12.02.2026 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


“মিষ্টি বাচ্চারা - এ হলো কয়ামতের (বিনাশের) সময়, রাবণ সবাইকে কবরস্থান করেছে, বাবা এসেছেন অমৃতবর্ষা করে সাথে নিয়ে যেতে”

প্রশ্নঃ -
শিববাবাকে ভোলা ভান্ডারীও বলা হয় - কেন?

উত্তরঃ  
কারণ শিব ভোলানাথ যখন আসেন তখন গণিকা, অহল্যা, কুব্জাদের কল্যাণ করে তাদেরও বিশ্বের মালিক বানিয়ে দেন। তিনি আসেন পতিত দুনিয়ায় এবং পতিত শরীরে, তাই তিনি হলেন ভোলা বাবা, তাইনা। ভোলা বাবার ডাইরেকশন হলো - মিষ্টি বাচ্চারা, এখন অমৃত পান করো, বিকার রূপী বিষ ত্যাগ করো।

গীতঃ-
দূরদেশ নিবাসী...

ওম্ শান্তি ।
আত্মা রূপী বাচ্চারা গীতটি শুনলো অর্থাৎ আত্মারা এই শরীরের কান কর্মেন্দ্রিয়ের দ্বারা গানটি শুনলো। দূর দেশের পথিক আসেন, তোমরাও তো হলে পথিক, তাইনা। সব মনুষ্য আত্মারা হলো পথিক। আত্মার কোনো গৃহ নেই। আত্মা হলো নিরাকার। নিরাকারী দুনিয়ায় থাকে নিরাকারী আত্মারা। সেই স্থানকে বলা হয় নিরাকারী আত্মাদের ঘর দেশ বা লোক, এই জগৎকে জীব আত্মাদের দেশ বলা হয়। ওটা হলো আত্মাদের দেশ সেখান থেকে আত্মারা এখানে এসে যখন শরীরে প্রবেশ করে, তখন নিরাকার থেকে সাকারে পরিণত হয়। এমন নয় আত্মার কোনো রূপ নেই। রূপও নিশ্চয়ই আছে, নামও আছে। এত সূক্ষ্ম আত্মা বিশাল পার্ট প্লে করে শরীরের দ্বারা। প্রত্যেক আত্মায় পার্ট প্লে করার রেকর্ড ভরা আছে। রেকর্ড একবার ভরে গেলে যতবারই প্লে করো, একই ভাবে বাজবে। ঠিক সেই রকম আত্মাও হলো এই শরীরের ভিতরে রেকর্ড, যাতে ৮৪ জন্মের পার্ট ভরা আছে। যেমন বাবা হলেন নিরাকার, তেমনই আত্মাও হলো নিরাকার, কোথাও কোথাও শাস্ত্রে লিখে দিয়েছে ভগবান হলেন নাম রূপ বিহীন, কিন্তু নাম-রূপ বিহীন কোনো বস্তু হয় না। আকাশও হলো শূন্য। নাম তো আছে 'আকাশ'। নাম বিহীন কোনো কিছু হয় না। মানুষ বলে পরমপিতা পরমাত্মা। দূরদেশে তো সব আত্মারা বাস করে। এটা হলো সাকার দেশ, এখানেও দুটি রাজ্য চলে - রাম রাজ্য এবং রাবণ রাজ্য। অর্ধকল্প রাম রাজ্য , অর্ধকল্প হল রাবণ রাজ্য। বাবা কখনও বাচ্চাদের জন্য দুঃখের রাজ্য বানাবেন না। বলা হয় ঈশ্বর দুঃখ-সুখ প্রদান করেন। বাবা বোঝান, আমি কখনও নিজের সন্তানদের দুঃখ প্রদান করি না। আমার নামই হল দুঃখ হর্তা সুখ কর্তা। এ মানুষের ভুল ধারনা । ঈশ্বর কখনও দুঃখ দেন না। এই সময়টাই হলো দুঃখধাম। অর্ধকল্প রাবণ রাজ্যে তো কেবল দুঃখই প্রাপ্ত হয়। সুখ একটুও নেই। সুখধামে যদিও দুঃখ থাকে না। বাবা স্বর্গের রচনা করেন। এখন তোমরা হলে সঙ্গমে। এই দুনিয়াকে কেউ নতুন দুনিয়া তো বলবে না। নতুন দুনিয়ার নামই হল সত্য যুগ। এই নতুন দুনিয়াই যখন পুরানো হয় তখন কলিযুগ বলা হয়। নতুন জিনিস সুন্দর ও পুরানো জিনিস একটু কম সুন্দর