15.10.2021 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


মিষ্টি বাচ্চারা - কর্ম করাকালীন নিজেকে প্রেমিকা নিশ্চয় করে একমাত্র প্রিয়তমকে স্মরণ করো, স্মরণের দ্বারা-ই তোমরা পবিত্র হয়ে পবিত্র দুনিয়ায় যাবে

প্রশ্নঃ -
মহাভারতের যুদ্ধের সময়ে বাচ্চারা, বাবার কোন্ হুকুম (আজ্ঞা) আদেশ তোমাদের প্রাপ্ত হয়েছে ?

উত্তরঃ -
বাচ্চারা, বাবার হুকুম বা আদেশ হল - দেহী-অভিমানী হও। সবাইকে এই বার্তা দাও যে, এখন বাবা এবং রাজধানীকে (স্বর্গকে) স্মরণ করো । নিজের আচার আচরণ সংশোধন করো। অত্যন্ত মধুর হও। কাউকে দুঃখ দিও না। স্মরণে থাকার অভ্যস্ত হও এবং স্বদর্শন চক্রধারী হও। এগিয়ে চলার পুরুষার্থ করো।

ওম্ শান্তি ।
আত্মারূপী বাচ্চারা বসে আছে বাবার স্মরণে। এমন তো কোনো সৎসঙ্গ নেই, যেখানে কেউ বসে বলবে যে সব সন্তানেরা বসে আছে পিতার স্মরণে। এ হল একমাত্র স্থান। বাচ্চারা জানে বাবা নির্দেশ (ডাইরেকশন) দিয়েছেন যে, যত দিন বাঁচবে তত দিন বাবাকে স্মরণ করতে থাকো। এই কথা পারলৌকিক পিতা বলেন - হে বাচ্চারা। সব বাচ্চারাই শুনছে। বাচ্চারা শুধুমাত্র তোমাদের নয় বরং সবাইকে বলছেন। বাচ্চারা, বাবার স্মরণে থাকো তাহলে তোমাদের জন্ম-জন্মান্তরের যা পাপ আছে, যার কারণে আত্মায় মরিচা (দাগ) পড়েছে, সে'সব দূর হয়ে যাবে আর তোমাদের আত্মা সতোপ্রধান হয়ে যাবে। তোমাদের আত্মা আসলে ছিলই সতোপ্রধান পরবর্তীকালে পার্ট প্লে করতে করতে তমোপ্রধান হয়ে গেছে। এই মহাবাক্য বাবা ব্যতীত কেউ বলতে পারবে না। লৌকিক পিতার দুই চার জন সন্তান থাকবে। তাদেরকে বলা হবে রাম-রাম বলো বা পতিত-পাবন সীতারাম বলো অথবা শ্রীকৃষ্ণকে স্মরণ করো। এমন বলা হবে না হে বাচ্চারা, এখন আমি পিতা আমাকে স্মরণ করো। বাবা তো ঘরে আছেন। স্মরণের তো কথা নেই। অসীমের পিতা বলেন জীবের আত্মাদেরকে। আত্মারাই বাবার সামনে বসে আছে। আত্মাদের পিতা একবারই আসেন, ৫ হাজার বছর পরে আত্মাদের ও পরমাত্মার মিলন হয়। বাবা বলেন আমি কল্প কল্প এসে এই পাঠ পড়াই। হে বাচ্চারা, তোমরা আমাকে স্মরণ করে এসেছো - হে পতিত-পাবন এসো। আমি নিশ্চয়ই আসি। নাহলে স্মরণ করবে কতদিন ! সীমা তো নিশ্চয়ই হবে তাইনা ! মানুষ এই কথা জানেনা যে কলিযুগের সীমা কবে পূর্ণ হয়। এই কথাও বাবাকেই বলতে হয়। বাবা ব্যতীত তো কেউ বলবে না যে হে বাচ্চারা, আমাকে