23.05.2020 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


"মিষ্টি বাচ্চারা - নিজেকে রাজতিলক দেওয়ার যোগ্য করে তোলো, যত অধ্যয়ণ করবে, শ্রীমতে চলবে, ততই রাজতিলক প্রাপ্ত হবে"

প্রশ্নঃ -
কোন্ স্মৃতিতে থাকলে, রাবণপনার স্মৃতি বিস্মৃত হয়ে যাবে ?

উত্তরঃ -
সর্বদা যেন স্মৃতি থাকে যে, আমরা স্ত্রী-পুরুষ নই, আমরা হলাম আত্মা, আমরা বড়ো বাবার(শিববাবা) থেকে ছোটো বাবা(ব্রহ্মা বাবা) দ্বারা উত্তরাধিকার গ্রহণ করছি। এই স্মৃতি রাবণপনার স্মৃতিকে ভুলিয়ে দেবে। যখন আমাদের এই স্মৃতি আসে যে, আমরা হলাম এক ঈশ্বর পিতার সন্তান, তখন রাবণপনার স্মৃতি সমাপ্ত হয়ে যায়। এটাও হলো পবিত্র থাকার খুবই ভালো যুক্তি। কিন্তু এর জন্য পরিশ্রম দরকার।

গীতঃ-
তোমাকে পেয়ে আমরা সমগ্র দুনিয়াকে পেয়ে গেছি...

ওম্ শান্তি ।
 আত্মাদের বাবা বসে আত্মা রূপী বাচ্চাদের বোঝান। দেখো, সকলে তিলক এখানে, মানে ভ্রূকুটিতে দেয়। এক তো এই জায়গায় হলো আত্মার নিবাস, দ্বিতীয়তঃ আবার রাজ তিলকও এখানে দেওয়া হয়। এটা হল আত্মার চিহ্ন । এখন আত্মার চাই বাবার স্বর্গীয় উত্তরাধিকার। সূর্যবংশী- চন্দ্রবংশী মহারাজা মহারাণী হওয়ার জন্য অধ্যয়ণ করা হয়। এই অধ্যয়ণ করা মানেই হলো নিজেকে নিজে রাজতিলক দেওয়া। তোমরা এখানে এসেছোই অধ্যয়ণ করতে। যে আত্মারা এখানে নিবাস করে তারা বলে- বাবা, আমরা আপনার থেকে অবশ্যই বিশ্বের স্বরাজ্য প্রাপ্ত করবো। নিজের জন্য প্রত্যেককে নিজের নিজের পুরুষার্থ করতে হবে। বলে- বাবা, আমরা এরকম সুযোগ্য হয়ে দেখাবো। আপনি আমাদের চলনকে দেখতে থাকুন যে কীভাবে চলি। আপনিও জানতে পারবেন আমরা নিজেকে রাজতিলক দেওয়ার যোগ্য হয়েছি কি না। বাচ্চারা, তোমাদের বাবার সুযোগ্য হয়ে দেখাতে হবে। বাবা আমরা অবশ্যই আপনার নাম উজ্জ্বল করবো। আমরা আপনার সাহায্যকারী, তাই নিজেরা সাহায্যকারী হয়ে ভারতে নিজের রাজত্ব করবো। ভারতবাসী বলে, এ হল আমার রাজ্য। কিন্তু সেই বেচারাদের জানা নেই যে এখন আমরা বিষয় বৈতরণী নদীতে পড়ে আছি। আমি এই আত্মার তো রাজ্য নেই। এখন তো আত্মা উল্টো ভাবে ঝুলে পড়ে আছে। খাওয়ারও পায় না। যখন এরকম অবস্থা হয় তখন বাবা বলেন এখন তো আমার বাচ্চাদের খাওয়ার জন্যও পাওয়া যায় না, এখন আমি গিয়ে এদেরকে রাজযোগ শেখাবো। অসীম জগতের পিতাকে স্মরণ করে। তিনি হলেনই নূতন দুনিয়ার রচনাকার। বাবা পতিত পাবনও, আবার জ্ঞানের সাগরও। এটা তোমরা ছাড়া আর কারোর বুদ্ধিতে নেই। এটা শুধুমাত্র তোমরা অর্থাৎ বাচ্চারা জানো- বরাবরই আমাদের বাবা হলেন জ্ঞানের সাগর, সুখের সাগর। এই মহিমা দৃঢ় ভাবে স্মরণ করে নাও, ভুলো না। বাবার মহিমা যে। এই বাবা হলেন পুনর্জন্ম রহিত। কৃষ্ণের মহিমা একদম আলাদা। প্রাইম মিনিস্টার আর প্রেসিডেন্টের মহিমা তো আলাদা আলাদা হয়, তাই না। বাবা বলেন, আমারও এই ড্রামাতে উচ্চতমের চেয়ে ও উচ্চ পার্ট প্রাপ্ত হয়েছে। ড্রামাতে অভিনেতাদের জানা আবশ্যক তো যে, এটা হলো অসীম জগতের ড্রামা, এর আয়ু কত। যদি না জেনে থাকে, তো তাকে অবুঝ বলা হবে। কিন্তু এটা কি আর কেউ বোঝে ! বাবা এসে কন্ট্রাস্ট বলে দেন যে, মানুষ কি থেকে কি হয়ে যায়। এখন তোমরা বুঝতে পারো, মানুষের একদম জানা নেই যে, ৮৪ জন্ম কি ভাবে নেওয়া হয়। ভারত কতো উচ্চ মানের ছিলো, চিত্র আছে না ! সোমনাথ মন্দির থেকে কতো ধন লুন্ঠন করে গেছে। কতো ধন ছিলো। বাচ্চারা, এখন তোমরা এখানে অসীম জগতের পিতার সাথে মিলিত হতে এসেছো। বাচ্চারা জানে যে, বাবার থেকে রাজতিলক শ্রীমত অনুযায়ী নিতে এসেছি। বাবা বলেন, পবিত্র অবশ্যই হতে হবে। জন্ম-জন্মান্তর বিষয় বৈতরণী নদীতে গুঁতো খেয়েও ক্লান্ত হওনি ! মানুষ বলেও থাকে, আমি হলাম পাপী, আমার এই নির্গুণ জীবনে কোনো গুণ নেই। তবে তো অবশ্যই কোনো গুণ ছিলো, যা আজ নেই।

