05.02.2026
প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন
"মিষ্টি বাচ্চারা -
বাবা এসেছেন তোমাদের রাবণ রাজ্য থেকে লিবারেট (মুক্ত) করে সদ্গতি দিতে, নরকবাসীদেরকে
স্বর্গবাসী বানাতে"
প্রশ্নঃ -
বাবা তোমাদের
অর্থাৎ ভারতবাসী বাচ্চাদের কোন্ কোন্ স্মৃতি জাগিয়ে দিয়েছেন?
উত্তরঃ
হে ভারতবাসী
বাচ্চারা! তোমরা স্বর্গবাসী ছিলে। আজ থেকে ৫ হাজার বছর পূর্বে ভারত স্বর্গ ছিলো,
হীরে খচিত সোনার মহল ছিলো। তোমরা সমগ্র বিশ্বের মালিক ছিলে। ধরিত্রী আকাশ সব
তোমাদের ছিলো। ভারত শিববাবার স্থাপন করা শিবালয় ছিলো। সেখানে পবিত্রতা ছিলো। এখন
আবার ঐরকম ভারত হতে চলেছে।
গীতঃ-
নয়নহীনকে পথ
দেখাও প্রভু...
ওম্ শান্তি ।
মিষ্টি মিষ্টি
রুহানী বাচ্চারা (আত্মারা) এই গান শুনলো। কে বলেছেন? আত্মাদের আত্মিক পিতা (পরমাত্মা)।
তো আত্মাদের পিতাকে আত্মা রূপী বাচ্চারা বলে হে বাবা। ওনাকে ঈশ্বরও বলা হয়ে থাকে,
পিতাও বলা হয়ে থাকে। কোন্ পিতা? পরমপিতা। কারণ বাবা দুইজন - এক লৌকিক, দ্বিতীয়
পারলৌকিক। লৌকিক বাবার বাচ্চারা পারলৌকিক বাবাকে ডাকতে থাকে- হে বাবা। আচ্ছা বাবার
নাম? শিব। তাঁকে তো নিরাকার রূপে পূজা করা হয়। ওঁনাকে বলা হয়ে থাকে সুপ্রিম ফাদার।
লৌকিক বাবাকে সুপ্রিম বলা হয় না। উচ্চতমের চেয়েও উচ্চ সকল আত্মাদের বাবা হলেন একই।
সমস্ত জীব আত্মারা সেই পিতাকে স্মরণ করে। আত্মারা এটা ভুলে গেছে যে আমাদের বাবা কে?
ডাকতে থাকে ও গড্ ফাদার! আমাদেরকে, নয়নহীনকে নয়ন প্রদান করলে আমরা আমাদের পিতাকে
চিনতে পারবো। ভক্তি মার্গের ঠোক্কর থেকে মুক্ত করো। সদ্গতির জন্য তৃতীয় নেত্র
প্রাপ্ত করার জন্য, বাবার সাথে মিলিত হওয়ার জন্য ডাকে, কারণ একমাত্র বাবা-ই কল্প-
কল্প ভারতে এসে ভারতকে স্বর্গ বানান। এখন হলো কলিযুগ, কলিযুগের পর সত্যযুগ আসবে।
এইটা হলো পুরুষোত্তম সঙ্গমযুগ। যারা পতিত ভ্রষ্টাচারী হয়ে গিয়েছে, বাবা এসে তাদের
পুরুষোত্তম করে তোলেন। এই লক্ষ্মী- নারায়ণ পুরুষোত্তম হয়ে ভারতে ছিলো।
লক্ষ্মী-নারায়ণের ডিনায়েস্টির রাজত্ব ছিলো। আজ থেকে ৫ হাজার বছর পূর্বে সত্যযুগে
শ্রী লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজ্য ছিলো। এটা বাচ্চাদের স্মরণ করানো হয়। তোমরা অর্থাৎ
ভারতবাসীরা আজ থেকে ৫ হাজার বছর পূর্বে স্বর্গবাসী ছিলে। এখন তো হলো সবাই নরকবাসী।
আজ থেকে ৫ হাজার বছর আগে ভারত হেভেন ছিলো। ভারতের অনেক মহিমা ছিলো, হীরে খচিত সোনার
মহল ছিলো। এখন তো কিছুই নেই। ওই সময় আর কোনো ধর্ম ছিলো না, শুধুমাত্র সূর্যবংশীই