স্মরণ করো। মুখ্য কথা হল স্মরণের। রচনার চক্রকেও স্মরণ করা বড় কথা নয়। শুধু বাবাকে স্মরণ করতেই পরিশ্রম লাগে। বাবা বলেন - অর্ধকল্প হল ভক্তিমার্গ, অর্ধকল্প হল জ্ঞান মার্গ। জ্ঞানের প্রালব্ধ, তোমরা অর্ধকল্প প্রাপ্ত কর তারপরে অর্ধকল্প ভক্তির প্রালব্ধ। ওই হল সুখের প্রালব্ধ, এই হল দুঃখের প্রালব্ধ। দুঃখ আর সুখের এই খেলা পূর্ব নির্দিষ্ট আছে। নতুন দুনিয়ায় সুখ, পুরানো দুনিয়ায় আছে দুঃখ। মানুষ এইসব কথা জানেনা। বলেও থাকে আমাদের দুঃখ হরণ করো, সুখ প্রদান করো। অর্ধকল্প রাবণের রাজত্ব চলে। এই কথাও কেউ জানেনা যে এক বাবা ব্যতীত অন্য কেউ দুঃখ দূর করতে পারে না। শরীরের অসুখ ইত্যাদি ডাক্তার ঠিক করে, সেসব তো হল অল্পকালের জন্য। এ হল স্থায়ী, অর্ধকল্পের জন্য। নতুন দুনিয়াকে স্বর্গ বলা হয়। নিশ্চয়ই সেখানে সবাই সুখী হবে। তখন এত সংখ্যায় আত্মারা কোথায় থাকবে ? এই কথা কারো বুদ্ধিতে আসে না। তোমরা জানো এই হল নতুন পড়াশোনা, যিনি পড়াচ্ছেন তিনিও নতুন। ভগবানুবাচ, আমি তোমাদের রাজার রাজা করি। এই কথাও সঠিক যে সত্যযুগে একটি ধর্ম থাকে তাহলে নিশ্চয়ই বাকি ধর্ম গুলি বিনাশ হয়ে যাবে। নতুন দুনিয়া ও পুরানো দুনিয়া কাকে বলা হয়, সত্য যুগে কে থাকে - এইকথাও এখন তোমরা জানো। সত্য যুগে এক আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্মের রাজ্য ছিল। গতকালের ই তো কথা। এই কাহিনী হল - ৫ হাজার বছরের। বাবা বলে দেন ৫ হাজার বছর পূর্বে ভারতে এই দেবী-দেবতাদের রাজ্য ছিল। তারা ৮৪ জন্ম গ্রহণ করে এখন পতিত হয়েছে তাই এখন আহবান করে যে এসে পবিত্র বানাও। নিরাকারী দুনিয়ায় তো সব পবিত্র আত্মারা থাকে। তারপরে নীচে এসে পার্ট প্লে করে তখন সতো রজো তমো তে আসে। সতোপ্রধানকে নির্বিকারী বলা হয়। তমোপ্রধান নিজেকে বিকারী বলে। তারা বোঝে দেবী-দেবতারা নির্বিকারী ছিল, আমরা বিকারী হয়েছি তাই বাবা বলেন - দেবতাদের যারা পূজারী আছে তাদের এই জ্ঞান সেকেন্ডে বুদ্ধিতে বসবে কারণ তারা হল দেবতা ধর্মের । এখন তোমরা জানো আমরা যারা পূজ্য ছিলাম, তারাই এখন পূজারী হয়েছি। যেমন খ্রীস্টানরা খ্রীষ্টের পূজা করে কারণ সেই ধর্মের। তোমরাও দেবতাদের পূজা কর অর্থাৎ সেই ধর্মের বলেই তাইনা। দেবতারা ছিল নির্বিকারী, তারা ই এখন বিকারী হয়েছে। বিকারের জন্য কত অত্যাচার হয়।

