নিজের মনমতে চললে ধোঁকা খেতে হবে। প্রকৃত উপার্জন হবে সত্য বাবার শ্রীমত অনুসারে চললে। নিজের মতে চললে নৌকা ডুবে যাবে। কত মহাবীর শ্রীমত অনুসারে না চলার কারণে অধঃপতন হয়েছে।

বাচ্চারা তোমাদের সদ্গতি পেতে হবে। শ্রীমতে না চলার জন্য দুর্গতি পেতে হবে তারপর অনেক অনুতপ্ত হতে হবে। তারপর ধর্মরাজপুরীতে শিববাবা এই শরীরে বসে বোঝাবেন যে আমি তোমাকে এই ব্রহ্মা শরীর দ্বারা এতো বুঝিয়েছি, পড়িয়েছি, কত পরিশ্রম করেছি, তুমি নিশ্চয় পত্রে লিখেছিলে শ্রীমত অনুসারে চলব, কিন্তু চলোনি। কখনও শ্রীমত ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। যা কিছু হোক, বাবাকে বললে বাবা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কাঁটা তখনই লাগে যখন বাবাকে ভুলে যাও। সদ্গতি দেন যিনি সেই বাবার কাছ থেকেও বাচ্চারা ৩ ক্রোশ দূরে পালিয়ে যায়। গেয়েও থাকে, আমি সমর্পিত হবো, বলিপ্রদত্ত হবো। কিন্তু কার প্রতি হবে? এমন তো লেখনি- সন্ন্যাসীর প্রতি সমর্পিত হবো ! বা ব্রহ্মা বিষ্ণু শঙ্করের প্রতি সমর্পিত হব ! অথবা শ্রীকৃষ্ণের প্রতি সমর্পিত হব! সমর্পিত হতে হবে পরমপিতা পরমাত্মার কাছে। কোনো মানুষের প্রতি নয়। উত্তরাধিকার পাওয়া যায় বাবার কাছ থেকে। বাবা বাচ্চাদের প্রতি বলিপ্রদত্ত হন। এমন কথা অসীম (বেহদের) জগতের পিতাই বলেন যে, আমি বলিপ্রদত্ত হতে এসেছি। কিন্তু বাবার প্রতি বলিপ্রদত্ত হতে বাচ্চাদের হৃদয় বিদীর্ণ হয়ে যায়। দেহ-অভিমান আসলেই মরবে, ব্যভিচারী হবে। ঐ একজনকেই স্মরণ করা উচিত। ওঁনার প্রতিই সমর্পিত হতে হবে। এখন নাটক সম্পূর্ণ হতে চলেছে। আমাদের ফিরে যেতে হবে। বাকি বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন সবাইকে কবরস্থ হতে হবে। তাদের কেনই বা স্মরণ করবে, এর জন্য খুব অভ্যাস চাই। গাওয়াও হয়ে থাকে উত্তরণে অমৃতরস পান হয়....নিচে নেমে (অধঃপতন) গেলে পদ ভ্রষ্ট হয়ে যায়। এমন নয় যে স্বর্গে যাবে না। কিন্তু রাজা রাণী হওয়া আর প্রজা হওয়ার মধ্যে পার্থক্য তো আছে তাইনা। এখানে একজন উপজাতিকে দেখ, মিনিস্টারকেও দেখো পার্থক্য তো আছে তাইনা, সেইজন্যই সম্পূর্ণ রূপে পুরুষার্থ করতে হবে। কেউ নিচে নেমে গিয়ে সম্পূর্ণ পতিত হয়ে যায়। শ্রীমত অনুসারে না চলার কারণে মায়া সেই আত্মার নাক টেনে ধরে নর্দমায় ফেলে দেয়। বাপদাদার সাথে যুক্ত হওয়ার পরে তার বিরোধিতা করা মানেই বিশ্বাসঘাতক (ট্রেটর) হওয়া, সেইজন্যই বাবা বলেন প্রতিটি পদক্ষেপে সাবধান হও। এখন মায়া শেষ হতে চলেছে, সুতরাং সে অনেককেই নিচে নামিয়ে দেবে, সেইজন্য বাচ্চাদের সতর্ক থাকতে হবে। পথ কিছু দীর্ঘ এবং পদও উচ্চ। যদি ট্রেটর হও তবে তীব্র সাজাও ভোগ করতে হবে। যখন ধর্মরাজ বাবা সাজা দেন আত্মারা তখন চিৎকার করতে থাকে। যা কিনা কল্প-কল্পের জন্য বহাল হয়ে যায়। মায়া ভীষণ প্রবল। সামান্যতমও যদি বাবাকে ডিসরিগার্ড (অসম্মান) করেছ কি মরেছ। গাওয়াও হয়ে থাকে সদ্গুরুর নিন্দুকদের কোথাও ঠাঁই হয় না। কামনা বশতঃ, ক্রোধ বশতঃ উল্টো কাজ করে থাকে, অর্থাৎ বাবার নিন্দা করে আর সাজা খাওয়ার নিমিত্ত হয়ে পড়ে। প্রতিটি পদক্ষেপে যেমন পদ্মগুণ উপার্জন আছে তেমনি লোকসানও আছে। সার্ভিস করে যেমন সঞ্চয় হয় উল্টো বিকর্ম করার জন্য সঞ্চয় হয় না। বাবার কাছে সম্পূর্ণ হিসেব থাকে। এখন সামনে বসে পড়াচ্ছেন সুতরাং সম্পূর্ণ হিসেব তাঁর হাতেই রয়েছে। বাবা তো বলবেন কোনো বাচ্চা যেন শিববাবাকে ডিসরিগার্ড না করে, নয়তো অনেক বিকর্ম হবে। এই যজ্ঞ সেবায় সম্পূর্ণ রূপে অস্থি মজ্জা বলিপ্রদত্ত দিতে হয়। দধীচি মুনির দৃষ্টান্ত আছে না ! তার উপরেও পদ প্রাপ্ত হয়ে থাকে। তা না হলে প্রজার মধ্যেও ভিন্ন-ভিন্ন পদ আছে। প্রজার মধ্যেও চাকর-বাকর সবই প্রয়োজন পড়বে। যদিও সেখানে দুঃখ থাকবে না কিন্তু নম্বরানুসারে পদ তো থাকবেই। আচ্ছা!

