14.01.2021 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


মিষ্টি বাচ্চারা - বাবা যে পড়া-টি তোমাদের পড়াচ্ছেন সেই পাঠ বুদ্ধিতে রেখে সবাইকে পড়াতে হবে, প্রত্যেককে বাবার এবং সৃষ্টি চক্রের পরিচয় দিতে হবে

প্রশ্নঃ -
আত্মা সত্যযুগেও পার্ট প্লে করে এবং কলিযুগের, কিন্তু তফাৎ কি ?

উত্তরঃ -
সত্য যুগে যখন পার্ট প্লে করে তখন তাতে কোনও পাপ কর্ম হয় না, প্রতিটি কর্ম সেখানে অকর্ম হয়ে যায় কারণ রাবণ নেই। তারপরে যখন কলিযুগে পার্ট প্লে করে তখন প্রতিটি কর্ম বিকর্ম অর্থাৎ পাপ কর্মে পরিণত হয়। কারণ এখানে বিকার আছে। এখন তোমরা হলে সঙ্গমে। তোমাদের সম্পূর্ণ জ্ঞান আছে।

ওম্ শান্তি ।
এবারে এই কথা তো বাচ্চারা জানে যে আমরা বাবার সামনে বসে আছি। বাবাও জানেন - বাচ্চারা আমার সামনে বসে আছে। এই কথাও তোমরা জানো - বাবা আমাদের শিক্ষা প্রদান করেন, যা অন্যদের দিতে হবে। সর্বপ্রথমে তো বাবার পরিচয় দিতে হবে, কারণ সবাই বাবাকে এবং বাবার শিক্ষা গুলি ভুলে গেছে। এখন বাবা যা পড়াচ্ছেন, এই পড়া পুনরায় ৫ হাজার বছর পরে প্রাপ্ত হবে। এই জ্ঞান আর কারো নেই। মুখ্য হল বাবার পরিচয়। তারপরে এই কথাও বুঝতে হবে আমরা সবাই হলাম ভাই-ভাই। সম্পূর্ণ দুনিয়ার সব আত্মারা, সবাই হল ভাই-ভাই। সবাই নিজের নির্দিষ্ট পার্ট এই শরীর দ্বারা প্লে করে। এখন তো বাবা এসেছেন নতুন দুনিয়ায় নিয়ে যেতে, যাকে স্বর্গ বলা হয়। কিন্তু আমরা সব ভাইরা হলাম পতিত, একজনও পবিত্র নেই। সব পতিতদের পবিত্র করেন একমাত্র বাবা। এই হল পতিত, বিকার গ্রস্ত, ভ্রষ্টাচারী রাবণের দুনিয়া। রাবণের অর্থ হল ৫-টি বিকার স্ত্রীর মধ্যে, ৫-টি বিকার পুরুষের মধ্যে। বাবা খুব সহজ করে বোঝান। তোমরাও এমন করে বোঝাতে পারো। অতএব সর্বপ্রথমে এই কথা বোঝাও আমরা আত্মা, উনি হলেন আমাদের পিতা। আমরা সবাই ব্রাদার্স। জিজ্ঞাসা করো এই কথা ঠিক আছে ? লেখো - আমরা সবাই হলাম ভাই-ভাই। আমাদের পিতা একজন ই, আমরা সবাই আত্মা, উনি হলেন সুপ্রিম আত্মা, ওঁনাকে আমাদের সবার পিতা বলা হয়। এই কথাটি পাকা ভাবে বুদ্ধিতে বসাও তাহলে সর্বব্যাপী ইত্যাদি জ্ঞান বুদ্ধি থেকে প্রথমেই বেরিয়ে যাবে। প্রথমে অল্ফকে পড়তে হবে। বলো, এই পয়েন্ট টি ভালো রীতি বসে লেখো। পূর্বে সর্বব্যাপী বলতাম, এখন বুঝেছি সর্বব্যাপী নয়। আমরা সবাই হলাম ভাই-ভাই, সব আত্মারা বলে - গড ফাদার, পরমপিতা। প্রথমে তো এই নিশ্চয়টি পাকা করতে হবে আমরা হলাম আত্মা, পরমাত্মা নই। না আমাদের মধ্যে পরমাত্মা ব্যাপকভাবে বিরাজ করেন। সবার মধ্যে আত্মাই ব্যাপকভাবে উপস্থিত আছে। আত্মা শরীরের আধার নিয়ে পার্ট প্লে করে, এই পয়েন্টটিও পাকা করাও। আচ্ছা, এই আত্মিক পিতা সৃষ্টির আদি-মধ্য-অন্তের জ্ঞানও প্রদান করেন, অন্য কেউ তো জানেনা যে এই সৃষ্টি চক্রের আয়ু কত। বাবা নিজেই টিচার রূপে বসে বোঝান। লক্ষ বছরের কথা নয়। এই চক্র অনাদি, সঠিক ভাবে রচিত, এই জ্ঞান অর্জন করা উচিত। সত্যযুগ-ত্রেতা পাস্ট হয়েছে, নোট করো। যাকে বলা হয় স্বর্গ এবং সেমি স্বর্গ। যেখানে দেবী-দেবতাদের রাজত্ব চলে, সত্যযুগে ১৬ কলা সম্পন্ন, ত্রেতায় ১৪ কলা সম্পন্ন। ধীরে ধীরে আত্মার এই কলা বা কোয়ালিটি কমতে থাকে। দুনিয়া তো পুরানো অবশ্যই হবে তাইনা। সত্য যুগের প্রভাব খুব বেশী। নাম-ই হল স্বর্গ, হেভেন, নতুন দুনিয়া...