বাবা বলেন - আমাকে স্মরণ করলে তোমাদের বিকর্ম বিনাশ হবে এবং তোমরা সদা সুখী হবে। এখানে হল সদা দুঃখী। এখানে আছে অল্পকালের সুখ। সেখানে তো সবাই সুখী থাকবে। তবুও পদ মর্যাদায় তফাৎ আছে তাইনা। সুখের রাজধানী আছে, দুঃখেরও রাজধানী আছে। বাবা যখন আসেন তখন বিকারী রাজাদের রাজত্ব শেষ হয়ে যায় কারণ এখানকার প্রালব্ধ পূর্ণ হয়েছে। এখন তোমরা বাচ্চারা জানো বাবার শ্রীমৎ অনুসারে চলতে হবে। বাবা বলেন যেমন আমি শান্তির সাগর, প্রেমের সাগর, তোমাদেরকেও অমন বানাই। এই মহিমা একমাত্র বাবার। কোনো মানুষের মহিমা নয়। তোমরা বাচ্চারা জানো বাবা হলেন পবিত্রতার সাগর। আমরা আত্মারাও যখন পরমধামে থাকি তখন আমরা হই পবিত্র। এই ঈশ্বরীয় নলেজ বাচ্চারা তোমাদের কাছেই আছে অন্য কেউ জানেনা। যেমন ঈশ্বর হলেন জ্ঞানের সাগর, তিনি স্বর্গের অধিকার প্রদান করেন । তাঁকে বাচ্চাদের নিজ সম অবশ্যই বানাতে হয় । প্রথমে তোমাদের কাছে বাবার পরিচয় ছিলনা। এখন তোমরা জানো পরমাত্মা যাঁর এ'তো মহিমা তিনি আমাদের এমন উচ্চ বানান, তাই নিজেদেরকে এমন উচ্চে পরিণত হওয়া উচিত। যেমন বলা হয় না - এনার দিব্যগুণ খুব ভালো, যেন দেবতা স্বরূপ....। কারো স্বভাব শান্ত হয়, সে কাউকে কটু কথা বলে না তখন তাকে ভালো মানুষ বলা হয়। কিন্তু সে বাবাকে বা সৃষ্টি চক্রের বিষয়ে জানেনা। বাচ্চারা, এখন বাবা এসে তোমাদেরকে অমরলোকের মালিক করেন। নতুন দুনিয়ার মালিক বাবা ব্যতীত কেউ করতে পারে না। এই হল পুরানো দুনিয়া, ওই হল নতুন দুনিয়া। সেখানে দেবী-দেবতাদের রাজধানী থাকে। কলিযুগে সেই রাজধানী নেই। অন্য রাজধানী গুলি আছে। এখন আবার অনেক রাজধানীর বিনাশ হয়ে একটি রাজধানী স্থাপন হবে। অবশ্যই যখন রাজধানী থাকে না তখন বাবা এসে স্থাপনা করেন। তাও বাবা ব্যতীত কেউ করতে পারে না। বাচ্চারা, বাবার প্রতি তোমাদের কতখানি ভালোবাসা থাকা উচিত। বাবা যা বলবেন তাই নিশ্চয়ই করবো। এক তো বাবা বলেন আমাকে স্মরণ করো আর সার্ভিস করো, অন্যদেরকে পথ বলে দাও। দেবী-দেবতা ধর্মের যারা থাকবে তারা প্রভাবিত হবে নিশ্চয়ই। আমরা মহিমা করেই থাকি একমাত্র বাবার। বাবার গুণ আছে তাই বাবা ই এসে আমাদের গুণবান বানান। বাবা বলেন বাচ্চারা, খুব মধুর হও। ভালোবাসা সহকারে সবাইকে বোঝাও। ভগবানুবাচ মামেকম্ স্মরণ করো তাহলে আমি তোমাদের স্বর্গের মালিক বানাবো। তোমাদেরকে এখন ঘরে ফিরে যেতে হবে। পুরানো দুনিয়ার বিনাশ সামনে দাঁড়িয়ে আছে। পূর্বেও মহাভারী মহাভারতের যুদ্ধ হয়েছিল। ভগবান রাজ যোগের শিক্ষা প্রদান করেছিলেন। এখন অনেক ধর্ম আছে। সত্য যুগে একটি ধর্ম ছিল, যা এখন প্রায় লুপ্ত হয়েছে। এখন বাবা এসে অনেক ধর্মের বিনাশ করিয়ে, একটি ধর্মের স্থাপনা করেন। বাবা বোঝান আমি এই যজ্ঞের রচয়িতা, অমরপুরীতে যাওয়ার জন্য তোমাদেরকে অমরকথা শোনাই। অমর লোক যেতে হবে তাই মৃত্যুলোকের বিনাশ তো অবশ্যই হবে। বাবা হলেন নতুন দুনিয়ার রচয়িতা। সুতরাং বাবাকে নিশ্চয়ই এখানে আসতে হবে। এখন তো বিনাশ জ্বালা সম্মুখে উপস্থিত। তখন বুঝবে তোমরা ঠিকই বলো এই হল সেই মহাভারতের যুদ্ধ। এই যুদ্ধ খুব বিখ্যাত, অতএব এই সময় নিশ্চয়ই ভগবানও আছেন। ভগবান কীভাবে আসেন, এই কথা তো তোমরা বোঝাতে পারো। তোমরা সবাইকে বলো যে আমাদের তো ডাইরেক্ট ভগবান বোঝান। তিনি বলেন তোমরা আমাকে স্মরণ করো। সত্যযুগে তো সবাই হয় সতোপ্রধান, এখন তমোপ্রধান আছে। এখন পুনরায় সতোপ্রধান হও তবে মুক্তি-জীবনমুক্তিতে যাও।