হয়, তাই পুরানো জিনিস নষ্ট করা হয়। মানুষ বিষ পান করাকেই সুখ ভাবে। গায়নও আছে - অমৃত পান না করে বিষ পান কেন করো। তারপরে বলা হয় তোমার কল্যাণে সর্বজনের কল্যাণ। (ভগবান) তুমি এসে যা করবে তাতে কল্যাণই হবে। তা নাহলে রাবণ রাজ্যে মানুষ খারাপ কাজই করবে। এই কথা তো বাচ্চারা জেনেছে যে গুরুনানক চলে গেছেন ৫০০ বছর হয়ে গেছে আবার কবে আসবেন? তখন বলবে নানকের আত্মা, জ্যোতিতে জ্যোতি মিলিয়ে গেছে। আসবে কীভাবে। তোমরা বলবে আজ থেকে ৪৫০০ বছর পরে গুরুনানক পুনরায় আসবেন। তোমাদের বুদ্ধিতে সম্পূর্ণ বিশ্বের হিস্ট্রি-জিওগ্রাফি পরিক্রমণ করছে। এই সময় সব হল তমোপ্রধান, একেই বিনাশের সময় বলা হয়। সব মানুষ যেন মৃত। সবার জ্যোতি নিস্তেজ হয়ে আছে। বাবা আসেন সবাইকে জাগ্রত করতে। বাচ্চারা যারা কাম চিতায় বসে ভস্ম হয়ে গেছে, তাদেরকে অমৃত বর্ষা করে জাগ্রত করে সঙ্গে নিয়ে যাবেন। মায়া রাবণ কাম চিতায় বসিয়ে কবরস্থান করে দিয়েছে। সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। এখন বাবা জ্ঞান অমৃত পান করাচ্ছেন। এবারে কোথায় জ্ঞান অমৃত আর কোথায় সেই জল। শিখ ধর্মের মানুষের বড় দিন হয় তখন ধুমধাম করে পুকুর পরিষ্কার করে, মাটি বের করে তাই নাম রেখেছে - অমৃতসর। অমৃতের পুকুর। গুরুনানকও বাবার মহিমা বর্ণনা করে গেছেন। তিনি বলেছেন এক ওঁকার, সত্য নাম....উনি সর্বদা সত্য বলেন। সত্যনারায়ণের কাহিনী আছে, তাইনা। মানুষ ভক্তিমার্গে কত রকমের কাহিনী শুনেছে। অমরকথা, তিজরীর কথা .....। বলে শঙ্কর বসে পার্বতীকে কাহিনী শুনিয়েছিলেন। শংকর তো সূক্ষ্ম বতনে থাকেন, সেখানে কি কাহিনী শুনিয়েছেন? এই সব কথা বাবা বসে বোঝান যে, বাস্তবে তোমাদেরকে অমর কথা শুনিয়ে অমর লোকে নিয়ে যেতে আমি এসেছি। মৃত্যুলোক থেকে অমরলোকে নিয়ে যাই। বাকি সূক্ষ্মবতনে পার্বতী কি দোষ করেছে যে তাকে অমরকথা শোনাবেন। শাস্ত্রে তো অনেক কথা লিখে দিয়েছে। সত্যনারায়ণের সত্যকাহিনী তো নেই। তোমরা সত্যনারায়ণের কাহিনী অনেক বার শুনেছো হয়তো। তাহলে কেউ সত্যনারায়ণ স্বরূপে পরিণত হয় না বরং আরও পতিত হয়ে যায়। এখন তোমরা বুঝেছো আমরা নর থেকে নারায়ণ, নারী থেকে লক্ষ্মী হচ্ছি। এই হল অমর লোক যাওয়ার প্রকৃত রূপে সত্য নারায়ণের কথা, তিজরীর কথা বা কাহিনী। তোমরা আত্মারা এখন জ্ঞানের তৃতীয় নেত্র প্রাপ্ত করেছো। বাবা বোঝান তোমরাই গুলগুল (ফুল সম) পূজ্য ছিলে তারপরে ৮৪ জন্মের পর তোমরাই পূজারী হয়েছো তাই গায়ন আছে - নিজেরাই পূজ্য, নিজেরাই পূজারী। বাবা বলেন - আমি তো হলাম সদা পূজ্য স্বরূপ। আমি এসে তোমাদেরকে পূজারী থেকে পূজ্য স্বরূপে পরিণত করি। এই হল পতিত দুনিয়া। সত্য যুগে পূজ্য পবিত্র মানুষ, এই সময়ে পূজারী পতিত মানুষ। সাধু-সন্ন্যাসীরা গান