08.08.2026 প্রাত: মুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


“মিষ্টি বাচ্চারা - শান্ত থাকা খুব ভালো অভ্যাস, যাদের স্বভাব শান্ত তারা খুবই মিষ্টি হয়, অহেতুক কথা বলার থেকে কথা না বলা অনেক ভালো”

প্রশ্নঃ -
কোন্ ধরনের বাচ্চাদের সবাই ভালোবাসে? নিজেকে সেফ রাখার উপায় কি?

উত্তরঃ  
যারা খুব আগ্রহের সাথে এবং ভালোবেসে সকলের সেবা করে, সবাই তাদের ভালোবাসে। কখনোই তোমাদের মধ্যে সেবার অহংকার আসা উচিত নয়। বাবার কাছ থেকে যে জ্ঞানের কস্তুরী তোমরা পেয়েছো সেটা সবাইকে দিতে হবে। সবাইকে শিববাবার কথা মনে করাতে হবে। এই স্মরণের যাত্রার দ্বারা-ই তোমরা খুবই সেফ থাকবে। যত বেশি স্মরণে থাকবে তত খুশি থাকবে এবং চালচলন শুধরে যাবে।

ওম্ শান্তি ।
আত্মাদের পিতা বসে থেকে আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে বোঝাচ্ছেন। এভাবে বুঝিয়ে বুঝিয়ে তিনি বাচ্চাদেরকে অনেক বুদ্ধিমান বানিয়ে দিয়েছেন। এই পড়াশুনা খুবই সহজ। ওটা স্থূল পড়া আর এটা হলো সূক্ষ্ম পড়া। তোমরা বাচ্চারা জানো যে এই পড়া কেবল বাবা ছাড়া আর কেউ পড়াতে পারবে না। বাবা তো পবিত্র করার জন্য এবং শিক্ষা দেওয়ার জন্যই এসেছেন। আমাদের লক্ষ্য তো আমাদের সামনেই রাখা আছে। এইরকম বাবাকে স্মরণ করে আমাদের খুশিতে শিহরিত হওয়া উচিত। বাচ্চারা জানে যে দিনে দিনে আমাদেরকে আরো বেশি শান্তির দিকে অগ্রসর হতে হবে। সকলেই শান্তি খুব ভালোবাসে। বড় বড় ব্যক্তিরা বেশি কথা বলে না আর বেশি জোরে কথা বলে না। তোমরাও অনেক বড় মানুষ হয়ে যাও। প্রকৃতপক্ষে তোমাদেরকে মানুষ বলা হবে না, তোমরা তো দেবতা হয়ে যাও। দেবতারা খুব কম কথা বলে। যেহেতু তোমরা দেবতা হবে তাই তোমাদেরকে টকির পরিবর্তে সাইলেন্সে থাকার অভ্যাস করতে হবে। কেউ শান্ত থাকলে বোঝা যায় যে তার নিজের প্রতি অ্যাটেনশন আছে। এখন তোমাদেরকে শান্তিধামে যেতে হবে, তাই খুব আস্তে কথা বলতে হবে। আস্তে আস্তে কথা বলতে বলতে শান্তিধামে যেতে হবে। তোমরা যত শান্তিধামে থাকো, তত তোমরা শান্তির ছড়িয়ে দিতে থাকো। তোমাদেরকে খুব শান্ত থাকতে হবে। জোরে কথা বলা মোটেই ভালো দেখায় না। রাগ করাও ভালো নয়। বাচ্চাদের মধ্যে যেন কোনো বিকার না থাকে। দেখতে হবে যে আমরা কারোর সাথে লড়াই ঝগড়া করি না তো? বাবা বাচ্চাদেরকে বুঝিয়েছেন যে, হিয়ার নো ইভিল, টক নো ইভিল...। যেসব কথা তোমাদের ভালো লাগে না, সেইসব খারাপ কথাকে এড়িয়ে যাওয়া উচিত। তাহলে দুজনেরই মুখ বন্ধ হয়ে থাকবে। প্রত্যেক বিষয়ে দিব্যগুন ধারণ করতে হবে। কেউ জোরে কথা বললে তাকে বলো - শান্ত থাকো, আওয়াজ করো না। তোমরা জানো যে আমরা এখন শান্তি স্থাপন করছি। সত্যযুগে শান্তি থাকবে, আর মূলবতনে তো কেবল শান্তি আর শান্তি। শরীর না থাকলে কথা বলবে কিভাবে। বাবা বাচ্চাদেরকে খুব ভালো শ্রীমৎ দেন। তিনি বোঝাচ্ছেন - বাচ্চারা, তোমাদেরকে এখন নিজের ঘরে ফিরতে হবে। তাই টকির দুনিয়া থেকে প্রথমে মুভির (ইশারা) দুনিয়ায় আসতে হবে, তারপর সাইলেন্সে চলে যাবে। যার সাথেই সাক্ষাৎ হবে, তাকেই এই বার্তা শোনাতে হবে। তোমরা যত শান্ত থাকবে, মানুষ ততই বুঝবে যে এরা কোনো আন্তরিক খুশিতে আছে। শান্ত থাকা খুব ভালো স্বভাব। তারা খুব মিষ্টি হয়। অহেতুক কথা বলার থেকে কথা না বলা অনেক ভালো।