এখন তোমরা বুঝে গেছো - আমরা বিশ্বের মালিক, সর্বগুণ সম্পন্ন ছিলাম। এখন কোনো গুণ আর নেই। এটাও বাবা বুঝিয়ে দেন। বাচ্চাদের রচয়িতা হলেনই বাবা। তাই একমাত্র বাবারই চিন্তা হয় বাচ্চাদের জন্য। বাবা বলেন আমারও ড্রামাতে হলো এই পার্ট। কতো তমোপ্রধান হয়ে গেছে। মিথ্যা পাপ, ঝগড়া কি কি সব লেগেই আছে। সমস্ত ভারতবাসী বাচ্চারা ভুলে গেছে যে আমরা কোনো সময় বিশ্বের মালিক, মস্তকে ডবল মুকুটধারী ছিলাম। বাবা তাদের স্মরণ করিয়ে দেন, তোমরা বিশ্বের মালিক ছিলে আবার তোমরা ৮৪ জন্ম নিতে এসেছো। তোমরা নিজেদের ৮৪ জন্ম ভুলে গেছো। আশ্চর্যের, তাই না ! ৮৪ এর পরিবর্তে ৮৪ লাখ জন্ম লাগিয়ে দিয়েছে, তারপর কল্পের আয়ুও লক্ষ বছর বলে দিয়েছে। ঘোর অন্ধকারে আছে যে। কি মিথ্যা। ভারতই সত্যভূমি ছিলো, ভারতই হলো মিথ্যা ভূমি। মিথ্যা ভূমি কে করলো, সত্য ভূমি কে করলো- এটা কারোর জানা নেই। রাবণকে একেবারেই জানে না। ভক্তরা রাবণকে জ্বালায়। কোনো রিলিজিয়াস (ধর্মীয়) মানুষ হলে, তাকে তোমরা বলো যে মানুষ এখানে কি কি করে। সত্যযুগ যাকে হেভেন, প্যারাডাইস(স্বর্গ)। বলো সেখানে শয়তান রাবণ আসবে কোথা থেকে। হেলের (নরকের) মানুষ সেখানে কীভাবে থাকতে পারে। তাই বুঝতে পারবে এটা তো হলো বরাবরই ভুল। তোমরা রামরাজ্যের চিত্রের উপর বোঝাতে পারো, এর মধ্যে রাবণ কোথা থেকে এলো ? তোমরা এটা বুঝেও বোঝো না। বিরলই কেউ বের হয়। তোমরা কতো কম সংখ্যক, তবুও সময় এগোলে দেখবে, কতো জন রইলো। তাই বাবা বুঝিয়েছেন- আত্মার ছোটো চিহ্নও এখানেই দেখানো হয়। বড় চিহ্ন হলো রাজতিলক। এখন বাবা এসেছেন। নিজেকে বড় তিলক কীভাবে দিতে হবে, তোমরা স্বরাজ্য কীভাবে প্রাপ্ত করতে পারো? সেই রাস্তা বলে দেওয়া হয়। তার নাম রেখে দিয়েছে রাজযোগ। শেখানোর জন্য হলেন বাবা। কৃষ্ণ কি আর বাবা হতে পারে ! সে তো হলো বাচ্চা, আবার রাধার সাথে স্বয়ংবর হয় তখন একটি বাচ্চা হবে। তাছাড়া কৃষ্ণের এতো রাণী ইত্যাদি দিয়ে দিয়েছে, এটা তো মিথ্যা, তাই না! কিন্তু এটাও ড্রামাতে নির্ধারিত হয়ে আছে, এরকম কথা আবারও শুনবে। এখন তোমাদের অর্থাৎ বাচ্চাদের বুদ্ধিতে আছে- কীভাবে আমরা অর্থাৎ আত্মারা উপর থেকে আসি ভূমিকা পালন করতে। এক শরীর ত্যাগ করে দ্বিতীয় শরীর ধারণ করি। এটা তো খুবই সহজ যে না! বাচ্চা জন্মালো, তাকে শেখানো হয়- এটা বলো। তাই শেখালে শিখে যায়। তোমাদের বাবা কি শেখান ? শুধু বলেন- বাবা আর উত্তরাধিকারকে স্মরণ করো। তোমরা গেয়েও থাকো তুমি মাতা-পিতা... আত্মা গান করে - বরাবর অপার সুখ প্রাপ্ত হয়। বাচ্চারা, তোমরা জানো যে- শিববাবা আমাদের পড়াচ্ছেন। এখানে তোমরা শিববাবার কাছে এসেছো।ভগীরথ তো হলো মানুষের রথ যে না ? এঁনার মধ্যে পরমপিতা পরমাত্মা বিরাজমান হন, কিন্তু রথের নাম কি? এখন তোমরা জানো যে, নাম হলো ব্রহ্মা, কারণ ব্রহ্মা দ্বারা ব্রাহ্মণ রচনা হয় যে ! প্রথমে হয়ই ব্রাহ্মণ টিকিধারী, তারপর দেবতা। প্রথমে তো ব্রাহ্মণ দরকার, সেইজন্য বিরাট রূপও দেখানো হয়েছে। তোমরা অর্থাৎ ব্রাহ্মণরাই আবার দেবতা হও। বাবা খুব ভালো করে বোঝান, তবুও ভুলে যাও। বাবা বলেন- বাচ্চারা, সর্বদা মনে রাখো যে, আমি স্ত্রী- পুরুষ নই, আমি হলাম আত্মা। আমি বড় বাবার (শিববাবা) থেকে ছোটো বাবা (ব্রহ্মা) দ্বারা উত্তরাধিকার নিচ্ছি, তাই রাবণপনার স্মৃতি বিস্মৃত হয়ে যাবে। এটা পবিত্র থাকার খুবই ভালো যুক্তি। বাবার কাছে অনেকে জোড়ে আসে, দুজনেই বলে বাবা। যখন কি না মনে পড়ে আমরা এক বাবার বাচ্চা হই তো আবার রাবণপনার স্মৃতি বিস্মৃত হয়ে যাওয়া উচিত, এতে পরিশ্রমের দরকার। পরিশ্রম ব্যতীত কিছু চলতে পারে না। আমরা বাবার হয়েছি, ওঁনাকেই স্মরণ করি। বাবাও বলেন আমাকে স্মরণ করলে তবে বিকর্ম বিনাশ হবে। ৮৪ জন্মের কাহিনী হলো একদম সহজ। এছাড়া পরিশ্রম হলো বাবাকে স্মরণ করতে। বাবা বলেন পুরুষার্থ করে কম করে ৪ঘন্টা তো স্মরণ করো। এক ঘন্টা---আধা ঘন্টা। ক্লাসে এলে তবে মনে পড়বে - বাবা আমাদের এটা পড়ান। এখন তো তোমরা বাবার সম্মুখে যে না! বাবা বাচ্চা বাচ্চা বলে বোঝান। তোমরা অর্থাৎ বাচ্চারা শোনো। বাবা বলেন হিয়ার নো ইভিল...এটাও এখনকারই কথা।