করে পতিত-পাবন সীতারাম। এই শব্দ গুলি হলো রাইট.... সব সীতারা হলো ব্রাইডস। তারা বলে হে রাম এসে আমাদের পবিত্র করো। সব ভক্তরা আহবান করে, আত্মা আহবান করে - হে রাম। গান্ধীজী গীতা পাঠ পূর্ণ করে বলতেন - হে পতিত-পাবন সীতারাম। এখন তোমরা জানো গীতা কিন্তু কৃষ্ণ শোনান নি। বাবা বলেন - অপিনিয়ন নিতে থাকো যে ঈশ্বর সর্বব্যাপী নন। গীতার ভগবান হলেন শিব, কৃষ্ণ নয়। প্রথমে তো জিজ্ঞাসা করো গীতার ভগবান কাকে বলা হবে। ভগবান নিরাকারকে বলবে অথবা সাকারকে? কৃষ্ণ তো হলেন সাকার। শিব হলেন নিরাকার। তিনি শুধুমাত্র এই দেহ টি লোনে নেন। মাতার গর্ভে জন্ম নেন না। শিবের নিজস্ব শরীর নেই। এখানে এই মনুষ্য লোকে স্থূল শরীর আছে। বাবা এসে প্রকৃত সত্য নারায়ণের কাহিনী শোনাচ্ছেন। বাবার মহিমা হল পতিত-পাবন, সর্বের সদগতি দাতা, সর্বের উদ্ধারকর্তা, দুঃখ হরণকারী সুখ প্রদাতা। আচ্ছা, সুখ কোথায় আছে? এখানে তো হওয়া সম্ভব নয়। সুখ প্রাপ্ত হবে অন্য জন্মে, যখন পুরানো দুনিয়া শেষ হয়ে স্বর্গের স্থাপনা হয়ে যাবে। আচ্ছা, কার বন্ধন থেকে উদ্ধার করেন? রাবণের দুঃখ থেকে। এই হল দুঃখ ধাম তাইনা। উনি তখন গাইড হয়ে যান। এই শরীর তো এইখানে শেষ হয়ে যায়। সর্ব আত্মাদের নিয়ে যান। প্রথমে সজন পরে সজনী যায়। শিববাবা হলেন অবিনাশী সুন্দর সজন। সবাইকে দুঃখ থেকে মুক্ত করে পবিত্র বানিয়ে ঘরে নিয়ে যান। বিবাহের পরে যখন আসে তখন প্রথমে থাকে বর বা স্বামী। পরে থাকে বধূ বা স্ত্রী তারপরে থাকে বর পক্ষের লোকজন। এখন তোমাদের মালাও হল এই রকম। উপরে শিববাবা ফুল, তাঁকে নমন করবে। তারপরে যুগল দানা ব্রহ্মা-সরস্বতী। তারপরে থাকো তোমরা, যারা বাবার সহযোগী হয়েছো । ফুল শিববাবার স্মরণের দ্বারা তোমরা সূর্যবংশী, বিষ্ণুর মালা হও। ব্রহ্মা-সরস্বতী ই হলেন লক্ষ্মী-নারায়ণ। লক্ষ্মী-নারায়ণ হয়ে যান ব্রহ্মা-সরস্বতী। এনারা পরিশ্রম করেন তবে পূজনীয় হন। কেউ জানে না মালা কি জিনিস। অজ্ঞানতা বশতঃই মালা জপ করতে থাকে। ১৬১০৮ এর মালা হয়। বড় বড় মন্দিরে রাখা হয় তখন কেউ এদিক থেকে, কেউ ওদিক থেকে টানে। বাবা মুম্বাইয়ে লক্ষ্মী-নারায়ণের মন্দিরে যেতেন, গিয়ে মালা জপ করতেন, রাম নাম জপ করতেন। কারণ ফুল তো হলেন একমাত্র বাবা তাইনা। ফুলকেই রাম-রাম বলে। তারপর পুরো মালা মাথায় নিয়ে প্রণাম করে। জ্ঞান কিছুই নেই। পাদ্রীরাও হাতে নিয়ে মালা জপ করে। জিজ্ঞাসা করো কার মালা জপ করো? তারা জানে না। বলবে খ্রীষ্টের স্মরণে জপ করি। তারা এই কথা জানে না যে খ্রীষ্টের আত্মা কোথায় আছে। তোমরা জানো খ্রীষ্টের আত্মা এখন তমোপ্রধান হয়েছে। তোমরাও তমোপ্রধান বেগার ছিলে। এখন বেগার টু প্রিন্স হচ্ছো। একটি প্রিন্স কলেজ ছিল, যেখানে প্রিন্স-প্রিন্সেস রা পড়াশোনা করতো।