তোমরাই হলে সত্যিকারের পয়গম্বর । তোমাদের উচিত সকলের ওপরে কৃপা (মেহের) করা। যেসব বাচ্চারা কৃপা করে, তারা খুব শান্ত ভাবে বাবাকে স্মরণ করে। কেবল এই বার্তাই দিতে হবে যে লৌকিক বাবার অনেক সম্পত্তি থাকলে যেমন অনেক উত্তরাধিকার পাওয়া যায়, সেইরকম অসীম জগতের পিতাকে স্মরণ করলে অপরিসীম সুখ-শান্তি পাওয়া যাবে। অসীম জগতের পিতার কাছে তো বিশ্বের রাজত্ব রয়েছে। প্রত্যেক ৫ হাজার বছর পরে তোমরা এই বিশ্বের বাদশাহী পেয়ে যাও।

বাচ্চারা, তোমাদেরকে এখন অত্যন্ত আগ্রহের সাথে সকলের সেবা করতে হবে। প্রত্যেককেই যোগ্য সেবাধারী হতে হবে। যারা খুব ভালোবেসে অন্যদের সেবা করে, সকলেই তাদের ভালোবাসে। কখনোই সেবার অহংকার আসা উচিত নয়। তোমরা বাবার কাছ থেকে জ্ঞানের কস্তুরী পেয়েছো যা অন্যদেরকেও দিতে হবে। একে অপরকে মনে করিয়ে দাও - শিববাবার কথা কি মনে আছে? এতে খুশি আসে। যে মনে করিয়ে দেয়, তাকে ধন্যবাদ জানানো উচিত। এই স্মরণের যাত্রার দ্বারা তোমরা বাচ্চারা অনেক সেফ থাকবে। যত বেশি স্মরণের যাত্রায় থাকবে, তত খুশি হবে আর চালচলন ক্রমশঃ শুধরে যাবে। তোমাদেরকে অবশ্যই নিজের ক্যারেক্টার সংশোধন করে নিতে হবে। প্রত্যেকেই নিজের অন্তরকে জিজ্ঞাসা করো - আমার স্বভাব কি অত্যন্ত মিষ্টি? কখনো কাউকে দুঃখ দিই না তো? বায়ুমণ্ডল কখনোই এমন হওয়া উচিত নয় যাতে কেউ দুঃখ পেয়ে যায়। এইরকম চেষ্টা করতে হবে কারণ তোমরা বাচ্চারা অতি শ্রেষ্ঠ সেবা করছো। তোমাদেরকে তো এই পুরো মঞ্চকে আলোকিত করতে হবে। তোমরা হলে এই ধরণীর চৈতন্য নক্ষত্র। বলা হয়, নক্ষত্র দেবতা...। কিন্তু ওই তারাগুলো তো কোনো দেবতা নয়। তোমরা ওদের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী কারণ তোমরা সমগ্র বিশ্বকে আলোকিত করো। তোমরাই দেবতা হচ্ছ। যেমন ওপরে তারারা ঝলমল করে, কোনো তারা খুব উজ্জ্বল আবার কোনো তারা অল্প। কোনো তারা চাঁদের খুব কাছে থাকে। তোমরা বাচ্চারাও যোগের শক্তিতে সম্পূর্ণ পবিত্র হয়ে গেলে ঝলমল করতে থাকো। তোমরা বাচ্চারা এখন অবিনাশী জ্ঞান রত্নের লটারি পেয়ে গেছ। তাই কতো খুশিতে থাকতে হবে। অন্তরে যেন খুশি উপচে পড়ে। তোমাদের এই জন্মকেই হীরের সাথে তুলনা করা হয়। তোমরা ব্রাহ্মণরাই নলেজফুল হও। তাই এই জ্ঞানের জন্যই তোমরা খুশিতে থাকো। তোমরা দেবতাদের থেকেও শ্রেষ্ঠ। তোমাদের মুখমণ্ডল যেন সবসময় খুশিতে ভরপুর থাকে। বাবা বাচ্চাদেরকে আশীর্বাদ করছেন - মিষ্টি বাচ্চারা, সর্বদা শান্ত ভব ! চিরঞ্জীবী ভব ! অর্থাৎ অনেক জন্ম বাঁচো। বাবার কাছ থেকে আশীর্বাদ পাওয়া গেলেও প্রত্যেককেই নিজের পুরুষার্থ করতে হবে যে কিভাবে আমি চিরঞ্জীবী হবো। বাবাকে স্মরণ করেই তোমরা চিরঞ্জীবী হচ্ছো। বাবাই এই আশীর্বাদ দিচ্ছেন। ব্রাহ্মণরাও বলে আয়ুষ্মান ভব। বাবাও বলেন, বাচ্চারা সর্বদা বেঁচে থাকো। অর্ধেক কল্প তোমাদেরকে কাল খাবে না। সত্যযুগে তো ‛মৃত্যু’-র নামও থাকবে না। এখানে মানুষ মরতে ভয় পায়। আর তোমরা মরার জন্যই পুরুষার্থ করছো। তোমরা জানো যে বাবাকে স্মরণ করতে করতে আমরা এই শরীর ত্যাগ করে শিববাবার কাছে চলে যাব। তারপর স্বর্গবাসী হবো।