বাবা বলেন - শুধুমাত্র আমার স্মরণের দ্বারাই তোমরা সতোপ্রধান হয়ে সতোপ্রধান দুনিয়ার মালিক হয়ে যাবে। আমরা হলাম আত্মিক পান্ডা, যাত্রা করি - মন্মনাভবের। বাবা এসে ব্রাহ্মণ ধর্ম, সূর্যবংশী চন্দ্রবংশী ধর্মের স্থাপনা করেন। বাবা বলেন - আমাকে স্মরণ না করলে জন্ম জন্মান্তরের পাপের বোঝা নামবে না। এই হল সবচেয়ে বড় চিন্তা। কর্ম করতে, ব্যবসা ইত্যাদি করতে করতে আমার প্রেমিকারা আমাকে তোমাদের প্রেমিককে স্মরণ করো। প্রত্যেককে নিজের সম্পূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। বাবাকে স্মরণ করো। কোনোরকম পতিত কর্ম করবে না। ঘরে-ঘরে বাবার বার্তা দিতে থাকো ভারত স্বর্গ ছিল। লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজত্ব ছিল। এখন হয়েছে নরক। নরকের বিনাশের জন্য এই হল সেই মহাভারতের যুদ্ধ। এখন দেহী-অভিমানী হও। বাবার আদেশ হল - মানো বা না মানো। আমরা তো তোমাদের খবর দিতে এসেছি। বাবার আদেশ - সবাইকে খবর দাও। বাবাকে জিজ্ঞাসা করে - কি সার্ভিস করি, বাবা বলেন - সংবাদ প্রচার করতে থাকো। বাবাকে স্মরণ করো, রাজধানীকে স্মরণ করো। অন্তিম সময়ে যেমন মতই তেমনই গতি প্রাপ্ত হবে। মন্দিরে যাও, গীতা পাঠশালায় যাও। ভবিষ্যতে তোমাদের আরো অনেকের সঙ্গে দেখা হবে। দেবী দেবতা ধর্মের মানুষদের উপরে তুলতে হবে তোমাদের।