তারই মহিমা করতে হবে। নতুন দুনিয়ায় আছে এক আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম। প্রথমে বাবার পরিচয় তারপরে চক্রের পরিচয় দিতে হয়। চিত্রও তোমাদের কাছে আছে - দৃঢ় নিশ্চয় করানোর জন্য। এই সৃষ্টির চক্র আবর্তিত হতে থাকে। সত্যযুগে লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজ্য ছিল, ত্রেতায় ছিল রাম-সীতার। এই হল অর্ধকল্প, দুটি যুগ পার হল তারপরে আসে দ্বাপর - কলিযুগ। দ্বাপরে হয় রাবণ রাজ্য। দেবতারা বাম মার্গে চলে যায় তখন বিকারগ্রস্ত হওয়ার সিস্টেম হয়ে যায়। সত্যযুগ-ত্রেতায় সবাই নির্বিকারী থাকে। এক আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম থাকে। চিত্রও দেখাতে হয়, মুখে বলেও বোঝাতে হয়। বাবা, টিচার হয়ে আমাদের এইভাবে পড়ান। বাবা নিজের পরিচয় নিজেই এসে দেন। তিনি নিজেই বলেন আমি আসি পতিতদের পবিত্র করতে তাই আমার দেহের প্রয়োজন হয় । তা নাহলে কথা বলবো কীভাবে। আমি হলাম চৈতন্য, সৎ এবং অমর। আত্মা সতো, রজো, তমো স্টেজে আসে। আত্মা ই পবিত্র এবং পতিত হয় তাই বলা হয় পতিত আত্মা, পবিত্র আত্মা। আত্মার মধ্যেই সব সংস্কার থাকে। অতীতের কর্ম বা বিকর্মের সংস্কার আত্মা বহন করে। সত্যযুগে বিকর্ম হয়ই না। কর্ম করে, পার্ট প্লে করে কিন্তু সেই কর্ম অকর্ম হয়ে যায়। গীতায়ও লেখা আছে, এখন তোমরা প্রাক্টিক্যালে বুঝেছো। তোমরা জানো বাবা এসেছেন পুরানো দুনিয়া বদলাতে, নতুন দুনিয়ার রচনা করতে। যেখানে কর্ম অকর্ম হয়ে যায় তাকেই সত্যযুগ বলা হয় এবং যেখানে সব কর্ম বিকর্ম হয়ে যায় তাকে কলিযুগ বলা হয়। তোমরা এখন রয়েছো সঙ্গমে। বাবা দুই দিকের কথা বোঝান। সত্যযুগ-ত্রেতা হল পবিত্র দুনিয়া, সেখানে কোনও পাপ হয় না। যখন রাবণের রাজ্য শুরু হয় তখনই পাপ হয়। সেখানে বিকারের নাম চিহ্ন থাকে না। চিত্র তো সামনেই রাখা আছে রাম রাজ্য এবং রাবণ রাজ্য। বাবা বোঝান এই হল পড়াশোনা। বাবা ব্যতীত অন্য কেউ জানেনা। এই পড়াশোনা তো তোমাদের বুদ্ধিতে থাকা উচিত, বাবাও স্মরণে আসেন, চক্রও বুদ্ধিতে এসে যায়। সেকেন্ডে সব কিছু স্মরণে এসে যায়। বর্ণনা করতে দেরী লাগে না। এর তিনটি ফাউন্টেন আছে। বৃক্ষটি এমন হয়, বীজ ও বৃক্ষ সেকেন্ডে স্মৃতিতে এসে যাবে। এই বীজ অমুক বৃক্ষের, এই বৃক্ষে এমন ফল হয়। এই অসীম জগতের মনুষ্য সৃষ্টি রূপী বৃক্ষটি হয় কীভাবে, সে কথা তোমরা তো বোঝাও। বাচ্চাদের সম্পূর্ণ জ্ঞান বোঝানো হয়েছে - অর্ধকল্প ডিনায়স্টি কীভাবে চলে তারপরে রাবণ রাজ্য হয় তখন যারা সত্যযুগ-ত্রেতাবাসী আছে, তারা-ই দ্বাপরবাসী হয়। বৃক্ষটি বৃদ্ধি হতে থাকে। অর্ধকল্পের পরে রাবণ রাজ্য হয়, তখন বিকারগ্রস্ত হয়। বাবার কাছে যা উত্তরাধিকার প্রাপ্ত হয় সেসব অর্ধকল্প চলে। নলেজ প্রদান করে উত্তরাধিকার দেন, সেই প্রালব্ধ ভোগ করেছো অর্থাৎ সত্যযুগ-ত্রেতায় সুখ পেয়েছো। তার নাম সুখধাম, সত্যযুগ বলা হয়। সেখানে দুঃখ হয় না। কত সহজ করে বোঝান। একজনকে বোঝাও অথবা অনেককে বোঝাও - তাই অ্যাটেনশন দিতে হবে, বুঝতে হবে, শুধু হ্যাঁ-হ্যাঁ করছো নাকি? বলো নোট করতে থাকো। কোনও সন্দেহ থাকলে জিজ্ঞাসা করো। যে কথা কেউ জানেনা সেই কথা আমরা বোঝাই। তোমরা তো কিছু জানো না, তাই কি জিজ্ঞাসা করবে?