এখন তোমরা মোস্ট বিলাভড বাবার সন্তান হয়েছো। তাই তোমাদেরকেও বাবার মতো খুব মিষ্টি এবং প্রিয় হতে হবে। বাবা তো পত্রতেও লেখেন - মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি আদরের সন্তানরা...। বাবা খুবই মিষ্টি। বাস্তবে তোমরা অনুভব করছো যে বাবা কতো মিষ্টি, কত প্রিয়। তিনি আমাদেরকেও এইরকম বানিয়ে দিচ্ছেন। তোমরাও জানো যে আমরা কতো মিষ্টি, কত প্রিয় ছিলাম। তারপর আমরাই যখন পূজনীয় থেকে পূজারী হয়ে গেলাম, তখন নিজেকেই পূজা করতে শুরু করলাম। এই ওয়ান্ডারফুল কথাগুলো খুব ভালো করে বুঝতে হবে। তোমরা বাচ্চারা জানো যে আমাদের অর্ধেক কল্পের সমস্ত দুঃখ দূর করার জন্য এখন বাবা এসেছেন। বলা হয় - হর হর মহাদেব। কিন্তু যাকে বলা হয়, সে তো মহাদেব নয়। বাবা-ই দুঃখ হরণ করবেন। বাবা-ই দুঃখ হরণ করে সুখ প্রদান করেন। অর্ধেক কল্প ধরে তোমরা অনেক দুঃখের ঘটনার সাক্ষী থেকেছো। ৫ বিকারের ব্যাধি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ব্যাধি তোমাদেরকে অনেক দুঃখ দিয়েছে। তাই বাবা বলছেন, এইসব কর্মের হিসাব এখন ঠিক করো। ব্যবসায়ীরাও ১২ মাসের হিসাবের খাতা রাখে। বাবা বোঝাচ্ছেন - বাচ্চারা, এখন গোটা বিশ্বই দেখো নোংরায় ভর্তি, এটাই নরক। তাই নরক থেকে স্বর্গ বানানোর জন্য বাবাকে আসতে হয়। বাবা খুব ভালোবেসে এখানে আসেন। তিনি জানেন যে আমি বাচ্চাদের সেবা করার জন্য আসব। আমি প্রতি কল্পেই তোমাদের মতো বাচ্চাদের সেবা করার জন্য এখানে আসি। এখানে বসেই সকলের সেবা হয়ে যায়। কেবল একজনই হলেন সমগ্র সৃষ্টির কল্যাণকারী এবং দাতা। বাবা জানেন, দুনিয়ার সকল আত্মাকে আমিই উত্তরাধিকার দেওয়ার জন্য আসি। অসীম জগতের পিতার দৃষ্টি তো জগতের সকল আত্মার ওপরেই যায়। হয়তো এখানে বসে আছেন, কিন্তু সমগ্র বিশ্ব এবং বিশ্বের সকল মানুষের ওপরেই দৃষ্টি আছে। কারন সমগ্র বিশ্বের ক্ষত ঠিক করতে হবে। বাবা সকল বাচ্চার কথাই মনে করেন। দৃষ্টি তো পৌঁছায়, তাই না ! এই সঙ্গমযুগেই বাবা বাচ্চাদের সেবা করার জন্য আসেন। তাঁর মতো সেবা কেউ করতে পারবে না। তিনি অসীম জগতের সেবা করেন। তোমরা বাচ্চারা বাবার মতো সেবা করলেই বাবাকে শো (প্রদর্শন) করতে পারবে। যারা সেবা করে, তাদের অনেক প্রাপ্তি হয়। বাচ্চাদের নেশা থাকে যে আমরা শ্রীমৎ অনুসারে সমগ্র বিশ্বের মানুষকে সুখী করছি।