বাচ্চারা, তোমরা এখন জানো যে আমরা জ্ঞান সাগর বাবার কাছে, বাবার সম্মুখে এসেছি। জ্ঞান সাগর বাবা তোমাদের সমগ্র সৃষ্টির জ্ঞান শোনাচ্ছেন। আবার কেউ এই জ্ঞান গ্রহণ করবে কি করবে না সেটা তার উপর নির্ভর করে। বাবা এসে এখন আমাদের জ্ঞান প্রদান করছেন। আমরা এখন রাজযোগ শিখছি। আবার কোনো শাস্ত্রেরও অংশ থাকবে না। ভক্তি মার্গে কিঞ্চিৎ মাত্রও জ্ঞান নেই। জ্ঞান সাগর যখন আসেন, তখন তিনি জ্ঞান শোনান। ওঁনার জ্ঞান হলই সদ্গতির জন্য। সদ্গতি দাতা হলেনই একজন, যাঁকে ভগবান বলা হয়। সকলেই এক পতিত-পাবনকেই ডাকে আবার দ্বিতীয় কেউ কি হতে পারে! এখন বাবার দ্বারা তোমরা অর্থাৎ বাচ্চারা সত্যিকারের কথা শুনছো। বাবা শুনিয়েছেন- বাচ্চারা, আমি তোমাদের কতো বিত্তশালী করে গিয়েছিলাম। ৫ হাজার বছরের কথা। তোমরা ডবল মুকুটধারী ছিলে, পবিত্রতারও মুকুট ছিলো, আবার যখন রাবণ রাজত্ব শুরু হয় তখন তোমরা পূজারী হয়ে যাও। এখন বাবা পড়াতে এসেছেন তো তাঁর শ্রীমতে চলতে হবে, আরো সকলকে বোঝাতে হবে। বাবা বলেন আমাকে এই শরীর লোন নিতে হয়। সমস্ত মহিমা সেই একেরই, আমি তো হলাম তাঁর রথ, ষাঁড় নই। সমস্ত বলিহারি তোমাদের, বাবা তোমাদের শোনান, আমি মধ্যবর্তী হয়ে শুনে নিই। আমাকে একা কীভাবে শোনাবেন! তোমাদের শোনান, আমিও শুনে নিই। ইনিও (ব্রহ্মা বাবা) হলেন পুরুষার্থী স্টুডেন্ট। তোমরাও হলে স্টুডেন্ট। ইনিও পড়াশুনা করেন। বাবার স্মরণে থাকেন। কতো খুশীতে থাকে। লক্ষ্মী-নারায়ণকে দেখে খুশী হন- আমি এই রকম হতে চলেছি। তোমরা এখানে এসেছোই স্বর্গের প্রিন্স-প্রিন্সেজ হতে। রাজযোগ যে। এইম অবজেক্টও আছে। যিনি পড়ান তিনিও বসে আছেন, তবে এতো খুশী হবে নাই বা কেনো! ভিতরে-ভিতরে খুবই খুশী হওয়া উচিত। বাবার থেকে আমরা প্রতি কল্পে উত্তরাধিকার নিচ্ছি। এখানে জ্ঞান সাগরের কাছে আসে, জলের তো কোনো ব্যাপারই নেই। এটা তো বাবা সম্মুখে বোঝাচ্ছেন। তোমরাও এই দেবতা হওয়ার জন্যই পড়াশুনা করছো। বাচ্চাদের খুবই খুশী হওয়া উচিত- যে এখন আমরা নিজেদের গৃহে যেতে চলেছি। এখন, যে যতো পড়াশুনা করবে সেরকমই উচ্চ পদ প্রাপ্ত করবে। প্রত্যেককে নিজের পুরুষার্থ করতে হবে। আশাহত হয়ো না। খুবই বড় লটারি এটা। বুঝতে পেরেও আশ্চর্য ভাবে পালিয়ে গিয়ে পড়াশুনা ছেড়ে দেয়। মায়া কতো প্রবল।