বাবা তো এই অসীম জগতের বৃক্ষের রহস্য বুঝিয়ে দেন। এই নলেজ এখন তোমরা বুঝেছো। বাবা বুঝিয়েছেন তোমরা ৮৪-র চক্রে কীভাবে এসেছো। এই কথাটি ভালো রীতি নোট করো তারপরে এই বিষয়টি নিয়ে বিচার করো। যেমন টিচার রচনা লিখে দেন স্টুডেন্টরা যা ঘরে গিয়ে রিভাইস করে আসে তাইনা। তোমরাও নলেজ প্রদান করো তারপরে দেখো কি হয়। জিজ্ঞাসা করতে থাকো। এক-একটি কথা ভালো করে বোঝাও। পিতা-টিচারের কর্তব্য বুঝিয়ে তারপরে গুরুর কর্তব্য বোঝাও। তাঁকে আহ্বান করা হয়েছে যে এসে আমরা পতিত, আমাদের পবিত্র করো। আত্মা পবিত্র হলে তো শরীরও পবিত্র প্রাপ্ত হয়। যেমন সোনা তেমন গহনা তৈরি হয়। ২৪ ক্যারেটের সোনা দিয়ে, খাদ না মিশিয়ে গহনা তৈরি করলে তো গহনাও সতোপ্রধান তৈরী হবে। খাদ মেশালেই তমোপ্রধান হয়ে যায়। সর্ব প্রথমে ভারত ২৪ ক্যারেট সোনার পাখি ছিল অর্থাৎ সতোপ্রধান নতুন দুনিয়া ছিল পরে তমোপ্রধান হয়েছে। এই কথা বাবা এসে বোঝান, অন্য কেউ মনুষ্য গুরু তো জানেনা। আহবান করে এসে পবিত্র বানাও। সে তো গুরুর কর্তব্য। বাণপ্রস্থ অবস্থায় মানুষ গুরুর কাছে দীক্ষিত হয়। বাণীর ঊর্ধ্বে স্থান হল ইনকরপরিয়াল ওয়ার্ল্ড, যেখানে আত্মারা বাস করে। এই হল করপরিয়াল ওয়ার্ল্ড। দুইয়ের মিল এইখানেই হয়। সেখানে তো শরীর নেই। সেখানে কোনও কর্ম নেই। বাবার মধ্যে সম্পূর্ণ জ্ঞান ভরা আছে। ড্রামা প্ল্যান অনুযায়ী তাঁকেই বলা হয় নলেজফুল। তিনি সৎ-চিত্ত-আনন্দস্বরূপ হওয়ার দরুন তাঁকেই নলেজফুল বলা হয়। তাঁকে আহবানও করা হয় - হে পতিত-পাবন, নলেজফুল শিববাবা, তাঁর নামই হল সদা-শিব। অন্য সব আত্মারা আসে পার্ট প্লে করতে। তাই ভিন্ন-ভিন্ন নাম ধারণ করে। বাবাকে ডাকে কিন্তু তারা কিছু বোঝে না। ভাগ্যশালী রথও নিশ্চয়ই আছে, বাবা যার মধ্যে প্রবেশ করে তোমাদেরকে পবিত্র দুনিয়ায় নিয়ে যাবেন। তাই বাবা বোঝান - মিষ্টি-মিষ্টি বাচ্চারা, আমি ব্রহ্মার দেহে আসি, যে বহু জন্মের শেষ জন্মে রয়েছে, পুরো ৮৪-টি জন্ম গ্রহণ করে। ভাগ্যশালী রথে আসতে হয়। প্রথম নম্বরে তো হলেন শ্রীকৃষ্ণ। তিনি হলেন নতুন দুনিয়ার মালিক। তারপরে তিনি ই নীচে নেমে আসেন। গোল্ডেন থেকে সিলভার, কপার, আয়রন যুগে এসে পড়েন। এখন তোমরা পুনরায় আয়রন থেকে গোল্ডেন হচ্ছো। বাবা বলেন শুধুমাত্র আমি তোমাদের পিতা, আমাকে স্মরণ করো। যার মধ্যে প্রবেশ করেছি তার আত্মায় তো নলেজ একটুও ছিল না। ব্রহ্মার দেহে আমি প্রবেশ করি তাই ব্রহ্মাকে ভাগ্যশালী রথ বলা হয়। যদিও সবচেয়ে উঁচু তো হলেন এই লক্ষ্মী-নারায়ণ, এঁদের মধ্যে প্রবেশ করা উচিত। কিন্তু তাঁদের মধ্যে পরমাত্মা প্রবেশ করেন না তাই তাঁদের ভাগ্যশালী রথ বলা হয় না। রথে