বাবা বলছেন - মিষ্টি বাচ্চারা, এখন জ্ঞান রত্নের দ্বারা নিজের ঝুলি (বুদ্ধি) ভর্তি করো। যত চাও ভরে নাও। নিজের সময় নষ্ট করো না। বাবাকে স্মরণ করে সময়কে সফল করো। যারা ভালোভাবে ধারণ করে, তারা অন্যদেরও ভালো সেবা করবে। সময় নষ্ট করবে না। বাচ্চাদেরকে পুরুষার্থ করে অন্তর্মুখী হতে হবে। অন্তরেই তো আত্মা আছে। এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে যে স্বয়ং বাবা আমাদের মতো আত্মাদেরকে বোঝাচ্ছেন। সোল কনসাস (আত্ম-অভিমানী) হয়ে থাকাকেই সত্যিকারের অন্তর্মুখী হওয়া বলা হয়। অন্তর্মুখী অর্থাৎ অন্তরে যে আত্মা আছে, তাকে বাবার কাছ থেকেই সবকিছু শুনতে হবে। বাবা বারবার ভালোবেসে বোঝাচ্ছেন। মাতা-পিতা এবং অন্যান্য যেসব অনন্য বড় ভাই-বোন আছে, যারা ভালো সেবা করে, তাদের দেখে শিখতে থাকো। অন্তরে দৃঢ় সংকল্প করো যে কখনোই ব্যর্থ সময় নষ্ট করব না। শরীর নির্বাহ তো করতেই হবে, নিজের রচনাকেও পালন করতে হবে। কেবল আমিত্ব ভাব রাখা যাবে না। আমিত্ব ভাব রাখলেই অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। আমিত্ব ভাব কেবল বাবার প্রতিই রাখো। এখানে তোমরা বাবার সামনে আছো। আত্মারা পরমাত্মার সম্মুখে আছে। এখানে স্বয়ং বাবা আত্মাদের পড়াচ্ছেন। ওখানে আত্মারা আত্মাদেরকে শিক্ষা দেয়। বাচ্চারা, তোমাদের অন্তরে এইসব বিষয় নিয়ে চিন্তন চলা উচিত। স্টুডেন্টদের বুদ্ধিতে সারাদিন পড়ার বিষয় থাকে। তোমাদের বুদ্ধিতেও সমস্ত বিষয় আছে। এটা আধ্যাত্মিক পড়া। ভালো স্টুডেন্টরা নিরিবিলিতে একা একা গিয়ে পড়াশুনা করে। স্টুডেন্টরা নিজেদের মধ্যে কেবল পড়ার বিষয় নিয়েই আলোচনা করে। এই অসীম জগতের পড়ায় তো আরো খুশি নিয়ে লেগে পড়তে হবে। তোমরা বাচ্চারা এখন বাবার সহযোগী হচ্ছ। স্মরণে থাকলেই সাহায্য করা হয় কারণ স্মরণের যাত্রা মানে শান্তির যাত্রা। তাই বলা হয় - প্রত্যেকে নিজের গৃহকে স্বর্গ বানাও। প্রত্যেকের বুদ্ধিতেই বাবা এবং উত্তরাধিকার আছে। বাবা এবং উত্তরাধিকারকে স্মরণ করলেই রাজত্ব পেয়ে যাবে। আর কিছুই করতে হবে না। কেবল নিজেকে আত্মারূপে অনুভব করে বাবাকে স্মরণ করলেই তুমি রাজত্ব পেয়ে যাবে। তোমরা বাচ্চারা সবাইকে এই বার্তাই দিতে থাকো যে বাবাকে স্মরণ করলেই স্বর্গের রাজত্ব পাওয়া যাবে। আচ্ছা!