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১) নিজেকে রাজতিলক দেওয়ার যোগ্য করে তুলতে হবে। সুযোগ্য বাচ্চা হয়ে প্রমাণ দিতে হবে। আচার-আচরণ খুবই রয়্যাল হতে হবে। সম্পূর্ণ ভাবে বাবার সাহায্যকারী হতে হবে।

২) আমরা হলাম স্টুডেন্ট, ভগবান আমাদের পড়াচ্ছেন, এই খুশীতে পড়া পড়তে হবে। পুরুষার্থে কখনো হতাশ হতে নেই।

বরদান:-
কন্ট্রোলিং পাওয়ার দ্বারা এক সেকেন্ডে, পেপারে পাশ করতে সক্ষম পাশ উইথ অনার ভব

এখনই-এখনই শরীরে আসা আর এখনই-এখনই শরীর থেকে পৃথক হয়ে গিয়ে অব্যক্ত স্থিতিতে স্থিত হয়ে যাও। পরিস্থিতি যতই অস্থিরতার হোক না কেন, নিজের স্থিতিও ততই অতি শান্ত যেন থাকে। এর জন্য গুটিয়ে নেওয়ার শক্তি থাকা চাই। এক সেকেন্ডে বিস্তার থেকে সার-এ চলে যাও আর এক সেকেন্ডে সার থেকে বিস্তারে এসো। এরকম কন্ট্রোলিং পাওয়ার সম্পন্নই বিশ্বকে কন্ট্রোল করতে পারবে। আর এই অভ্যাস শেষের এক সেকেন্ডের পেপারে পাশ উইথ অনার করে তুলবে।

স্লোগান:-
বাণপ্রস্থ স্থিতির অনুভব করো আর করাও তো বাল্যকালের খেলা সমাপ্ত হয়ে যাবে।