বাবা বোঝান খুব মধুর হও। আচার আচরণ খারাপ হলে পদ ভ্রষ্ট হয়ে যাবে। কাউকে দুঃখ দেবে না, সময় খুব কম আছে। প্রিয়তম বাবাকে স্মরণ করো, যার দ্বারা স্বর্গের রাজত্ব প্রাপ্ত হয়। কারো মুরলী যদি না চলে তবে সিঁড়ির চিত্রের সামনে বসে এই চিন্তন করো - এমন এমন ভাবে আমরা জন্ম গ্রহণ করি, এমন করে চক্র আবর্তিত হয়.... তাহলে আপনা আপনি বাণী প্রখর হবে। যে কথা অন্তরে আসে, সেসব বাইরে নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবে। স্মরণ করলে আমরা পবিত্র হবো এবং নতুন দুনিয়ায় রাজত্ব করবো। আমাদের এখন হল উত্তরণ কলা। তাই মনে খুশী থাকা উচিত। আমরা মুক্তিধাম গিয়ে তারপরে জীবনমুক্তিতে আসবো। খুব ভারী এই উপার্জন। ব্যবসা ইত্যাদি যা করছো করো - শুধুমাত্র বুদ্ধি দ্বারা স্মরণ করো। স্মরণে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া উচিত। স্ব দর্শন চক্রধারী হতে হবে। আচার আচরণ খারাপ থাকলে ধারণ হবে না। কাউকে বোঝাতে পারবে না। এগিয়ে যাওয়ার পুরুষার্থ করা উচিত। কখনো পেছোবে না। প্রদর্শনীতে সার্ভিস করলে অনেক খুশী অনুভব হবে। শুধু বলতে হবে বাবা বলেন আমাকে স্মরণ করো। দেহধারীদের স্মরণ করলে বিকর্ম সৃষ্টি হবে। স্বর্গের অধিকার আমি ই প্রদান করি। আমি সকলের পিতা। আমি ই এসে তোমাদের মুক্তি-জীবনমুক্তিতে নিয়ে যাই। প্রদর্শনী মেলায় সার্ভিস করার অনেক শখ থাকা উচিত। সার্ভিসে মনোযোগ দেওয়া উচিত। বাচ্চাদের আপনা থেকেই চিন্তন আসা উচিত। আচ্ছা !

মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১ ) এক বাবার সঙ্গে সম্পূর্ণ ভালোবাসা রাখবে। সবাইকে সত্য পথ বলে দিতে হবে। ব্যবসা ইত্যাদি করতে করতে নিজের পুরোপুরি খেয়াল রাখতে হবে। একের স্মরণে থাকতে হবে।

২) সার্ভিস করার প্রচুর শখ রাখতে হবে। নিজের আচার আচরণ ঠিক করতে হবে, স্বদর্শন চক্রধারী হতে হবে।

বরদান:-
করন-করাবনহার (তিনিই করাচ্ছেন) এই স্মৃতির দ্বারা সহজযোগের অনুভবকারী সফলতা মুর্তি ভব

যে কোনো কাজ করার সময়ে এই স্মৃতি যেন থাকে যে, এই কাজের নিমিত্ত বানিয়েছেন সেই ব্যাকবোনকে। ব্যাকবোন ব্যতীত কোনও কর্মে সফলতা প্রাপ্ত হতে পারে না, তাই কোনও কর্ম করাকালীন শুধুমাত্র এই সঙ্কল্প করো আমি নিমিত্ত, করাচ্ছেন স্বয়ং সর্ব সমর্থ বাবা। এই কথা স্মৃতিতে রেখে কর্ম করো তাহলে সহজ যোগের অনুভূতি হতে থাকবে। পরে এই সহজযোগ সহজ রাজত্ব করাবে। এখানকার সংস্কার সেখানে নিয়ে যাবে।

স্লোগান:-
ইচ্ছে গুলি হল ছায়ার মতন, ইচ্ছে গুলিকে পিঠ দেখালে সেগুলিই তোমার পিছনে পিছনে আসবে।