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১ ) স্মরণের যাত্রায় ক্লান্ত হওয়া উচিত নয়। প্রকৃতপক্ষে এমনই স্মরণের অভ্যাস করতে হবে যাতে অন্তিম সময় বাবা ছাড়া আর কেউ স্মরণে না আসে।

২ ) সত্য বাবার মতে চলে সত্য উপার্জন করতে হবে। নিজের মনমতে চলা উচিত নয়। সদ্গুরুর নিন্দা কখনোই করানো উচিত নয়। কাম, ক্রোধের বশবর্তী হয়ে কোনো উল্টো কাজ করা উচিত নয়।

বরদান:-
সঙ্কল্প শক্তির দ্বারা প্রতিটি কার্যে সফল হওয়ার সিদ্ধি প্রাপ্তকারী সফলতা মূর্তি ভব

সঙ্কল্প শক্তি দ্বারা অনেক কাজেই সফল হওয়ার সিদ্ধি অনুভব হয়। যেমন স্থূল আকাশে ভিন্ন-ভিন্ন নক্ষত্র দেখা যায় তেমনই বিশ্বের বায়ুমণ্ডলের আকাশে চারদিকে সফলতার উজ্জ্বল নক্ষত্র তখনই দেখতে সক্ষম হবে যখন তোমাদের সঙ্কল্প শ্রেষ্ঠ আরও শক্তিশালী হবে, সবসময় এক বাবার গভীরতায় হারিয়ে যাবে, তোমাদের রুহানী নয়ন(দৃষ্টি), রুহানী মূর্তি দিব্য দর্পণ হয়ে উঠবে। এই রকম দিব্য দর্পণই অনেক আত্মাকে আত্মিক স্বরূপের অনুভব করানোর সফলতার মূর্ত প্রতীক হবে।

স্লোগান:-
যারা নিরন্তর ঈশ্বরীয় সুখ অনুভব করে তারাই নিশ্চিন্ত (বেফিকর) বাদশাহ।