এসে পতিতদের পবিত্র করতে হয়, সুতরাং কলিযুগী তমোপ্রধান হবে নিশ্চয়ই। নিজেই বলেন আমি অনেক জন্মের শেষ জন্মে আসি। গীতায়ও সঠিক লেখা আছে। গীতা কেই সর্বশাস্ত্রময়ী শিরোমণি বলা হয়। এই সঙ্গমযুগে বাবা এসে ব্রাহ্মণ কুল ও দেবতা কুলের স্থাপনা করেন। অনেক জন্মের শেষ জন্মে অর্থাৎ সঙ্গম যুগেই বাবা আসেন। বাবা বলেন আমি হলাম বীজরূপ। কৃষ্ণ তো সত্যযুগ নিবাসী। অন্যত্র কোথাও কৃষ্ণকে দেখতে পাওয়া যাবে না। পুনর্জন্মে তো নাম, রূপ, দেশ, কাল সবই বদলে যায়। ফিচার্স বদলে যায়। প্রথমে শিশু হয় সুন্দর তারপরে বড় হয় পরে শরীর ত্যাগ করে অন্য ছোট শরীর ধারণ করে। এই খেলাটি ড্রামাতে পূর্ব নির্ধারিত। অন্য শরীর ধারণ করলে আর কৃষ্ণ বলা যাবে না। সেই শরীরের নাম ইত্যাদি সব অন্য হবে। সময়, ফিচার্স, তিথি-তারিখ সবই বদলে যায়। ওয়ার্ল্ডের হিস্ট্রি-জিওগ্রাফি হুবহু রিপিট বলা হয়। অর্থাৎ এই ড্রামা রিপিট হতে থাকে। সতো, রজো, তমোতে আসতে হয়। সৃষ্টির নাম, যুগের নাম সব বদলে যায়। এখন এই হল সঙ্গমযুগ। আমি সঙ্গমেই আসি। আমি তোমাদের সম্পূর্ণ দুনিয়ার হিস্ট্রি-জিওগ্রাফির সত্য কাহিনী বলি। আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত অন্য কেউ জানে না। সত্য যুগের আয়ু কত ছিল, সে কথা না জানার দরুন লক্ষ বছর বলে দিয়েছে। এখন তোমাদের বুদ্ধিতে সব কথা আছে। তোমাদেরকে মনে এই কথা পাকা করতে হবে যে পিতা হলেন, পিতা-টিচার-সদগুরু, উনি সতোপ্রধান হওয়ার খুব ভালো যুক্তি বলে দেন। গীতায়ও আছে দেহ সহ দেহের সব ধর্ম ত্যাগ করে নিজেকে আত্মা নিশ্চয় করো। নিজ ধাম অবশ্যই ফিরে যেতে হবে। ভক্তিমার্গে কত পরিশ্রম করে, ভগবানের কাছে যাওয়ার জন্য। ওই হল মুক্তিধাম, কর্ম থেকে মুক্ত। আমরা ইনকরপরিয়াল দুনিয়ায় গিয়ে বসি। পার্টধারী ঘরে গিয়েই পার্ট থেকে মুক্ত হয়। সবাই চায় আমরা যেন মুক্তি পাই। মোক্ষ প্রাপ্তি তো হয় না কারো। এই ড্রামা হল অনাদি-অবিনাশী। কেউ বলে এই পার্ট আসা-যাওয়ার এই পার্ট আমার পছন্দ নয়, কিন্তু এতে তো কিছুই করার উপায় নেই। এই হল পূর্ব নির্দিষ্ট অনাদি ড্রামা। একজনও মোক্ষ প্রাপ্ত করতে পারে না। সেসব হল অনেক প্রকারের মনুষ্য মত। এই হল শ্রীমৎ, শ্রেষ্ঠ বানানোর জন্য। মানুষকে শ্রেষ্ঠ বলা হবে না। দেবতাদের শ্রেষ্ঠ বলা হয়। তাদের সম্মুখে সবাই মাথা নত করে। সুতরাং তারা শ্রেষ্ঠ তাইনা। কৃষ্ণ হলেন দেবতা বৈকুণ্ঠের প্রিন্স। তিনি এখানে আসবেন কীভাবে। না উনি গীতা শুনিয়েছেন। শিবের সম্মুখে দাঁড়িয়ে বলে আমাদের মুক্তি দাও। উনি তো কখনও জীবনমুক্ত, জীবনবন্ধে আসেন না তাই তাঁকেই ডাকে সবাই মুক্তি দাও। জীবনমুক্তিও তিনি ই দেন। আচ্ছা!

মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১ ) আমরা সবাই আত্মা রূপে হলাম ভাই-ভাই, এই পাঠ টি পাকা করতে হবে এবং করাতে হবে। নিজের সংস্কার গুলিকে স্মরণের দ্বারা সম্পূর্ণ পবিত্র করতে হবে।

২ ) ২৪ ক্যারেট প্রকৃত সত্য সোনা (সতোপ্রধান) হওয়ার জন্য কর্ম-অকর্ম-বিকর্মের গুহ্য গতিকে বুদ্ধিতে রেখে এখন আর কোনো বিকর্ম করবে না।

বরদান:-
সময় অনুসারে প্রত্যেকটি গুণ ও শক্তিকে ইউজ করে অনুভবী মূর্তি ভব

ব্রাহ্মণ জীবনের বিশেষত্ব হল অনুভব। যদি একটিও গুণ বা শক্তির অনুভূতি নেই তাহলে যে কোনো সময়ে বিঘ্নের বশীভূত হয়ে যাবে। এখন অনুভূতির কোর্স শুরু করো। প্রত্যেকটি গুণ বা শক্তি রূপী খাজানা ইউজ করো। যে সময় যে গুণের প্রয়োজন আছে সেই সময় সেই স্বরূপধারী হয়ে যাও। নলেজের রীতিতে বুদ্ধির লকারে খাজানা গুলি জমা রেখো না, ইউজ করো তবেই বিজয়ী হতে পারবে এবং বাঃ আমি বাঃ এই গান সদা গাইতে থাকবে।

স্লোগান:-
দূর্বল সঙ্কল্প গুলিকে সমাপ্ত করে শক্তিশালী সংকল্পের রচনাকারীও ডবল লাইট থাকে।