ছিলো। চন্দ্রবংশীও পরে আসে। বাবা বোঝান তোমরা সূর্যবংশীর ডিনায়েস্টির ছিলে। এখনো
পর্যন্ত এই লক্ষ্মী-নারায়ণের মন্দির তৈরী করে চলেছে। কিন্তু লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজ্য
কবে ছিলো, কীভাবে পেল, এটা কারোরই জানা নেই। পূজা করে, জানে না। তো ব্লাইন্ড ফেথ্,
তাই না! শিবের, লক্ষ্মী-নারায়ণের পূজা করে, বায়োগ্রাফিও জানে না। এখন ভারতবাসী
নিজেরাই বলে - আমরা হলাম পতিত। আমাদের এই পতিতকে পবিত্র করতে বাবা আসেন। এসে আমাদের
দুঃখ থেকে, রাবণ রাজ্য থেকে লিবারেট করো। বাবা এসেই সবাইকে লিবারেট করেন। বাচ্চারা
জানে সত্যযুগে বরাবর এক রাজ্য ছিলো। বাপুজীও বলতো যে আমাদের আবার রাম - রাজ্য চাই,
গার্হস্থ্য ধর্ম যা পতিত হয়ে গিয়েছে সেইটা পবিত্র হওয়া উচিত। আমরা স্বর্গবাসী হতে
চাই। এখন নরকবাসীদের কি অবস্থা, দেখতে পাচ্ছো তো! একে বলা হয় হেল্, ডেবিল ওয়ার্ল্ড।
এই ভারতই ডিটি ওয়ার্ল্ড ছিলো। বাবা বসে বোঝান যে তোমরা ৮৪ জন্ম নিয়েছো, ৮৪ লাখ নয়
। বাবা বোঝান তোমরা আসলে হলে শান্তিধামের অধিবাসী। তোমরা এখানে পার্ট করতে এসেছো।
৮৪ জন্মের ভূমিকা পালন করেছো। পুর্নজন্ম তো অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে, তাই না!
পুর্নজন্ম ৮৪ বার হয়।
বাচ্চারা এখন অসীম জগতের পিতা এসেছেন তোমাদের অসীম জগতের উত্তরাধিকার দিতে। বাবা
বাচ্চারা, তোমাদের (আত্মাদের) সাথে কথা বলেন। অন্যান্য সৎসঙ্গে মানুষ, মানুষকে ভক্তি
মার্গের কথা শোনায়। অর্ধ-কল্প ভারত যখন স্বর্গ ছিলো তখন একজনও পতিত ছিলো না। এই
সময় এক জনও পবিত্র নয় । এ হলো পতিত দুনিয়া। গীতাতে কৃষ্ণ ভগবানুবাচ লিখে দিয়েছে।
তিনি তো গীতা শোনাননি। তারা নিজের ধর্ম শাস্ত্রকেও জানে না। নিজের ধর্মকেই ভুলে
গিয়েছে। হিন্দু কোনো ধর্ম নয়। ধর্ম মুখ্য হলো চার। সর্বপ্রথম হলো আদি সনাতন দেবী-
দেবতা ধর্ম। সূর্যবংশী আর চন্দ্রবংশী দুইকে একত্রিত করে নিয়ে বলা হয় দেবী- দেবতা
ধর্ম, ডিটিজম্। সেখানে দুঃখের নাম ছিলো না। ২১ জন্ম তো তোমরা সুখধামে ছিলে তারপর
রাবণ রাজ্য, ভক্তি মার্গ শুরু হয়। ভক্তি মার্গ হলোই নীচে নেমে যাওয়ার। ভক্তি হলো
রাত, জ্ঞান হলো দিন। এখন হলো ঘোর অন্ধকারময় রাত্রি। শিব জয়ন্তী আর শিবরাত্রি, দুটি
শব্দই আসে। শিববাবা কবে আসেন ? যখন রাত্রি হয়। ভারতবাসী ঘোর অন্ধকারে এসে যায়, তখন
বাবা আসেন। পুতুলের পূজা করতে থাকে, একজনেরও বায়োগ্রাফি জানে না। এই ভক্তি মার্গের