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার আন্তরিক এবং প্রেমময় স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

ধারণার জন্য মুখ্য সার :-
১ ) বাবাকে স্মরণ করে নিজের সময়কে সফল করতে হবে। কোনোভাবেই এই অমূল্য সময়কে নষ্ট করা যাবে না। পুরুষার্থ করে অন্তর্মুখী অর্থাৎ সোল কনসাস হয়ে থাকতে হবে।

২ ) আমরা এখন দেবতাদের থেকেও শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণ, আমরা বাবার কাছ থেকে অবিনাশী জ্ঞান রত্নের লটারি পেয়েছি। নলেজফুল হওয়ার কারণে মুখমণ্ডল সর্বদা খুশিতে ভরপুর থাকতে হবে। অন্তরে যেন সবসময় খুশি উথলে ওঠে।

বরদান:-
মন্সার মহাদান দ্বারা প্রত্যেক সংকল্পের সিদ্ধি প্রাপ্তকারী মাস্টার সর্বশক্তিমান ভব

যে বাচ্চারা মন্সা দ্বারা শক্তির দান করে তাদের মাস্টার সর্বশক্তিমানের বরদান প্রাপ্ত হয়ে যায় কেননা মন্সা দ্বারা শক্তিগুলির দান করলে সংকল্পে এত শক্তি জমা হয়ে যায় যে প্রত্যেক সংকল্পের সিদ্ধি প্রাপ্ত হয়। তারা নিজেদের সংকল্পগুলিকে যেখানে চায় সেখানে এক সেকেন্ডে স্থিত করতে পারে, সংকল্প তাদের বশ হয়ে যায়। তারা নিজেদের সংকল্পের উপর বিজয়ী হওয়ার কারণে চঞ্চল সংকল্প করা আত্মাদেরকেও কিছু সময়ের জন্য অচল বা শান্ত বানাতে পারে।

স্লোগান:-
নিরন্তর এক বাবার সাথে থাকো তাহলে সঙ্গদোষ থেকে বেঁচে যাবে।

অব্যক্ত ঈশারা :- অপবিত্রতার বীজকেও সমাপ্ত করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ (পবিত্র) হও

কোনও বিকর্ম বা ব্যর্থ কর্ম যদি বারংবার হয়ে যায় তাহলে এর কারণ হল সদা সাথীকে সাথে রাখো না অথবা সাথের অনুভব করো না। যেরকম শিবশক্তিটা এক সেকেন্ডের দৃষ্টির দ্বারা অসুর সংহার করে, এইরকম কম্বাইন্ড রূপের স্মৃতির দ্বারা নিজের আসুরী সংস্কার বা অপবিত্রতার সংকল্পগুলিকে সেকেন্ডে সংহার করো।