তোমরা এখানে পড়াশোনা করে ২১ জন্মের জন্য স্বর্গের প্রিন্স-প্রিন্সেস হও। এই শ্রীকৃষ্ণ হলেন প্রিন্স তাইনা। কৃষ্ণের ৮৪ জন্মের কাহিনী লেখা আছে। মানুষ কি জানে। এই সব কথা শুধু তোমরা জানো। "ভগবানুবাচ" উনি হলেন সবার পিতা। তোমরা গড ফাদারের কাছে জ্ঞান প্রাপ্ত করছো, উনি স্বর্গের স্থাপনা করেন। তার নাম হল সত্য খন্ড। এটা হলো মিথ্যা খন্ড। সত্যখন্ড তো বাবা স্থাপন করবেন। মিথ্যা খন্ড রাবণ স্থাপন করেন। রাবণের রূপ তৈরি করে, অর্থ কিছু বোঝে না, এই কথা কারো জানা নেই যে রাবণ আসলে কে, যাকে দহন করার পরেও জীবিত হয়ে যায়। বাস্তবে ৫- টি বিকার স্ত্রীর, ৫-টি বিকার পুরুষের... একেই বলা হয় রাবণ। তাকেই দহন করা হয়। রাবণ মেরে সোনা লুট করে।

তোমরা বাচ্চারা জানো - এটা হলো কাঁটার জঙ্গল। মুম্বাইয়ে বাবুলনাথের মন্দির আছে। বাবা এসে কাঁটাদের ফুলে পরিণত করেন। সবাই একে অপরকে কাঁটা বিদ্ধ করে অর্থাৎ কাম কাটারী চালাতে থাকে, তাই এর নাম কাঁটার জঙ্গল। সত্যযুগকে গার্ডেন অফ আল্লাহ বলা হয়, সেই ফুলগুলি কাঁটায় হয়ে যায়, কাঁটা গুলি পুনরায় ফুলে পরিণত হয়। এখন তোমরা ৫ বিকারকে জয় করো। এই রাবণ রাজ্যের বিনাশ তো হবেই। শেষে মহাযুদ্ধও হবে। প্রকৃতরূপে সত্য বিজয়াদশমী পালনও হবে। রাবণ রাজ্য বিনাশ হবে তখন তোমরা লঙ্কা লুটবে। তোমরা সোনার মহল প্রাপ্ত করবে। এখন তোমরা রাবণের উপরে জয় লাভ করে স্বর্গের মালিক হও। বাবা সম্পূর্ণ বিশ্বের রাজ্য-ভাগ্য প্রদান করেন তাই তাঁকে শিব ভোলা ভান্ডারী বলা হয়। গণিকা, অহল্যা, কুব্জাদের... সবাইকে বাবা বিশ্বের মালিক করেন। তিনি হলেন ভোলানাথ। তিনি আসেনও পতিত দুনিয়ায়, পতিত শরীরে। কিন্তু যারা স্বর্গের উপযুক্ত নয় তারা বিষ পান ত্যাগ করে না। বাবা বলেন - বাচ্চারা, এখন এই হল শেষ জন্মে পবিত্র হও। এই বিকার গুলি তোমাদের আদি-মধ্য-অন্ত দুঃখী করে। তোমরা কি এই এক জন্মে বিষ পান ত্যাগ করতে পারো না? আমি তোমাদের অমৃত পান করিয়ে অমর বানাই তবুও তোমরা পবিত্র হও না। বিষ ব্যতীত, সিগারেট মদ ব্যতীত থাকতে পারে না। আমি অসীম জগতের পিতা তোমাদেরকে বলছি - বাচ্চারা, এই একটি জন্মে পবিত্র হও তাহলে তোমাদের স্বর্গের মালিক বানিয়ে দেবো। পুরানো দুনিয়ার বিনাশ এবং নতুন দুনিয়ার স্থাপনা করি - এটাই হলো বাবার কর্তব্য। বাবা এসেছেন সম্পূর্ণ দুনিয়ার দুঃখ থেকে উদ্ধার করে সুখধাম - শান্তিধাম নিয়ে যেতে। এখন সব ধর্ম বিনাশ হয়ে যাবে। এক আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্মের পুনরায় স্থাপনা হচ্ছে। গ্রন্থেও পরমপিতা পরমাত্মাকে অকালমূর্ত বলা হয়। বাবা হলেন মহাকাল, কালেরও কাল। মৃত্যু রূপী কাল তো এক দু'জনকে নিয়ে যাবে। আমি তো সব আত্মাদের নিয়ে যাব তাই মহাকাল বলা হয়। বাচ্চারা, বাবা এসে তোমাদের খুব বুদ্ধিমান বানিয়ে দেন। আচ্ছা !

মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১) এই শেষ জন্মে বিষ ত্যাগ করে অমৃত পান করতে হবে এবং করাতে হবে। কাঁটাদের ফুলে পরিণত করার সেবা করতে হবে।

২) বিষ্ণুর গলার মালার একটি মুক্তো হতে বাবার স্মরণে থাকতে হবে, সম্পূর্ণ সহযোগী হয়ে বাবার সমান দুঃখ হর্তা হতে হবে।

বরদান:-
নিজের অলৌকিক আত্মিক বৃত্তির দ্বারা সকল আত্মাদের উপর নিজের প্রভাব বিস্তারকারী মাস্টার জ্ঞান সূর্য ভব

যেরকম কোনও আকর্ষণকারী জিনিস আশেপাশের আত্মাদেরকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করে, তার প্রতি সকলের অ্যাটেনশান যায়। সেইরকমই যখন নিজেদের বৃত্তি অলৌকিক, আত্মিকতায় পরিপূর্ণ হয় তখন তোমাদের প্রভাব অন্য আত্মাদের উপর স্বতঃ পরবে। অলৌকিক বৃত্তি অর্থাৎ পৃথক এবং প্রিয় হয়ে থাকার স্থিতি স্বতঃ অনেক আত্মাদেরকে আকর্ষিত করে। এইরকম অলৌকিক শক্তিশালী আত্মারা মাস্টার জ্ঞান সূর্য হয়ে নিজেদের প্রকাশ চারিদিকে ছড়িয়ে দেয়।

স্লোগান:-
সদা স্বমানের সিটের উপর স্থিত থাকো তাহলে সর্ব শক্তি তোমাদের অর্ডার মানতে থাকবে।

অব্যক্ত ঈশারা :- একতা আর বিশ্বাসের বিশেষত্বের দ্বারা সফলতা সম্পন্ন হও

জ্ঞানী হওয়ার সাথে সাথে স্নেহী হও। স্ব সেবা হল বিশ্ব সেবার আধার। সেবাতে কেবল দুটি শব্দ স্মরণে রাখো - এক, আমি হলাম নিমিত্ত, দুই, নির্মান হতেই হবে, এর দ্বারা একতার বাতাবরণ হবে। একে অপরের সহযোগী হবে। তোমার-আমার, মান-শানের, টক্করবাজীর ভাবনা সমাপ্ত হয়ে যাবে।