শাস্ত্রও হওয়ারই থাকে। এই ড্রামা, সৃষ্টি চক্রকেও বুঝতে হবে। শাস্ত্রে এই নলেজ নেই।
সেইটা হলো ভক্তি মার্গের জ্ঞান, ফিলোসফি। সেইটা কোনো সদ্গতি মার্গের জ্ঞান নয়। বাবা
বলেন- আমি এসে তোমাদের ব্রহ্মা দ্বারা যথার্থ জ্ঞান শোনাই। ডাকতেও থাকে, আমাদের
সুখধাম, শান্তিধামের রাস্তা বলে দাও। বাবা বলেন আজ থেকে ৫ হাজার বছর পূর্বে সুখধাম
ছিলো, যাতে তোমরা সমগ্র বিশ্বের উপর রাজত্ব করতে। সূর্যবংশী ডিনায়েস্টির রাজ্য ছিলো।
এছাড়া সব আত্মারা শান্তিধামে ছিলো। সেখানে বলা হয় ৯ লক্ষ। বাচ্চারা, তোমাদেরকে আজ
থেকে ৫ হাজার বছর পূর্বে অনেক বিত্তশালী করে তুলেছিলাম। এতো ধন দিয়েছিলাম - তোমরা
সেই সব কোথায় হারিয়ে ফেলছো? ভারতের কত নামডাক ছিল । ভারতই সবচেয়ে উৎকৃষ্ট ভূমি।
বাস্তবে এটাই হলো সকলের তীর্থ, কারণ হলো পতিত পাবন বাবার জন্ম স্থান এটি। যে
ধর্মেরই হোক না কেন, সকলকেই বাবা এসে সদ্গতি প্রাপ্ত করান। এখন রাবণের রাজ্য সমগ্র
সৃষ্টি জুড়ে, শুধুমাত্র লঙ্কাতেই ছিল না। সকলের মধ্যেই ৫ বিকারের প্রবেশ হয়। যখন
সূর্যবংশী রাজ্য ছিলো তখন এই সব বিকার ছিলই না। ভারত ভাইসলেস্ (পাপ মুক্ত) ছিলো।
এখন হলো ভিশস্ (পাপের)। সত্যযুগে দৈবী সম্প্রদায় ছিলো। তারা আবার ৮৪ জন্ম ভোগ করে
এখন আসুরিক সম্প্রদায় হয়েছে, তারপর দৈবী সম্প্রদায় হবে। ভারত খুবই বিত্তশালী ছিলো।
এখন গরীব হয়েছে, সেইজন্য ভিক্ষা চাইছে। বাবা বলেন তোমরা কতো বিত্তশালী ছিলে।
তোমাদের মতো সুখ কেউ পায় না। তোমরা সমগ্র বিশ্বের মালিক ছিলে, ধরিত্রী আকাশ সবই
তোমাদের ছিলো। বাবা মনে করিয়ে দেন, ভারত শিববাবার স্থাপনা করা শিবালয় ছিলো। সেখানে
পবিত্রতা ছিলো, সেই নূতন দুনিয়াতে দেবী- দেবতারা রাজত্ব করতো। ভারতবাসী তো এইটাও
জানে না যে রাধা- কৃষ্ণের নিজেদের মধ্যে সম্বন্ধ কি? দুই জন পৃথক দুই রাজধানীর ছিলো,
তারপর স্বয়ম্বরের পরে লক্ষ্মী-নারায়ণ হয়েছে। এই জ্ঞান কোনো মানুষের মধ্যে নেই।
পরমপিতা পরমাত্মাই হলেন জ্ঞানের সাগর, তিনিই তোমাদের এই রুহানী জ্ঞান প্রদান করেন,
এই স্প্রিচুয়াল নলেজ একমাত্র বাবা দিতে পারেন। এখন বাবা বলেন আত্ম-অভিমানী হও।
আমাকে- পরমপিতা পরমাত্মা শিবকে স্মরণ করো। স্মরণের দ্বারাই সতোপ্রধান হবে। তোমরা
এখানে আসই মানুষ থেকে দেবতা অথবা পতিত থেকে পাবন হতে। এখন এটা হলো রাবণ রাজ্য। ভক্তি
মার্গে রাবণ রাজ্য শুরু হয়। রাবণ কোনো একজন সীতাকে চুরি করেনি। তোমরা হলে সবাই ভক্ত,
রাবণের থাবার নীচে আছো। সমগ্র সৃষ্টি ৫ বিকার রূপী রাবণের কয়েদে আছে। সকলে শোক
বটিকাতে দুঃখী হয়ে থাকে। বাবা এসে সবাইকে লিবারেট করেন। এখন বাবা আবার স্বর্গ তৈরী
করছেন। এমন না যে এখন যার অনেক ধন আছে, সে স্বর্গে বাস করছে। না, এখন হলো নরক।
সকলেই হলো পতিত, সেইজন্য গিয়ে গঙ্গায় স্নান করে, মনে করে গঙ্গা হলো পতিত - পাবনী।
কিন্তু পবিত্র তো কেউ হয় না। পতিত-পাবন তো বাবাকে বলা হয়, নাকি নদীকে ? এই সব হলো
ভক্তি মার্গ। বাবা এসেই এই কথা বোঝান। এখন তোমরা এইটা তো জানো যে, এক হলো লৌকিক পিতা,
দ্বিতীয় প্রজাপিতা ব্রহ্মা হলেন অলৌকিক পিতা আর শিব বাবা হলেন পারলৌকিক পিতা। তিন
বাবা। শিববাবা, প্রজাপিতা ব্রহ্মা দ্বারা ধর্ম স্থাপনা করেন। ব্রাহ্মণদের দেবতা
বানোর জন্য রাজযোগ শেখান। আত্মারা পুনর্জন্ম ধারণ করে। আত্মাই বলে- আমি এক শরীর ছেড়ে
আরেকটা ধারণ করি। বাবা বলেন নিজেকে আত্মা মনে করে আমি অর্থাৎ এই বাবাকে স্মরণ করলে
তবে তোমরা পবিত্র হবে। কোনো দেহধারীকে স্মরণ ক'রো না। এখন এটা হলো মৃত্যুলোকের শেষ।
অমরলোকের স্থাপনা চলছে। তাছাড়া অনেক ধর্ম শেষ হয়ে যাবে। সত্যযুগে একটাই দেবতা ধর্ম
ছিলো। তারপর ত্রেতাতে চন্দ্রবংশী রাম-সীতা। বাচ্চারা, তোমাদের সমগ্র চক্রকে স্মরণ
করানো হয়। শান্তিধাম, সুখধামের স্থাপনা করেনই বাবা। মানুষ, মানুষের সদ্গতি দিতে পারে
না। তারা সকলে হলো ভক্তি মার্গের গুরু। ভক্তি মার্গে মানুষ অনেক রকমের চিত্র তৈরী
করে পূজা করে গিয়ে বলে ডুবে যা, ডুবে যা। অনেক পূজা করে, খাদ্য-পানীয় দেয়, এখন খায়
তো ব্রাহ্মণরা। একে বলা হয় পুতুলের পূজা। কতো অন্ধশ্রদ্ধা। এখন এদের কে বোঝাবে।
বাবা বলেন এখন তোমরা
হলে ঈশ্বরীয় সন্তান। তোমরা এখন বাবার থেকে রাজযোগ শিখছো। এই রাজধানী স্থাপন হচ্ছে।
প্রজা তো অনেক হয়। কোটির মধ্যে কেউ রাজা হয়। সত্যযুগকে বলা হয় ফুলের বাগান। এখন হলো
কাঁটার জঙ্গল। এখন রাবণ রাজ্য পরিবর্তিত হচ্ছে। এই বিনাশ অবশ্যম্ভাবী। এই নলেজ এখন
শুধুমাত্র ব্রাহ্মণদের প্রাপ্ত হয়। লক্ষ্মী-নারায়ণেরও এই জ্ঞান থাকে না এই জ্ঞান
প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যায়। ভক্তি মার্গে কেউই বাবাকে জানে না। একমাত্র বাবা হলেন
রচয়িতা। ব্রহ্মা - বিষ্ণু - শঙ্করও হলো রচনা। পরমাত্মা সর্বব্যাপী বলাতে সব বাবা
হয়ে যায়। উত্তরাধিকারের অধিকার থাকে না। বাবা তো এসে সমস্ত বাচ্চাদের উত্তরাধিকার
প্রদান করেন। সকলের সদ্গতি দাতা হলেন একমাত্র বাবা। এইটাও বোঝানো হয়েছে, ৮৪ জন্ম
তারাই গ্রহণ করে যারা প্রথমদিকে আসে। খ্রিস্টানদের জন্ম কতো হবে? খুব বেশী হলে ৪০
জন্ম হবে। এই হিসাব বের করা যায়। এক ভগবানকে খোঁজার জন্য কতো ধাক্কা খায়। এখন তোমরা
আর ধাক্কা খাবে না। তোমাদের শুধুমাত্র এক বাবাকেই স্মরণ করতে হবে। এ হলো স্মরণের
যাত্রা। এ হলো পতিত-পাবন গড-ফাদারলী ইউনিভার্সিটি। তোমাদের আত্মা অধ্যয়ণ করে।
সাধু-সন্ত তবুও বলে দেয় আত্মা হলো নির্লিপ্ত। আরে আত্মাকেই কর্ম অনুযায়ী অন্য জন্ম
ধারণ করতে হয়। আত্মাই ভালো অথবা মন্দ কাজ করে। এই সময় তোমাদের কর্ম বিকর্ম হয়।
সত্যযুগে কর্ম অকর্ম হয়। সেইখানে বিকর্ম হয় না। ওটা হলো পুণ্য আত্মাদের দুনিয়া। এই
সব বুঝতে পারা আর বোঝানোর মতো ব্যাপার। আচ্ছা!
মিষ্টি-মিষ্টি
হারানিধি পুরুষার্থ অনুসারে কাঁটা থেকে ফুল হয়ে ওঠা বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা
বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মা রূপী
বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।
ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১ )
কাঁটা থেকে ফুল হয়ে ফুলের বাগান (সত্যযুগ) স্থাপন করার সেবা করতে হবে। কোনো খারাপ
কাজ করতে নেই।
২ ) আধ্যাত্মিক (রুহানী)
জ্ঞান - যা বাবার থেকে শুনেছো সেটাই সবাইকে শোনাতে হবে। আত্ম অভিমানী হওয়ার পরিশ্রম
করতে হবে। এক বাবাকেই স্মরণ করতে হবে। কোনো দেহধারীকে নয়।
বরদান:-
নিন্দা
- স্তুতি, জয় - পরাজয়ে সমান স্থিতি তৈরী করে বাবার সমান সম্পন্ন এবং সম্পূর্ণ ভব
আত্মার যখন সম্পন্ন
এবং সম্পূর্ণ স্থিতি তৈরী হয়ে যায়, তখন নিন্দা - স্তুতি, জয় - পরাজয়, সুখ -
দুঃখ, সবেতেই সমতা থাকে । দুঃখের পরিস্থিতিতেও মুখমন্ডল বা ললাটে দুঃখের ঢেউয়ের
পরিবর্তে সুখ বা আনন্দের ঢেউ যেন দেখা যায়, নিন্দা শুনেও যেন এমন অনুভব হবে যে, এ
নিন্দা নয়, সম্পূর্ণ স্থিতিকে পরিপক্ক করার জন্য এ হলো মহিমা যোগ্য শব্দ - এমন সমতা
যখন থাকবে তখন বলা হবে যে, বাবার সমান । বৃত্তিতে সামান্যতম এই কথা যেন না আসে যে,
এ হলো শত্রু, এ গালি দেয় আর এ মহিমা করে ।
স্লোগান:-
নিরন্তর যোগ অভ্যাসের উপরে অ্যাটেনশান দাও, তাহলে ফার্স্ট ডিভিশন নম্বর প্রাপ্ত করতে
পারবে ।
অব্যক্ত ঈশারা :- একতা
আর বিশ্বাসের বিশেষত্বের দ্বারা সফলতা সম্পন্ন হও
ব্রাহ্মণ পরিবারের
বিশেষত্ব হলো - অনেক হওয়া সত্ত্বেও এক । তোমাদের সকল সেবাকেন্দ্রের ভাইব্রেশন এমন
হবে যে, সকলের যেন অনুভব হবে - এর অনেক নয়, এক । তোমাদের একতার ভাইব্রেশন সম্পূর্ণ
বিশ্বে এক ধর্ম, এক রাজ্য স্থাপন করবে । তাই বিশেষ অ্যাটেনশন দিয়ে ভিন্নতা দূর করে
একতা বজায় রাখো ।